বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টাঙ্গাইল আদালত প্রাঙ্গণ সহ শহরের রাস্তাগুলোর বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল আদালত প্রাঙ্গণের মূল রাস্তা সহ পৌরএলাকার বিভিন্ন সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দিনের পর দিন রাস্তাগুলোর এই বেহাল অবস্থার কারণে নারী পুরুষ, বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী ও বিভিন্ন পেশার কর্মজীবী মানুষ পড়ছে চরম ভোগান্তিতে। পৌর কর্তৃপক্ষ বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে এর কার্যকরী কোন পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ মে ২০২৫, ২৩:৩৫

আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইল আদালত প্রাঙ্গণের মূল রাস্তা সহ পৌরএলাকার বিভিন্ন সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দিনের পর দিন রাস্তাগুলোর এই বেহাল অবস্থার কারণে নারী পুরুষ, বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী ও বিভিন্ন পেশার কর্মজীবী মানুষ পড়ছে চরম ভোগান্তিতে। পৌর কর্তৃপক্ষ বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে এর কার্যকরী কোন পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। ইতিপূর্বে জেলা প্রশাসকের বিভিন্ন সভায় যানজট ও রাস্তাঘাটের বেহাল দশা নিয়ে আলোচনা হলেও কার্যকরী কোন ফলাফল এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। বেশিরভাগ রাস্তায় একটু বৃষ্টি হলেই রিকশা, মোটরসাইকেল কিংবা অ্যাম্বুলেন্স চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়ে।

অনেক সময় যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনা ঘটে। টাঙ্গাইল জেলা শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর গুলোতে যাতায়াতের যে রাস্তা গুলো রয়েছে সেগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। বিশেষ করে ডিসি অফিস, এসপি অফিস,জেলা পরিষদ ও আদালত সংলগ্ন যে রাস্তা রয়েছে, সে রাস্তাগুলোতে ছোট বড় বেশ কিছু গর্ত তৈরি হয়েছে, ঢালাই দেয়া রাস্তা গুলোতে লোহার রোড গুলো বেরিয়ে ররেছে। এ কারণে মাঝে মাঝেই দুর্ঘটনা ঘটে।

এগুলোতে মাঝে মাঝে বৃষ্টির পানি জমে হাঁটা চলার পথও বন্ধ হয়ে যায়। পৌরসভার জেলা সদর হয়ে এলজিইডি মোড়ের রাস্তা, পার্কবাজার, কলেজপাড়া, থানাপাড়া, আদালতপাড়া, স্টেডিয়াম ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা ও কাগমাড়াসহ শহরের একাধিক রাস্তা খানাখন্দে পরিনত হয়েছে। ওই রাস্তাগুলো দিয়ে রিকসা, অটোরিকসা ও যানবাহনগুলো যাত্রী নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করছে। এ বিষয়ে কথা হয় কয়েকজন ভুক্তভোগীর সাথে, রিকসা চালক আলম মিয়া ও পলাশ ক্ষোভ নিয়ে বলেন এই রাস্তাগুলো দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের উপযোগী না থাকলেও কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এমন ভাঙা রাস্তা দিয়ে যাত্রী নিয়ে চলাফেরা খুবই কষ্টকর। এছাড়া চলাচলের সময় একটু এদিক সেদিক হলেই রিকসা উল্টে যায়, নয়তো রিকসার যাত্রী পড়ে যায়।

তারা বলেন গত সপ্তাহে এক স্কুল ছাত্রী রিকসা থেকে পড়ে গিয়ে হাত ভেঙে যায়। পরে স্থানীয়রা রিকসা চালককে মারধর করে। সিএনজি চালক নুরু মিয়া বলেন, পৌর এলাকার প্রায় রাস্তাগুলোর করুণ দশা। এমন রাস্তা দিয়ে গাড়ী চালালে গাড়ীর ব্যাপক ক্ষতি হয়। এছাড়াও রোগী নিয়ে যাতায়াত করা খুবই কঠিন। পার্কবাজারের পথচারীরা জানান, এই রাস্তাটি পৌরসভার খুবই গুরত্বপুর্ন রাস্তা, হাজার-হাজার লোক ও শত-শত ব্যাবসায়ীর চলাফেরা এই রাস্তাটি দিয়ে। পৌরসভার উদাসীনতার কারণে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

কাঁচামালের ব্যবসায়ী সাত্তার মিয়া বলেন, দুরদুরান্ত থেকে তিনি কাঁচামাল কিনে পার্কবাজারে এনে বিক্রি করেন। এখানকার রাস্তাঘাট খারাপ থাকায় ভ্যান রিকসা আসতে চায়না। আসলেও ভাড়া বেশি নেয়। টাঙ্গাইল কোর্টের কয়েকজন আইনজীবী বলেন, আদালত প্রাঙ্গনের রাস্তাটির অবস্থা খুব খারাপ। বর্তমানে রাস্তাটির সলিং উঠে গিয়ে রড বেড় হয়ে গেছে। সেই রডের কারনে মাঝেমধ্যেই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। জেলা সদর রোডে এরকম ভুক্তভোগী বাবু মিয়াবলেন, জেলা সদরের এই রাস্তাটি দিয়ে হাজার হাজার লোকজনের চলাফেরা।

এছাড়াও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন কোর্টে আসতে এই রাস্তাটি ব্যবহার করে। দীর্ঘদিন যাবত এই রাস্তাটি খানাখন্দে পরিণত হওয়ায় সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তিনি বলেন, মাঝে মধ্যে পৌরসভা থেকে রাস্তায় রাবিশ ফেললেও সামান্য বৃষ্টিতে তা ধুঁয়ে যায়। তিনি টাঙ্গাইল পৌর কৃর্তপক্ষের নিকট রাস্তাটির দ্রুত সংস্কার করার দাবি জানান। এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক শিহাব রায়হান এর সাথে একাধিকবার কথা হয়েছে। তিনি বলেন, রাস্তাগুলোর বিষয়ে তিনি অবগত আছেন। পর্যায়ক্রমে রাস্তাগুলো মেরামত করা হবে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।