শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতি ঘুষ বাণিজ্যের এজিএম চক্র এখনও সক্রিয়

মেহেরপুর প্রতিনিধি:  নীতিমালার প্যাচে পড়ে মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতি থেকে ট্রান্সফরমার কিনে নিতে বাধ্য হচ্ছেন গ্রাহকরা। কিন্তু ঘূষ দিলেই মিলছে ট্রান্সফরমার। এই রট্রান্সফরমার বাণিজ্য চক্রের সাথে খোদ জেনারেল ম্যানেজার, এজিএম, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়রে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আর তাদেরকে পেশিশক্তি দিয়ে আশ্রয় দিয়ে আলোচনায় রয়েছেন একজন ঠিকাদার।  অনুসন্ধানে জানা গেছে, যখন গ্রাহক পর্যায়ে ট্যান্সফরমারের প্রয়োজন হয় […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ মার্চ ২০২৫, ১৬:১০

মেহেরপুর প্রতিনিধি: 

নীতিমালার প্যাচে পড়ে মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতি থেকে ট্রান্সফরমার কিনে নিতে বাধ্য হচ্ছেন গ্রাহকরা। কিন্তু ঘূষ দিলেই মিলছে ট্রান্সফরমার।

এই রট্রান্সফরমার বাণিজ্য চক্রের সাথে খোদ জেনারেল ম্যানেজার, এজিএম, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়রে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আর তাদেরকে পেশিশক্তি দিয়ে আশ্রয় দিয়ে আলোচনায় রয়েছেন একজন ঠিকাদার। 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, যখন গ্রাহক পর্যায়ে ট্যান্সফরমারের প্রয়োজন হয় তখন স্থানীয় ইলেকট্রিশিয়ানদের মাধ্যমে আবেদন করানো হয়। আবেদন দেখে জিএম স্বদেশ কুমারের কাছে ওই গ্রাহককে পাঠিয়ে দেন তার পোষ্য দালালরা।

ট্রান্সফরমার সংকট দেখিয়ে গ্রাহককের পুরো টাকা দিয়ে কিনে নিতে হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। এতে ভীত হয়ে পড়েন গ্রাহক। গ্রাহকদের নানা অনুরোধের পরে জিএম তার নির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির কাছে পাঠিয়ে দেন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে।

সেই ব্যক্তিদের সাথে গ্রাহকের আলোচনা হয় এবং ২০—৩০ হাজার টাকা ঘুষের বিনিময়ে সংযোগের জন্য ট্রান্সফরমার পেয়ে থাকেন গ্রাহকরা।

আর কথিত এই দালালদের সাথে আলোচনায় যদি কেউ ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানায় তবে টাকা দিয়ে ট্রান্সফরমার কিনতেও ভোগান্তি দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে গ্রাহকরা ঘুষ কিংবা পল্লী বিদ্যুতে অর্থ জমা দিয়ে তাদের খুশি রেখে ট্রান্সফরমার নিয়ে থাকেন।

অভিযোগ রয়েছে, গাংনীর একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের বৈদ্যুতিক সংযোগে লোড বৃদ্ধির জন্য আবেদন করা হয়। আবেদন পেয়ে সক্রিয় হয়ে উঠে পল্লী বিদ্যুতের দুনীর্তিবাজ চক্রের সদস্যরা।

ট্রান্সফরমার কেনার কথা বলে গ্রাহককে গাংনী জোনাল অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আখতারুজ্জামানের মাধ্যমে প্রথমে যোগাযোগ হয় এজিএম তিতাস হোসেনের সাথে এবং পরবতীর্তে জিএম স্বদেশ কুমার পর্যন্ত।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই তিন জনের সাথে ট্রান্সফরমার জালিয়াত চক্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ঠিকাদার মোজাম্মেল হক। জিএম স্বদেশ কুমারের সব অপকর্ম ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করে থাকেন ঠিকাদার মোজাম্মেল।

স্থানীয় পেশিশক্তি ব্যবহার করে বর্তমানে তিনি ঢাল হিসেবে স্বদেশ কুমারের অপকর্ম আড়াল করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছেন। স্বদেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিলকারীরকে বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করতে জোরেসোরে কার্যক্রম চালাচ্ছেন মোজাম্মেল হক। 

জানা গেছে, পতিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ছবি, লগো ও স্লোগান সম্বলিত মাসিক বিদ্যুত বিল ৫ আগস্টের পর কয়েকমাস ধরে বাড়ি বাড়ি বিতরণ করা হয়। এর জন্য জিএম স্বদেশ কুমারের ফ্যাসিবাদী প্রীতিকে দায়ী করেছেন অনেকে।

এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে বিভিন্ন মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয়। জিএম ইমেজ সংকটে পড়েন। উঠে আসতে থাকে তার নানা প্রকার দুনীর্তির চিত্র। জিএম এর দুনীর্তি চক্রের এক কর্মকর্তার ব্যক্তিগত একটি বিষয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হয়।

তবে এসব ঠিক করে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়ে মাঠে নামেন ঠিকাদার মোজাম্মেল হক। তিনি প্রায় সব সময়ই জিএম এর আশেপাশে ঘুরঘুর করেন।

মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুতের অঘোষিত ত্রাণকর্তা হিসেবে নিজেকে জাহির করেন। মোজাম্মেল হকের উপর ভর করেই জিএম পূর্বের মতই ঘুষ বাণিজ্যে আবারও লিপ্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

তবে এ বিষয়ে জানতে চেয়ে মোবাইলে যোগাযোগ করলে মোজাম্মেল হকের মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে। 

অভিযোগ রয়েছে, গাংনীর ওই দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ট্রান্সফরমার কিনে নিতে হবে শুনে গ্রাহক অসন্তোষ প্রকাশ করেন। টাকা দিয়ে ট্রান্সফরমার কিনে লোড বাড়ানো সম্ভব নয় বলে অপরাগতার কথা জানিয়ে দেন গ্রাহক।

এর এক পর্যায়ে জিএম স্বদেশ কুমার, এজিএম তিতাস হোসেন ও জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আখতারুজ্জামান চক্র একজন কতিথ দালাল প্রেরণ করেন ওই প্রতিষ্ঠানে। জিএম, এজিএম এবং জুনিয়র ইঞ্জিনিয়রকে ম্যানেজ করতে ৬০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।

এ টাকা দিলেই জিএম, এজিএম এবং জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র মিলে বিনামূল্যে ট্রান্সফরমার লাগিয়ে দিবেন বলে আশা দেন ওই কতিথ দালাল। স্যারদের (জিএমএম, এজিএম, জুনিঃইঞ্জিনিয়র) পক্ষ থেকে এ খবর গ্রাহককে দিতে বলা হয়েছ বলেও দাবি করেন ওই কতিথ দালাল।

তবে ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় দাতব্য প্রতিষ্ঠানটির লোড এখন বাড়ানো হয়নি বলে জানা গেছে। জরুরী প্রয়োজন হলেও লোড ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি না করায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।  

তবে অভিযোগ সব মিথ্যা দাবি করে মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) স্বদেশ কুমার বলেন, একটি গতানুগতিক অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

আসলে এসব অভিযোগের সবই মিথ্যা। ট্রান্সফরমার প্রতারণা ও ঘুষের সাথে কাউকে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।