মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুজিবনগরের চাঞ্চল্যকর আলমগীর খুন বাদীই যেখানে খুনের পরিকল্পনাকারী

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর পুলিশের সঠিক তদন্তে রহস্য উম্মোচিত হয়েছে মেহেরপুর মুজিবনগরের তারানগর গ্রামের চাঞ্চল্যকর আলমগীর ওরফে আলম খুনের রহস্য। মামলার বাদী আলমগীর ওরফে আলমের স্ত্রী বেদেনা খাতুনই এ হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ স্ত্রী বেদেনা খাতুনসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন— স্ত্রী বেদেনা(৩৭), শাশুড়ি শাহিনুর বেগম(৫৫), তারানগর গ্রামের হামিদুল @ […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ জানুয়ারী ২০২৫, ২০:৫৮

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর

পুলিশের সঠিক তদন্তে রহস্য উম্মোচিত হয়েছে মেহেরপুর মুজিবনগরের তারানগর গ্রামের চাঞ্চল্যকর আলমগীর ওরফে আলম খুনের রহস্য। মামলার বাদী আলমগীর ওরফে আলমের স্ত্রী বেদেনা খাতুনই এ হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ স্ত্রী বেদেনা খাতুনসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন— স্ত্রী বেদেনা(৩৭), শাশুড়ি শাহিনুর বেগম(৫৫), তারানগর গ্রামের হামিদুল @ হামদু (৪৫) ও ধলো@ মিন্টু @পেটু(৪৫)। পারিবারিক কোন্দল, স্বামীর পরোনারীতে আসক্ত মাদক সেবনসহ নানা কারনে স্ত্রী বেদেনা খাতুন ভাড়াটে খুনী দিয়ে পরিকল্পিত খুন করে আলমগীরকে। গ্রেপ্তারকৃতরা বৃহষ্পতিবার বিজ্ঞ আদালতে এমনই স্বীকারোক্তি প্রদান করে।

পুলিশ জানায়, গত ০৯ আগস্ট ২০২৪ দিবাগত রাতে তারানগর গ্রামের আগবত আলীর ছেলে আলমগীর @ আলম(৪৪), নির্মম নৃশংস খুনের শিকার হয়। খুনিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কানের উপরে, নিচে ও ঘাড়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে হত্যা করে। পরদিন স্ত্রী বেদেনা খাতুন বাদী হয়ে মুজিবনগর থানায় অজ্ঞাত আসামীদের নামে একটি মামলা করেন। যার নং ০২/১১৬, তারিখ: ১০/০৮/২০২৪, ধারা: ৩০২/৩৪ পেনাল কোড।

হত্যাকান্ডের পর থেকেই মামলার বাদীনি তার স্বামী হত্যার বিচারের দাবীকে প্রাধান্য কম দিয়ে সর্বদা তার স্বামীর বিরুদ্ধে নানা রকম অপবাদ— অভিযোগ দিতে থাকে। এ ছাড়া মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তথ্য দিয়ে সহায়তা না করে অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা বলার চেষ্টা করতো। সেই থেকে বাদিনীর উপর সন্দেহ বাড়তে থাকে তদন্তকারীর। এক পর্যায়ে গভীরভাবে তদন্ত করতে থাকে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনার কিছুদিন পূর্বে মামলার বাদিনী বেদেনা খাতুন তার পালিত একটি গরু ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা বিক্রি করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এই টাকার কথা জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তাৎক্ষণিকভাবে আমতা আমতা করে এলোমেলো উত্তর দিতে থাকে। এতে আরো সন্দেহ ঘনীভূত হয়। গত বৃহষ্পতিবার ভোরে বাদিনী বেদেনা খাতুনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে খুনের রহস্য।

স্ত্রী বেদেনা খাতুনের ভরণ—পোষণ না দেয়া, পরনারীর সাথে সম্পর্ক, মাদকাসক্তি ইত্যাদি কারণে স্ত্রীর সাথে স্বামী আলমগীর ওরফে আলমের দাম্পত্য কলহ প্রকট হয়। একপর্যায়ে স্ত্রী ও শাশুড়ি শাহিনুর বেগম আলমগীর @আলমকে হত্যার পরিকল্পনা করে। সে মতে বাড়ির একটি গরু এক লাখ ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করে গ্রামের হামিদুল @ হামদু এবং ধলো @ মিন্টু @ পেটুকে ভাড়া করে।

গত ৯ আগস্ট ২০২৪ তারিখ আলমগীর @আলম রাতের খাওয়া—দাওয়া শেষে তার বসতবাড়ির একটি আলাদা কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। খাবারের সাথে স্ত্রী বেদেনা খাতুন ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে দেয়ায় সে গভীরভাবে ঘুমিয়ে পড়ে। আলাদা কক্ষে সন্তানদের নিয়ে ঘুমাতে যায় বেদেনা। ওই রাতেই ভাড়াটে খুনি হামিদুল @হামদু এবং ধুলো@ মিন্টু @পেটু ধারালো দা দিয়ে মাথা ও ঘাড়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে আলমগীর @ আলমকে হত্যা নিশ্চিত করে বাইরে থেকে ঘরের সিটকিনি লাগিয়ে চলে যায়।

মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর রাত ১২ ঘটিকার সময় বাদিনী তার মেয়ের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে উঠার নাটক সাজিয়ে তার আত্মীয় ও আশেপাশের লোকজনকে জড়ো করে। পরদিন বেদেনা খাতুন নিজেই বাদী হয়ে মুজিবনগর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা রুজু করে।

মেহেরপুর পুলিশ সুপার মাকসুদা খানম জানান, হত্যাকান্ড ঘটার পরপরই পুলিশ খুনিদের সনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করে। আলমের স্ত্রী বেদেনা খাতুনের কথাবার্তা ও গতিবিধি সন্দেহ হওয়ায় তার প্রতি নজর দেয়া হয়। একপর্যায়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে খুনের রহস্য। বেদেনা খাতুনের দেয়া তথ্যানুযায়ি তার মা ও অপর দুই ভাড়াটে খুনিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। সেখানে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।