সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে অনিয়ম, পর্দা কেনা হয়েছে ২০ লাখ টাকার

মেহেরপুর প্রতিনিধি:  মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ওসিসি ও স্টেশনারি সামগ্রী ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের তীর হাসপাতালের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ডা. বুলবুল কবির, প্রধান অফিস সহকারী আসাদুল ইসলাম লিটন ও স্টোর কিপার পলি খাতুনের বিরুদ্ধে। ৩৫ লাখ টাকার মধ্যে ২০ লাখ টাকার শুধু পর্দা ক্রয় দেখানো হয়েছে। অনুসন্ধানে […]

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে অনিয়ম, পর্দা কেনা হয়েছে ২০ লাখ টাকার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ আগস্ট ২০২৬, ১৮:২০

মেহেরপুর প্রতিনিধি:

 মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ওসিসি ও স্টেশনারি সামগ্রী ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের তীর হাসপাতালের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ডা. বুলবুল কবির, প্রধান অফিস সহকারী আসাদুল ইসলাম লিটন ও স্টোর কিপার পলি খাতুনের বিরুদ্ধে। ৩৫ লাখ টাকার মধ্যে ২০ লাখ টাকার শুধু পর্দা ক্রয় দেখানো হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের অন্যান্য ক্রয়ের মধ্যে ওসিসি ও স্টেশনারি খাতে ৩৫ লাখ টাকার সামগ্রী সরবরাহে ঠিকাদার হিসেবে কাজ পায় মেহেরপুর ট্রেডিং। কিন্তু অর্থ বছর পেরিয়ে গেলেও ওই প্রতিষ্ঠান থেকে দুই দফায় মাত্র ৯ লাখ টাকার সামগ্রী নেওয়া হয়েছে।

বাকি ২৬ লাখ টাকা সামগ্রী হাসপাতালের সুপার বুলবুল আহমেদ নিজস্ব মতামতের ভিত্তিতে নিজে এবং পছন্দের ঠিকাদার দিয়ে নামমাত্র স্টেশনারী সামগ্রী ক্রয় করেছেন। জানা গেছে, ওই ২৬ লাখ টাকার মধ্যে তিনি শুধু পর্দা ক্রয়ে খরচ দেখিয়েছেন ২০ লাখ টাকা।

তিনি টেন্ডার প্রক্রিয়াকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে চার সদস্যর ক্রয় কমিটি করে এ পর্দা কিনেছেন ঢাকার এক ঠিকাদারের কাছে থেকে। তবে কত পিস পর্দা ক্রয় করা হয়েছে সে হিসাব বড় বাবু লিটন ও স্টোর কিপার পলি কেউ দিতে চাননি। চার সদস্যর ক্রয় কমিটিতে ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ডা. বুলবুল কবির, ডা. আবুল কাশেম, ডা. আমেনা খাতুন ও ডা. হাসিবুল ইসলাম।

মেহেরপুর প্রতিদিনের টিম নতুন বিল্ডিংয়ে অনুসন্ধান করে পুরো বিল্ডিংয়ে ৫৫০ পিস থেকে ৬০০ পর্দার হিসাব পেয়েছে। যে পর্দা ক্রয় করা হয়েছে সে পর্দার দাম বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে সর্বোচ্চ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা হবে প্রতি পিসের দাম।

যার সর্বোচ্চ মূল্য হতে পারে ৩ লাখ টাকা, এর সঙ্গে পর্দার পাইপ ফিটিংস ও মিস্ত্রি খরচ দিয়ে আরও ৩ লাখ টাকা যদি খরচ হয় সব মিলিয়ে খরচ হবে ৬ লাখ টাকা। কিন্তু ক্রয় দেখানো হয়েছে ২০ লাখ টাকা।

তবে, ক্রয়ের সঠিক হিসাব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই দিতে পারবে। তবে শুধু স্টেশনারী নয় এ ধরণের সাত থেকে আটটি খাতে প্রতিবছর সরকার কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে থাকে জেলা হাসপাতালে। বরাদ্দগুলো কিভাবে ব্যয় হচ্ছে সে ব্যাপারে মেহেরপুর প্রতিদিনের অনুসন্ধান অব্যহত রেখেছে।

স্টেশনারি সামগ্রী সরবরাহকোরী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেহেরপুর ট্রেডিংয়ের স্বত্ত্বাধিকার দেবাশীষ বাগচি বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ওসিসি ও স্টেশনারি খাতে ৩৫ লাখ টাকার কাজ পেয়েছিলাম। কিন্তু আমার কাছে থেকে দুই দফায় ৯ লাখ টাকার সামগ্রী নেওয়া হয়েছে। বাকি ২৬ লাখ টাকার মালামাল নেওয়া হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ইজিপির মাধ্যমে পাওয়া কাজ অন্য কোন ঠিকাদার করতে পারেন না। এক্ষেত্রে আমার সাথে অনিয়ম করা হয়েছে। আমি কিছু বলতে গেলে আমাকে নানাভাবে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

স্টোর কিপার পলি খাতুন বলেন, সাবেক সুপার বুলবুল স্যার নতুন বিল্ডিংয়ের জন্য ২০ লাখ টাকার পর্দা কিনেছেন । বড়বাবু লিটন বিল রেডি করে দিয়েছে। আমি শুধু স্টোর কিপার হিসেবে মালামাল বুঝে নিয়েছি।

তবে কোন ঠিকাদারের কাছে থেকে নিয়েছে আমি সে ঠিকাদারকে চিনিনি। এত টাকার পর্দা কি লেগেছে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কি এ কথা বলতে পারি?

প্রধান অফিস সহকারী আসাদুল ইসলাম লিটন বলেন, ‘হাসপাতালের বস হচ্ছেন সুপার । তিনি যেভাবে বলেন আমাদের সেভাবেই কাজ করতে হয়। সাবেক সুপার বুলবুল স্যার তার নিজস্ব ক্ষমতাবলে ২০ লাখ টাকার পর্দা কিনেছেন।’

টেন্ডার প্রাপ্ত ঠিকাদারের সাথে না নিয়ে কেন অন্য ঠিকাদারের কাছে থেকে নিলেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সুপার স্যার স্পট কোটেশনের মাধ্যমে কিনেছেন আমরা শুধু তার আদেশ বাস্তবায়ন করেছি।’

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক ডা. বুলবুল কবির বলেন, ‘স্টেশনারী সামগ্রী ক্রয়ের ক্ষেত্রে উপযোজন প্রক্রিয়ায় ক্রয় কমিটি করে স্টেশনারি সামগ্রী কেনা হয়েছে। যার নথি হাসপাতালে রয়েছে। আর এ বিষয়ে ঠিকাদার সব জানে। আমার পরে যিনি সুপার যোগদান করেছেন তিনি বাকি টাকা হয়তো সমন্বয় করেছেন।’

মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিষদের সভাপতি মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য তাজ উদ্দিন খান বলেন, ‘হাসপাতালের অনিয়মের বিষয়ে অবশ্যই অনুসন্ধান করবো, যদি ব্যত্যয় পাই ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। হাসপাতালে কোন ধরণের অনিয়ম , অব্যবস্থাপনা আমি রাখতে চাই না।’

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।