বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নির্যাতন করে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার নাটক

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধি  স্বামী ইমন সরদারের নির্যাতনে স্ত্রী জুবায়রা আক্তার জান্নাতির (১৭) নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাবা সাংবাদিক সুমন রশিদ এমন অভিযোগ করেছেন। তিনি আরো অভিযোগ করেন, মেয়েকে হত্যা করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা বলে নাটক করছে। ঘাতক স্বামী ইমন সরদার স্ত্রীর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছে।  ঘটনা ঘটেছে আমতলী পৌরসভার […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:২৩

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধি 

স্বামী ইমন সরদারের নির্যাতনে স্ত্রী জুবায়রা আক্তার জান্নাতির (১৭) নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাবা সাংবাদিক সুমন রশিদ এমন অভিযোগ করেছেন। তিনি আরো অভিযোগ করেন, মেয়েকে হত্যা করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা বলে নাটক করছে। ঘাতক স্বামী ইমন সরদার স্ত্রীর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছে।  ঘটনা ঘটেছে আমতলী পৌরসভার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় শুক্রবার রাতে।
জানাগেছে, উপজেলার গুলিশাখালী গ্রামের আমতলী সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতি সুমন রশিদের কন্যা জুবায়রা আক্তার জান্নাতিকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে গত এক বছর আগে গোপনে বিয়ে করেন নাচনাপাড়া গ্রামের আল আমিন সরদারের ছেলে ইমন সরদার। বিয়ের পর থেকে স্ত্রী জান্নাতিকে যৌতুকসহ নানা অযুহাতে নির্যাতন করে আসছে স্বামী ইমন সরদার এমন অভিযোগ বাবা সুমন রশিদের।
শুক্রবার বিকেলে দাম্পত্য কলহের জের ধরে স্ত্রী জান্নাতিকে স্বামী ইমন মাথার চুল কেটে দেয়। এ নিয়ে স্বামী—স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্ধ হয়। এক পর্যায় স্বামী ইমন সরদার স্ত্রী জান্নাতিকে বেধরক মারধর করে। ওই মারধরে তিনি মারা যায়। মৃত্যু ভেবে স্বামী ইমন স্ত্রীর গলায় ওড়না পেরিয়ে ফাঁস দিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুঁলিয়ে রাখে। আত্মহত্যার নাটক সাজিয়ে স্বামী ইমন স্ত্রীর মরদেহ আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই হাসপাতালে চিকিৎসক জান্নাতির মৃত্যু নিশ্চিত করলে লাশ রেখে ইমন পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে প্রেরণ করেছে।  এ ঘটনায় আমতলী থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। স্বামী ইমন সরদার আমতলী পৌরসভা পল্লি বিদ্যুৎ এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। শনিবার দুপুরে ময়না তদন্ত শেষে পুলিশ জান্নাতির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ওইদিন বিকেলে  বাবার পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, স্বামী ইমন স্ত্রী জান্নাতিকে প্রায়ই নানা অযুহাতে মারধর করতো। শুক্রবার বিকেলে ইমন স্ত্রী জান্নাতির মাথার চুল কেটে দেয়। এর প্রতিবাদ করে জান্নাতি। এক পর্যায় স্বামী ইমন স্ত্রী জান্নাতিকে বেধরক মারধর করে। এক পর্যায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। মৃত্যু ভেবে গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা বলে ডাকাডাকি করে। পরে নিজেই স্ত্রীর মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বাবা সুমন রশিদ বলেন, আমার মেয়ে জান্নাতিকে বিয়ের পর থেকেই জামাতা ইমন সরদার প্রায়ই  নির্যাতন করতো। আমাকে মেয়ে বেশ কয়েকবার ফোনে জানিয়ে। কিন্তু আমি মেয়ের কথা আমলে নিইনি। শুক্রবার বিকেলে আমার মেয়ের মাথার চুল কেটে দেয় ইমন। আমার মেয়ে এর প্রতিবাদ করলে শ্বশুর—শ্বাশুড়ীর নির্দেশে স্বামী ইমন বেধরক মারধর করে। এতে আমার মেয়ে জ্ঞাণ হারিয়ে ফেলে। মৃত্যু ভেবে আমার মেয়ের গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা নিশ্চিত করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
স্বামী ইমন সরদার স্ত্রীকে হত্যার ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, দাম্পত্য কলহের জের ধরে আমি আমার স্ত্রীর মাথার চুল কেটে দিয়েছি। এ ঘটনায় আমার সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়েছে। এক পর্যায় গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মনিরুজ্জামান খাঁন বলেন, হাসপাতালে আনার পুর্বেই জান্নাতির মৃত্যু হয়েছে।
আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ আমির হোসেন সেরনিয়াবাদ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।