মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

জীবিকার জালে ঋণবন্দি বরগুনার জেলেরা উপকূলে ভয়াবহ অনিশ্চয়তা

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা বরগুনার উপকূলীয় জনপদে মাছ ধরাই হাজারো মানুষের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে থাকা এই পেশা আজ বহু জেলে পরিবারের জন্য ঋণের এক নিষ্ঠুর বন্দিত্বে পরিণত হয়েছে। সরকারি অবহেলা, মহাজনী ঋণের দৌরাত্ম্য, মধ্যস্বত্বভোগীদের শোষণ, ন্যায্যমূল্যের অভাব এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ-সব মিলিয়ে জেলেদের জীবন আজ গভীর অনিশ্চয়তার মুখে। মৎস্য […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯:০৪

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা

বরগুনার উপকূলীয় জনপদে মাছ ধরাই হাজারো মানুষের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে থাকা এই পেশা আজ বহু জেলে পরিবারের জন্য ঋণের এক নিষ্ঠুর বন্দিত্বে পরিণত হয়েছে। সরকারি অবহেলা, মহাজনী ঋণের দৌরাত্ম্য, মধ্যস্বত্বভোগীদের শোষণ, ন্যায্যমূল্যের অভাব এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ-সব মিলিয়ে জেলেদের জীবন আজ গভীর অনিশ্চয়তার মুখে।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বরগুনা জেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা প্রায় ৪৫ হাজার। এর মধ্যে তালতলী, পাথরঘাটা ও আমতলীতে ৩০ হাজারের বেশি জেলে সরাসরি বঙ্গোপসাগর ও নদীনির্ভর মাছ ধরার সঙ্গে যুক্ত। তবে স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত জেলের সংখ্যা আরও বেশি হলেও অনেকেই এখনো সরকারি নিবন্ধনের বাইরে। ফলে তারা প্রণোদনা ও সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তালতলীর জয়ালভাঙা গ্রামের জেলে আবদুল মজিদের গল্প যেন হাজারো জেলের প্রতিচ্ছবি। মাছ ধরার সক্ষমতা বাড়াতে নৌকা ও জাল কেনার জন্য তিনি মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হন। মৌখিক চুক্তিতে নেওয়া এই ঋণের সুদের হার মাসে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। কোনো লিখিত চুক্তি বা আইনি সুরক্ষা না থাকায় ঋণ কমার বদলে ক্রমেই বাড়ছে, আর জেলে পরিবারটি পড়ে যাচ্ছে চরম সংকটে।

ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙন বরগুনার উপকূলের নিত্যসঙ্গী। গত এক দশকে একাধিক বড় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হাজার হাজার জেলে পরিবার। এর সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে মাছের প্রাপ্যতা কমে এসেছে। করোনাকালীন দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা ও পরবর্তীতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে মাছ ধরার খরচ বেড়ে গেলেও মাছের বাজারদর বাড়েনি।

মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, আগে যেখানে একটি ছোট নৌকা চালাতে প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা খরচ হতো, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকায়। কিন্তু আয় সেই অনুপাতে না বাড়ায় জেলেরা আরও বেশি ঋণনির্ভর হয়ে পড়ছেন।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অধিকাংশ জেলে মহাজন বা আড়তদারের কাছ থেকেই ঋণ নিতে বাধ্য হন। ব্যাংক ঋণের জন্য প্রয়োজনীয় জামানত ও কাগজপত্র জোগাড় করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে মহাজনই একদিকে ঋণদাতা, অন্যদিকে মাছের প্রধান ক্রেতা হয়ে জেলেদের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত করছেন।

সরকারি নিষেধাজ্ঞাও জেলেদের জীবনে বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। মাছের প্রজনন রক্ষায় নির্দিষ্ট সময়ে সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় জেলেরা কার্যত বেকার হয়ে পড়েন। সরকারি প্রণোদনার চাল ও সহায়তা অনেক ক্ষেত্রে সময়মতো বা পর্যাপ্তভাবে না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আবার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে জেল ও জরিমানার ঘটনাও ঘটছে।

জেলে কার্ড ও সহায়তা কর্মসূচি নিয়েও রয়েছে অনিয়মের অভিযোগ। প্রকৃত জেলে তালিকা হালনাগাদ না হওয়ায় অনেক প্রকৃত জেলে সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন না। বিপরীতে তালিকায় রয়েছেন এমন অনেকেই, যারা বাস্তবে মাছ ধরার সঙ্গে যুক্ত নন।

ঋণের ভারে নুয়ে পড়া জেলে পরিবারগুলোর স্বাস্থ্য ও শিক্ষাব্যবস্থা চরম সংকটে। দারিদ্র্যের কারণে শিশুদের স্কুল ছাড়ার প্রবণতা বাড়ছে, অল্প বয়সেই তারা মাছ ধরার কাজে যুক্ত হচ্ছে। এতে দারিদ্র্যের এক ভয়াবহ চক্র তৈরি হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকট থেকে উত্তরণে জরুরি ভিত্তিতে প্রকৃত জেলে তালিকা হালনাগাদ, স্বল্পসুদের প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ ব্যবস্থা, ন্যায্যমূল্যে মাছ বিক্রির নিশ্চয়তা এবং বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।

বরগুনার উপকূলজুড়ে আজ হাজারো জেলে পরিবার ঋণের দাসত্বে বন্দি। আবদুল মজিদের মতো অসংখ্য জেলে এখনো আশায় আছেন-একদিন হয়তো তারা ঋণমুক্ত হয়ে নিজের শ্রমের ন্যায্য ফল পাবেন। তবে কার্যকর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ ও সুশাসন ছাড়া সেই আশার আলো ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।