বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

চরাঞ্চলে বাড়তি দামে জ্বালানি, কমছে মোটরসাইকেল চালকদের আয়

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি চারদিকে নদী, দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থা। পর্যাপ্ত গণপরিবহন না থাকায় মুন্সীগঞ্জের দক্ষিণাঞ্চলের চরভিত্তিক এলাকায় মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে মোটরসাইকেল। এক চর থেকে অন্য চর, বাজার কিংবা ঘাটে যেতে অনেকেরই ভরসা এই যান। তবে জ্বালানির বাড়তি দামে সেই মোটরসাইকেলনির্ভর যাতায়াত এখন চালক ও যাত্রী—উভয়ের জন্যই বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। সরকারি নির্ধারিত দামে […]

চরাঞ্চলে বাড়তি দামে জ্বালানি, কমছে মোটরসাইকেল চালকদের আয়

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৪৩

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

চারদিকে নদী, দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থা। পর্যাপ্ত গণপরিবহন না থাকায় মুন্সীগঞ্জের দক্ষিণাঞ্চলের চরভিত্তিক এলাকায় মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে মোটরসাইকেল। এক চর থেকে অন্য চর, বাজার কিংবা ঘাটে যেতে অনেকেরই ভরসা এই যান। তবে জ্বালানির বাড়তি দামে সেই মোটরসাইকেলনির্ভর যাতায়াত এখন চালক ও যাত্রী—উভয়ের জন্যই বাড়তি চাপ তৈরি করেছে।

সরকারি নির্ধারিত দামে বর্তমানে প্রতি লিটার পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা। কিন্তু দক্ষিণাঞ্চলের চর এলাকার বিভিন্ন দোকানে খোলা ও বোতলে পেট্রোল-অকটেন বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ টাকা লিটার দরে। ফলে সরকারি মূল্যের তুলনায় প্রতি লিটারে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে মোটরসাইকেলচালকদের।

চরাঞ্চলের দোকানদারদের ভাষ্য, দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থার কারণে দূরবর্তী এলাকা থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করে আনতে পরিবহন ব্যয় বেশি হয়। সেই অতিরিক্ত খরচ সমন্বয় করতেই খোলা ও বোতলে জ্বালানি কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

জ্বালানির বাড়তি দাম সরাসরি প্রভাব ফেলছে মোটরসাইকেলচালকদের দৈনিক আয়ে। চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগে যে পথে ১০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হতো, এখন তেলের অতিরিক্ত খরচের কারণে একই পথে ১৫০ টাকা ভাড়া দাবি করতে হচ্ছে। কিন্তু বাড়তি ৫০ টাকা ভাড়া চাইলে অনেক সময় যাত্রীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়ার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

একজন মোটরসাইকেলচালক বলেন, “আগে ১০০ টাকা ভাড়ায় যাত্রী নিয়ে আমাদের কিছুটা লাভ থাকত। এখন তেলের দাম বেশি হওয়ায় ১৫০ টাকা চাইতে হয়। কিন্তু যাত্রী ১৫০ টাকা দিতে চান না। ফলে আগের ভাড়ায় চালালে তেলের খরচ বাদ দিয়ে হাতে তেমন কিছুই থাকে না।”

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলের চরভিত্তিক এলাকাগুলোতে গণপরিবহনের সংকট দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে দিঘীরপাড়, হাসাইল, শিলই ও বাংলাবাজার ইউনিয়নের বিভিন্ন চরাঞ্চলে স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতেও মোটরসাইকেলের ওপর মানুষের নির্ভরতা বেশি। ফলে জ্বালানির দাম বাড়ার প্রভাব সরাসরি পড়ছে স্থানীয় পরিবহনব্যবস্থায়।

চালকদের ভাষ্য, প্রতিদিনের আয়ের একটি বড় অংশ জ্বালানি কিনতেই ব্যয় হয়ে যায়। এর বাইরে মোটরসাইকেলের তেল-রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য খরচ রয়েছে। ফলে আগের মতো একইসংখ্যক যাত্রী পরিবহন করেও জ্বালানির বাড়তি ব্যয়ের কারণে প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে।

তবে চালকদের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টিও সহজভাবে নিতে পারছেন না যাত্রীরা। তাঁদের অনেকেই নির্দিষ্ট আয়ের মানুষ। একই পথে ভাড়া ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৫০ টাকা হলে অতিরিক্ত ৫০ টাকা দেওয়া তাঁদের জন্যও কঠিন। ফলে জ্বালানির বাড়তি দামের প্রভাব একদিকে চালকদের আয় কমাচ্ছে, অন্যদিকে যাত্রীদের যাতায়াত ব্যয় বাড়াচ্ছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, চরাঞ্চলে মোটরসাইকেল ছাড়া অনেক সময় দ্রুত কোথাও যাওয়ার উপায় থাকে না। জরুরি প্রয়োজনে ভাড়া নিয়ে দর-কষাকষির সুযোগও কম। তেলের দাম বাড়ায় চালকেরা ভাড়া বাড়াতে চাইছেন, আবার সাধারণ মানুষও বাড়তি ভাড়া বহন করতে পারছেন না। এতে দুই পক্ষই সমস্যায় পড়েছেন।

চালকদের দাবি, চরাঞ্চলের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে জ্বালানি সরবরাহ ও বিক্রয়মূল্যের বিষয়টি নজরদারির আওতায় আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে জ্বালানির দাম ও পরিবহন ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্থানীয় যাতায়াত ভাড়া নির্ধারণে উদ্যোগ নেওয়া হলে চালক ও যাত্রী—দুই পক্ষের চাপই কিছুটা কমতে পারে।

দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষের কাছে মোটরসাইকেল এখন কেবল একটি যানবাহন নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম প্রধান অবলম্বন। তাই জ্বালানির বাড়তি দামের প্রভাব শুধু মোটরসাইকেলচালকদের আয়ে সীমাবদ্ধ থাকছে না; এর প্রভাব পড়ছে চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের যাতায়াত ব্যয়ের ওপরও।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।