বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিএমইটি কার্ডের নামে প্রবাসীদের হয়রানি, নতুন সরকারেও ঘুষের প্রতিযোগিতা চলছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

আমরা একটা অভিযোগ পাচ্ছি যে, বিগত এক সপ্তাহ ধরে বিএমইটি কার্ড বরাদ্দ বন্ধ রয়েছে। ক্লিয়ারেন্স কার্ড পাচ্ছে না লোকজন, তাই আন্দোলনের ঘোষণাও এসেছে। কিন্তু ব্যাক-চ্যানেলে ঠিকই কার্ড দিচ্ছে বেশি টাকায়। নতুন সরকার আসার পরেও ঘুষ খাওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে।প্রশ্ন হচ্ছে, বিএমইটি কেন দরকার? প্রবাসী বা পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে একটি কাজ অপরিহার্য তা হচ্ছে, শ্রমিকদের নিবন্ধনভিত্তিক ডেটাবেস […]

বিএমইটি কার্ডের নামে প্রবাসীদের হয়রানি, নতুন সরকারেও ঘুষের প্রতিযোগিতা চলছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:০১

আমরা একটা অভিযোগ পাচ্ছি যে, বিগত এক সপ্তাহ ধরে বিএমইটি কার্ড বরাদ্দ বন্ধ রয়েছে। ক্লিয়ারেন্স কার্ড পাচ্ছে না লোকজন, তাই আন্দোলনের ঘোষণাও এসেছে। কিন্তু ব্যাক-চ্যানেলে ঠিকই কার্ড দিচ্ছে বেশি টাকায়। নতুন সরকার আসার পরেও ঘুষ খাওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, বিএমইটি কেন দরকার?

প্রবাসী বা পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে একটি কাজ অপরিহার্য তা হচ্ছে, শ্রমিকদের নিবন্ধনভিত্তিক ডেটাবেস তৈরি। আপনার দরকার ডেটাবেইজ, প্লাস্টিক কার্ডের ব্যবসা জরুরি নয়। ডেটাবেজ হবে এনআইডি ও পাসপোর্ট উভয়ের ডেটার সমন্বয়ে। কোন নাগরিক কোন দেশে, কোন নিয়োগকর্তার অধীনে আছেন, এই তথ্য থাকলে প্রবাসী শ্রমিকের অসুস্থতা, কর্মহীনতা, সিরিয়াস দুর্ঘটনা এবং মৃত্যুতে তাকে বা তার পরিবারকে সাপোর্ট দেওয়া যায়।

পাশাপাশি লাশ ফেরানো, যুদ্ধ বা আঞ্চলিক সংঘাতে সরিয়ে আনা, মজুরি না পেলে দূতাবাসের হস্তক্ষেপ ইত্যাদির জন্য নিখুঁত রেজিস্ট্রেশন দরকার। কিন্তু প্রবাসী কল্যাণ ও বিএমইটি কি সব কাজ ঠিকঠাক করছে? যদি না করে, তাহলে রেজিস্ট্রেশনের নামে তাদের হয়রানির অধিকার কে দিয়েছে?

তাই আমাদের দাবি হচ্ছে, প্রবাসীদের ক্রমাগত হয়রানি থামাতে, BMET-কে গেটকিপার থেকে রেজিস্ট্রারে রূপান্তর করতে হবে। অর্থাৎ শ্রমিকদের নিবন্ধন প্লাস্টিক কার্ড থেকে সরিয়ে ডেটাবেসভিত্তিক করতে হবে। সঠিক ডেটাবেজের জন্য দরকার-

১। পাসপোর্ট, এনআইডি তথ্য সঠিকতা। এসব তথ্য ম্যানুয়াল ফিল হবে না, সার্ভার থেকে অটোমেটিক আসবে সিকিউর এপিআই করে।
২। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা (শিক্ষা বোর্ডের ও TTC-র সাথে সরাসরি এপিআই করা ভেরিফিকেশন)। এখানে হার্ড কপি সার্টিফিকেট যাচাই পুরোপুরি বন্ধ করা হবে।
৩। ভিসা যাচাই এবং প্রবাসী এমব্যাসির এন্ডোর্সমেন্ট। এটা শতভাগ অনলাইন ও এপিআইভিত্তিক হতে হবে।
৪। হেলথ চেক। এখানেও ভিন্ন ভিন্ন দেশের অ্যাপ্রুভড ক্লিনিকের সাথে রিয়েল-টাইম ডেটা ভেরিফিকেশন রাখতে হবে।
এর পরে আসবে- দুর্ঘটনা, অসুস্থতা ও লাশ ফেরানোর মত বীমার তথ্য, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স সুবিধাদির তথ্য। বিদেশে কর্মহীন থাকার তথ্য এবং নেসেসারি সাপোর্ট।

সাবেক ও বর্তমান সরকার এপিআইভিত্তিক রিয়েল-টাইম সনদ যাচাই পদ্ধতি সম্পর্কে হয় জ্ঞান রাখে না, নচেৎ দুর্নীতি ও ঘুষচক্র জারি রেখে দালালচক্র পালাই তাদের উদ্দেশ্য। ফলে তারা এখনও হার্ডকপি পেপার ভেরিফিকেশনের একটা হয়রানিমূলক ব্যবস্থা চালু রেখেছে। একের পর এক নিম্নমান সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেবার নামে হয়রানি চলছে।

বিএমইটির কার্ডের পুরো জাস্টিফিকেশনটাই করা হয়েছিল প্রি-ডিপার্চার ট্রেইনিংকে, আর অথেন্টিক ডকুমেন্টস (জব, ভিসা) বাধ্যতামূলক করতে। অথচ বিএমইটি কার্ড দিয়ে ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। শুধুমাত্র বৈধ ভিসা যাচাই এবং মেডিক্যাল, কিংবা লাশ ফেরানো ও বীমা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য বিএমইটির জাস্টিফিকেশন থাকে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ টিটিসি (টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার)গুলার সার্টিফিকেশন রিয়েল-টাইম এপিআই ভেরিফিকেশনও করা যায়। যেহেতু হেলথ করানো হয় বিদেশি এমব্যাসিগুলোর ট্রাস্টেড পার্টনার থেকে, তাই এসব ক্ষেত্রে ডকুমেন্ট অনলাইন এপিআই দিয়ে যাচাই করা সহজ হবার কথা।

কিন্তু বাংলাদেশে বিএমইটি ভিসার বৈধতা, দক্ষতার সনদ, পাবলিক পরীক্ষার সার্টিফিকেট কিংবা মেডিক্যাল সনদ ইত্যাদির রিয়েল-টাইম ডেটাবেজ সাপেক্ষে যাচাই করতে পারে না। ফলে এখানে জাল ডকুমেন্টের ছড়াছড়ি। এমতাবস্থায় বিএমইটি থাকার যৌক্তিকতা কোথায়? বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি করা আর ম্যানপাওয়ার ব্যবসার নামে দালাল পোষার জন্য?

বাংলাদেশ ভারত-নেপালের প্রবাসী শ্রমিক ম্যানেজমেন্ট থেকে শিক্ষা নিতে পারে। ভারতের মডেলটিই সবচেয়ে শিক্ষণীয়, এবং কারণটি ফি নয় বরং সেবার পরিধি। ভারতে ছাড়পত্র লাগে কেবল তাঁদের, যাঁদের পাসপোর্টে ECR সিল আছে, অর্থাৎ যাঁরা দশম শ্রেণি পাস করেননি।

মাধ্যমিক পাস করলেই ECNR ক্যাটাগরি, কোনো ছাড়পত্র লাগে না। এবং ছাড়পত্র লাগলেও তা কেবল নির্দিষ্ট ১৮টি দেশের জন্য। পুরো প্রক্রিয়া( emigrate ডট gove ডট in) এ অনলাইন, ফি ₹২০০, আবেদনের দিনই POE ছাড়পত্র দেন। অনলাইনে এবং হয়রানি ছাড়া।

অর্থাৎ ভারত প্রবাসী সেবা অনলাইন ও পলিসিভিত্তিক সহজ ও উন্মুক্ত করে সংস্থার আওতা সংকুচিত করেছে। শিক্ষার একটি ন্যূনতম মান পার হলেই রাষ্ট্র ধরে নিচ্ছে, নাগরিক নিজের সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। বাস্তবে এটা কাজ করছে।

২০১৫ সাল থেকে নেপাল তাদের ‘ফ্রি ভিসা, ফ্রি টিকিট’ নীতি বাস্তবায়ন করেছে, যেখানে সাতটি প্রধান গন্তব্যে ভিসা ও বিমানভাড়া নিয়োগকর্তার দায়। এর ফলে নেপালের প্রবাসী শ্রমিকও বেড়েছে, দালালের দৌরাত্ম্য ও খরচ দুটোই কমেছে।

ভারতে POE / eMigrate (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) এর মাধ্যমে দূতাবাস-সত্যায়িত চুক্তিপত্র এবং নিয়োগকর্তার নিবন্ধন করে থাকে। কেবল ECR পাসপোর্টধারী, কেবল ১৮টি দেশের জন্য ছাড়পত্র লাগে। অদক্ষ শ্রমিক ও নারী শ্রমিকের ক্ষেত্রে ভারতীয় দূতাবাসের সত্যায়ন বাধ্যতামূলক।

ফলে যাচাইয়ের একটি প্রকৃত ভিত্তি থাকে। বাংলাদেশে সেই ভিত্তিটিই দুর্বল, ফলে ছাড়পত্র হয়ে দাঁড়ায় একটি সিল, যাচাই নয়। চাইলে ইমিগ্রেশনের ফোর-ট্র্যাক সফটওয়্যারেও একটি প্রবাসী সাপোর্ট ডেটা ফিল্ড খোলা যায়। এখানে ভিসা-পাসপোর্ট ম্যাপিং ডেটাবেজ, মেডিক্যাল রেকর্ড এবং TTC-র সনদের রিয়েল-টাইম API যাচাই সম্ভব। কোনো নতুন প্রকল্প লাগে না, বিদ্যমান সিস্টেমের ইন্টারঅপারেবিলিটি করলেই হয়।

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অভিবাসন ব্যয় প্রায় সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ-সৌদি আরব, বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ-কাতার, বাংলাদেশ-আরব আমিরাত, বাংলাদেশ-কুয়েত করিডোরে BBS-এর হিসাবে গড় খরচ ৪.১৭ লাখ টাকা, যা তুলতে লাগে ১৭.৬ মাস।

বাস্তবে ঘুষ দালালচক্র এবং এয়ারপোর্ট কমিশনের পরে লাগে ৫ লাখের বেশি। অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকদের অবস্থা ভয়াবহ।
প্রবাসীদের হয়রানিমুক্ত সেবা দিতে, ফালতু সফটওয়্যারের হয়রানিমূলক নিবন্ধন সিস্টেম আমূল সংস্কার করুন। বিএমইটি কার্ডের হয়রানি থেকে প্রবাসীদের মুক্ত করুন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৩৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪০১

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪০১

রাজনীতি

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান। দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও […]

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৫

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান।

দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নেপালের প্রেসিডেন্ট মাওলানা শফীকুর রহমান কাসেমী।

মামুনুল হকের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি মাওলানা শায়খ সালেহ আহমাদ হামিদী এবং জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

দুই দিনের সফর শেষে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আল্লামা মামুনুল হকের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪০১