সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

৬০০ শিক্ষার্থী, ১ শিক্ষক: বন্ধের মুখে সাবেক ছিটমহলের একমাত্র সরকারি স্কুল

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি চারদিকে ভারতের ভূখণ্ডবেষ্টিত সাবেক ছিটমহল দহগ্রাম-আঙ্গোরপোতার একমাত্র মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়’। বর্তমানে চরম শিক্ষক সংকটে মুখথুবড়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান কার্যক্রম। প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থীর পড়ালেখা ও প্রশাসনিক কাজ সবই এখন সামলাতে হচ্ছে মাত্র একজন শিক্ষককে! এই পরিস্থিতির নিরসন ও দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষার্থীরা। ভারতের […]

৬০০ শিক্ষার্থী, ১ শিক্ষক: বন্ধের মুখে সাবেক ছিটমহলের একমাত্র সরকারি স্কুল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮:০৯

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি

চারদিকে ভারতের ভূখণ্ডবেষ্টিত সাবেক ছিটমহল দহগ্রাম-আঙ্গোরপোতার একমাত্র মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়’। বর্তমানে চরম শিক্ষক সংকটে মুখথুবড়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান কার্যক্রম।

প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থীর পড়ালেখা ও প্রশাসনিক কাজ সবই এখন সামলাতে হচ্ছে মাত্র একজন শিক্ষককে! এই পরিস্থিতির নিরসন ও দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষার্থীরা।

ভারতের ভূখণ্ডে ঘেরা এবং বহুল আলোচিত তিনবিঘা করিডোর দিয়ে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত দহগ্রাম ইউনিয়ন। দীর্ঘ বঞ্চনার অবসান শেষে ১৯৭৫ সালে স্থানীয়দের উদ্যোগে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে ২০১৩ সালে তৎকালীন সরকার এটিকে জাতীয়করণ করে।

উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই দুর্গম জনপদের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক শিক্ষার একমাত্র ভরসা এই বিদ্যালয়টি। তবে সরকারি ঘোষণার এতদিন পরও কাটেনি এর সংকটের মেঘ।

সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক ২৫ জন শিক্ষকের পদ থাকার কথা। ২০১৩ সালে জাতীয়করণের সময় মাত্র ৭ জন শিক্ষক সরকারি আওতায় আসেন। পরবর্তীতে ৬ জন শিক্ষক পর্যায়ক্রমে অবসরে গেলে পুরো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব এসে পড়ে একা সহকারী প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলামের কাঁধে।

বর্তমানে তিনিই একাধারে প্রধান শিক্ষক, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক এবং অফিস সহকারী! প্রতিদিন একাধিক শ্রেণির ক্লাস একযোগে চললেও তিনি সর্বোচ্চ ৫টি ক্লাস নিতে পারছেন। ফলে সিংহভাগ শিক্ষার্থী পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

শাহারিয়ার হোসেন, একজন শিক্ষার্থী তিনি বলছিলেন “একসঙ্গে একাধিক শ্রেণির ক্লাস চলে, কিন্তু শিক্ষক মাত্র একজন। তিনি ক্লাস নেবেন না অফিসিয়াল কাজ সামলাবেন? বাধ্য হয়ে আমরা আন্দোলনে নেমেছি।”  

“একজন শিক্ষক দিয়ে পুরো একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কীভাবে চলে? কর্তৃপক্ষের তো কাগজে-কলমে দেখেই বিষয়টি বোঝার কথা। দুর্গম ও অবহেলিত এই জনপদ কি তবে অন্ধকারেই থেকে যাবে?” আজিজুল ইসলাম, স্থানীয় অভিভাবক।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম জানান, “একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে শিক্ষকের চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো নতুন শিক্ষক পদায়ন করা হয়নি। একা পুরো প্রতিষ্ঠান সামলানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।”

যোগাযোগ করা হলে শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুর অঞ্চলের উপপরিচালক রোকসানা বেগম জানান, “নন-ক্যাডার থেকে শিক্ষক পদায়নের চেষ্টা চলছে। আশা করছি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।”

তবে দ্রুত কোনো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নেওয়া হলে সীমান্তে ঘেরা এই অবহেলিত জনপদের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।