বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

২৫% বনের জায়গায় ৪% চরম ঝুঁকির মুখে তিস্তাবাসী

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটে ভৌগোলিক ভঙ্গুরতা, নদীভাঙন এবং ক্রমবর্ধমান খরা মোকাবিলায় বনায়ন বৃদ্ধি এখন আর কেবল কোনো স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ নয় বরং এটি এক বাধ্যতামূলক জাতীয় ও স্থানীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। সরকারি তথ্যানুযায়ী, ১,২৪৭.৩৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই জেলায় ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী প্রায় ১৪ লাখ ২৮ হাজার ৪০৬ জন মানুষের বসবাস। অথচ […]

২৫% বনের জায়গায় ৪% চরম ঝুঁকির মুখে তিস্তাবাসী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ আগস্ট ২০২৬, ২১:১৬

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি

উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটে ভৌগোলিক ভঙ্গুরতা, নদীভাঙন এবং ক্রমবর্ধমান খরা মোকাবিলায় বনায়ন বৃদ্ধি এখন আর কেবল কোনো স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ নয় বরং এটি এক বাধ্যতামূলক জাতীয় ও স্থানীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে।

সরকারি তথ্যানুযায়ী, ১,২৪৭.৩৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই জেলায় ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী প্রায় ১৪ লাখ ২৮ হাজার ৪০৬ জন মানুষের বসবাস। অথচ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী একটি অঞ্চলের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় যেখানে মোট ভূখণ্ডের ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল থাকা আবশ্যক, সেখানে লালমনিরহাটে স্থায়ী সবুজ বনাঞ্চল রয়েছে অত্যন্ত নগণ্য পরিমাণ।

জেলার বুক চিরে প্রবাহিত তিস্তা, ধরলা, সানিয়াজান ও রত্নাইসহ প্রায় ১০টি নদীর সাড়ে ৪শ’ কিলোমিটার জলসীমা এবং ২৮১.৬ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। তবে প্রতি বছর তীব্র নদীভাঙন এবং অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে হাজার হাজার বৃক্ষ বিলীন হচ্ছে। এর বিপরীতে বনায়ন বৃদ্ধির হার অপ্রতুল হওয়ায় জেলায় পরিবেশগত বিপর্যয় স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

জলবায়ু ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিস্তা অববাহিকার অনাবৃষ্টি, ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নামা এবং সাম্প্রতিক সময়ের অতিমাত্রার তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রমাণ করে যে জেলায় গাছপালার ঘনত্ব চাহিদার তুলনায় অন্তত ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ কম।

পরিবেশবিদ ও নদী গবেষণা সংস্থার আঞ্চলিক সমন্বয়ক ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, “লালমনিরহাটের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত সংবেদনশীল। চরাঞ্চল ও সীমান্তে গাছপালার ঘাটতি থাকায় মাটি ক্ষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তামাক চাষের আধিক্যে মাটির জৈব উপাদান নষ্ট হচ্ছে।

এই মুহূর্তে সরকারি ও বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগে অন্তত ৫০ লাখ নতুন গাছ লাগানো এবং সীমান্ত ও নদীবাঁধ বরাবর ‘গ্রিন বেল্ট’ বা সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা বাধ্যতামূলক করা উচিত।”

জেলাটিতে জ্বালানি গ্যাসের সুবিধা না থাকায় ইটের ভাটা, বিভিন্ন চাতাল এবং রান্নার কাজে প্রতিনিয়ত কাঠ জ্বালানো হচ্ছে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে স্থানীয় কৃষি ও সাধারণ মানুষের জীবনে।

সদর উপজেলার গোকণ্ডা ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দা খলিলুর রহমান বলেন, “আগে চৈত্র-বৈশাখ মাসেও গ্রামে গাছের ছায়ায় স্বস্তি পাওয়া যেত। এখন গাছপালা কেটে ফেলার কারণে গরম সহ্য করা যায় না।

তাছাড়া তামাক চাষে কাঠ পোড়াতে গিয়ে গ্রামের বড় বড় গাছগুলো শেষ হয়ে গেছে। এখন আমাদের প্রতিটি পরিবারে যদি বাধ্যতামূলকভাবে ফলজ ও বনজ গাছ লাগানোর নিয়ম না করা হয়, তবে আগামীতে ফসল ফলানোই কঠিন হয়ে পড়বে।”

জলবায়ু বিপর্যয় মোকাবিলা ও সরকারি কর্মসূচির বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা বন কর্মকর্তা ও কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের দায়িত্বশীল প্রতিনিধি জানান, “আমরা কৃষি-বনায়ন (Agroforestry) এবং সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় চলতি বছর চরাঞ্চল, সরকারি রাস্তা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাপক চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছি।

তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে কৃষকদের ফলজ বাগান ও লাভজনক পরিবেশবান্ধব চাষাবাদে সরকারি প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। তবে কেবল সরকারি উদ্যোগে লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়; সাধারণ মানুষকে নিজ নিজ আঙিনা ও ক্ষেতের আইলে গাছ লাগাতে আইনি ও সামাজিক বাধ্যবাধকতা তৈরি করতে হবে।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নদীভাঙন রোধ, সীমান্ত এলাকার পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বাসযোগ্য লালমনিরহাট নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, বেসরকারি সংস্থা এবং সাধারণ নাগরিকদের একযোগে এ ‘সবুজ বিপ্লবে’ অংশ নিতে হবে।

আজ একটি গাছ রোপণ ও রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা তৈরি না করলে আগামী প্রজন্মের জন্য এই জেলা বিরানভূমিতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যাবে।

বিষয়ঃ

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।