সাজেদুল ইসলাম , ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় গত কয়েক মাস ধরে প্রতিনিয়তই রাতের আঁধারে চুরি হচ্ছে বৈদ্যুতিক চার। এতে করে চরম ভোগান্তি সহ আতঙ্কে রয়েছে উপজেলার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না তার চুরির ঘটনা। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সহ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের।
এরমধ্যে ২৭ জুলাই রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার গোবিন্দাসী হাই স্কুল ও বাজার মসজিদের বৈদ্যুতিক লাইনের তার চুরি করেন একটি চোর চক্র। এর ফলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হয় মুসল্লিদের।
এর আগে গত দুইদিন আগে গোবিন্দাসী উচ্চ বিদ্যালয় থেকেও চুরি হয়ে যায় বৈদ্যুতিক তার। বিদ্যালয়টিতে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে বিদ্যুৎ সেবা। এছাড়াও বেশ কিছুদিন আগে রাউৎবাড়ি গ্রামের কোরবান আলি তালুকদার ও কষ্টাপাড়া গ্রামের আব্দুল মজিদ মণ্ডলের বাড়ি থেকে রাতের আঁধার বৈদ্যুতিক তার চুরি হয়ে যায়। এর ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সহ ভোগান্তি পোহাতে হয় তাদের।
বিদ্যুৎ গ্রাহক কোরবানি আলি তালুকদার বলেন- গত দুই মাস আগে আমার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগের প্রায় দুই কয়েল তার চুরি হয়েছিল। এর ফলে আমার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ ছিল এবং আর্থিকভাবে অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। চোর চক্রদেরকে ধরে শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামরা করছি।
গোবিন্দাসী উচ্চ বিদ্যালয় ও বাজার মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব মোঃ শহীদুল ইসলাম বলেন- মাঝেমধ্যেই আমাদের মসজিদ ও আশেপাশের বাড়ি থেকে বিদ্যুৎ লাইনের তার চুরির ঘটনা ঘটে। গত রাতেও আমাদের মসজিদ ও হাই স্কুল থেকে তার চুরি হয়ে গেছে। এর ফলে আমরা অনেকটাই ভোগান্তি ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। চোর চক্রকে ধরতে এলাকাবাসীর পাশাপাশি প্রশাসনের আরো সোচ্চার হতে হবে।
ভূঞাপুর বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কামরুজ্জামান বলেন- আমাদের লাইনম্যান যারা আছেন তারা প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ গ্রাহকদের তার চুরি রোধে গ্রাহকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। আমরা গ্রাহদেরকে বলে দিয়েছি রাতে বেলায় ট্রান্সফর্মার ও বিদ্যুৎ লাইসের আশেপাশে কাউকে ঘুরাঘুরি করতে দেখলে সাথে সাথে আমাদের হটলাইনের ফোন দিলে আমরা প্রশাসনের সাথে নিয়ে ব্যবস্থা নিব। বৈদ্যুতিক তার চুরি বন্ধে গ্রাহকদের প্রধান ভূমিকা রাখতে হবে। গ্রাহক সচেতন হলে তার চুরির ঘটনা অনেকটাই হ্রাস পাবে।