নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে শিশুরা নালায় মাছ ধরতে গিয়ে অবিস্ফোরিত ৬০মি:মি: একটি মর্টারের গোলা পায়। খেলনা মনে করে শিশুরা গোলাটি বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে শিশুটির বাবা আমজাদ আলী বিজিবি’র নিকটস্থ ভবানীপুর বিওপি’র দায়িত্বরত কমান্ডার কে খবর দেন।
ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে বোম্ব ডিসপোজাল দলের সাথে সমন্বয় করে এটি ধ্বংসের জন্য প্রক্রিয়া করছেন। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা ভবানীপুর গ্রামে শিশুরা নালায় মাছ ধরতে গিয়ে এ মর্টারের গোলাটি দেখতে পায়।
শনিবার বিকেলে নেত্রকোনা ৩১ বিজিবি ব্যাটেলিয়ন এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ভবানীপুর বিওপির সীমান্ত পিলার ১১৫৫/১০-এস হতে ৩০০গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভবানীপুর গ্রামের ছোট শিশুরা নালায় মাছ ধরতে গিয়ে কাদা মাটির ভিতরে একটি গোলা দেখতে পায়।
গোলাটি ভবানীপুর গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে নালা থেকে বাড়িতে আনে। পরে আমজাদ বিজিবি ভবানীপুর বিওপি কমান্ডারকে খবর দেয়। বিওপি কমান্ডার টহল দল নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ৬০ মি:মি: মর্টারের একটি অবিস্ফোরিত গোলা পায়।
গোলাটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অবিস্ফোরিত গোলাটি বালির বস্তা দিয়ে ঘিরে রাখেন তারা। বর্তমানে বোম্ব ডিসপোজাল দলের সাথে সমন্বয় করে গোলাটি ধ্বংস করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে। বোম্ব ডিসপোজাল দল পৌঁছে গোলাটি ধ্বংস করা হবে।
ভবানীপুর গ্রামের শিশুটির বাবা আমজাদ আলী জানান, তার ছেলে প্রতিবেশী শিশুদের সাথে বাড়ির পাশে নালায় পানি শুকিয়ে মাছ ধরতে যায়। মাছ ধরার ফাঁকে কাদামাটির মধ্যে মার্টারের গোলাটি পায়। তারা খেলনা ভেবে সবাই মিলে বাড়িতে নিয়ে আসে।
গোলাটি দেখে প্রতিবেশীদের সাথে পরামর্শ করে ভবানীপুর এলাকার বিজেপবি’র কমান্ডার কে তিনি জানান। পরে তারা এসে এটিকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়। এখন এই জায়গাটি বালুভর্তি বস্তা দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।