বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মাটি-বালুখেকোদের ‘শেল্টার’ দেন জামায়াত এমপির পিএস, অডিও ফাঁস

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী আরমান উদ্দিনের বিরুদ্ধে বালু ও মাটিখেকোদের প্রশাসনিক শেল্টার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি কলরেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর তা মুহূর্তেই স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। কথোপকথনের একপ্রান্তে ছিলেন চট্টগ্রাম-১৫ আসনের এমপি ও জামায়াত নেতা শাহাজাহান চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী আরমান উদ্দিন অপরজন লোহাগাড়ার উপজেলার লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের রশিদের […]

মাটি-বালুখেকোদের ‘শেল্টার’ দেন জামায়াত এমপির পিএস, অডিও ফাঁস

মাটি-বালুখেকোদের ‘শেল্টার’ দেন জামায়াত এমপির পিএস, অডিও ফাঁস

ডেস্ক রিপোর্ট

২০ জুন ২০২৬, ১০:৩২

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী আরমান উদ্দিনের বিরুদ্ধে বালু ও মাটিখেকোদের প্রশাসনিক শেল্টার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ সংক্রান্ত একটি কলরেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর তা মুহূর্তেই স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। কথোপকথনের একপ্রান্তে ছিলেন চট্টগ্রাম-১৫ আসনের এমপি ও জামায়াত নেতা শাহাজাহান চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী আরমান উদ্দিন অপরজন লোহাগাড়ার উপজেলার লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের রশিদের পাড়া আব্দুল আলমের ছেলে তারিকুল হক।

কথোপকথনের একপর্যায়ে পিএস আরমানকে বলতে শোনা যায়, ‘সার্কেলকে (সাতকানিয়া লোহাগাড়া পুলিশের সার্কেল অফিসার) টাকা দিছিলাম মাত্র একবার। আপনারা আমাকে টাকা দিছেন কত তা হিসেবে করে দেখেন না। আপনাদের কাছে তো হিসাব আছে। মোটামুটি এখন ইউএনওর সাথে পজিটিভলি সেটেলমেন্ট হয়েছে।’

মাটি-বালুখেকোদের ‘শেল্টার’ দেন জামায়াত এমপির পিএস, অডিও ফাঁস
তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই
অপরদিকে তারিকুলকে বলতে শোনা যায়, ‘বাদশা খালেদের মতো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে থেকে যাব?’ এমপি আসলে আগে এমপির পায়ে একটা দিব। মেরে বলব যে… এমপিকে বলতে হবে, এখানে কেন এলো সেটা। এখানে এমপি হচ্ছেন আরমান সাহেব (শাহাজাহান চৌধুরীর পিএস আরমান)। কেন আসবে এমপি এখানে? এমপিকে লোহাগাড়ায় আসতে নিষেধ করবেন। আমরা চিনি এমপি আরমান সাহেব।’

এ বিষয়ে জানতে তারিকুল হকের মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

লোহাগাড়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সাব্বির আহমদ কালবেলাকে জানান, বর্তমানে উপজেলায় ৩ জন বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি কার্যকর আছে, সেখানে তারিকুল হক নামে কেউ নেই। লোহাগাড়া উপজেলার অধীনস্থ ইউনিয়নগুলোয়ও কোনো যুবদলের কমিটি নেই। সুতরাং তারিকুল হক নামে কেউ যুবদলে আছে কিনা আমার জানা নেই।

এ বিষয়ে জানতে জামায়াত এমপি শাহাজাহান চৌধুরীর পিএস আরমান উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। পরে তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বার্তা পাঠানো হলে সেখানেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

লোহাগাড়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আ.ন.ম নোমান জানান, এই অডিওটি শুনেছেন এবং এ বিষয়ে সংগঠনের ওপর মহলকে অবহিত করেছেন। সিদ্ধান্ত ওপর মহল থেকে জানাবেন। যেহেতু জামায়াতের এমপি শাহাজাহান চৌধুরীর পিএস হিসেবে সে দায়িত্ব পালন করে আসছেন সেহেতু তার এই ধরনের কার্যকলাপে তারাও বিব্রত। তিনি এজন্য দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি মনে করেন, যেহেতু অডিও ক্লিপে প্রশাসনের সাথে লেনদেনের মতো স্পর্শকাতর বিষয় উঠে এসেছে তাই ইউএনও, সার্কেল অফিসার এবং থানার ওসিকে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বিবৃতি দিয়ে জাতির কাছে বিষয়টি পরিষ্কার করা দরকার।

সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত এসপি আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, ভাইরাল অডিও ক্লিপের বিষয়ে জেনেছি। তবে এটির সত্যতা নিশ্চিতের জন্য আমরা কাজ করছি, পাশাপাশি তদন্ত করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ক্লিপের একটি অংশে সার্কেল অফিসারের টাকা পয়সা লেনদেনের বিষয় উঠে আসে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। এবং উল্টো পিএস আরমানের অবৈধ তদবিরের বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য আছে বলেও জানান তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বায়েজীদ-বিন-আখন্দকে একাধিক ফোন করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী অডিও ক্লিপের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অডিও ক্লিপে আমাকে গুলি করার হুমকি দিয়েছেন একজন। আমি এসব হুমকি ভয় পায় না। মাটি, বালু খেকোদের বিরুদ্ধে আমার জিরো টলারেন্স অবস্থান। আরমানসহ সবাইকে বলে দিয়েছি- যেন এ বিষয়ে চুপ থাকে।

অডিও ক্লিপে পিএস আরমানকে বলতে শোনা যায়, বালু কাটার বিষয়ে ইউএনওর সঙ্গে একপ্রকার পজিটিভ সেটেলমেন্ট হয়েছে, আরেক অংশে তিনি বলেন, সার্কেলকে মাত্র একবার টাকা দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে শাহাজাহান চৌধুরী বলেন, আরমানের যদি এসব অপকর্মে জড়িত থাকার বিষয়ে প্রমাণিত হয় তাহলে তাকে আমার সঙ্গে রাখবই না।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।