শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

অসহায় মনোয়ারা বেগমকে ঘর উপহার দিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : জীবনের অধিকাংশ সময়ই অভাব-অনটন, স্বামী ও সন্তান হারানো শোক বুকে নিয়েই কাটিয়েছেন মনোয়ারা বেগম। একমাত্র ছেলের মৃত্যু, অসুস্থ স্বামীকে সুস্থ করার লড়াই, দারিদ্র্যতা আর প্রাকৃতিক দুর্যোগ—সব মিলিয়ে যেন জীবনের প্রতিটি ধাপে তাকে লড়াইয়ের মধ্যেই থাকতে হয়েছে। তবুও দেখা দেয় নি সুখ নামের মরীচিকা।  সেই মনোয়ারা বেগম নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন গ্রামের মৃত আব্দুর […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ মে ২০২৬, ২১:১৫

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

জীবনের অধিকাংশ সময়ই অভাব-অনটন, স্বামী ও সন্তান হারানো শোক বুকে নিয়েই কাটিয়েছেন মনোয়ারা বেগম। একমাত্র ছেলের মৃত্যু, অসুস্থ স্বামীকে সুস্থ করার লড়াই, দারিদ্র্যতা আর প্রাকৃতিক দুর্যোগ—সব মিলিয়ে যেন জীবনের প্রতিটি ধাপে তাকে লড়াইয়ের মধ্যেই থাকতে হয়েছে। তবুও দেখা দেয় নি সুখ নামের মরীচিকা। 

সেই মনোয়ারা বেগম নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী। 

চলতি বছর মনোয়ারা বেগমের মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও যখন কালবৈশাখী ঝড়ে ভেঙে পড়ে, তখন মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। আজ মঙ্গলবার সকালে তার উপহারে নির্মিত নতুন টিনের ঘরে উঠেছেন আশ্রয়হীন এই নারী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনোয়ারা বেগমের স্বামী আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। তাঁর চিকিৎসা করতে নিজেদের সামান্য জমিজমাও বিক্রি করে দেন তিনি। কিন্তু সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত স্বামীকে বাঁচাতে পারেননি।

এর কিছুদিন পর সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান তার একমাত্র ছেলে আলিফ মিয়া। স্বামী-সন্তান হারিয়ে তখন পুরোপুরি অসহায় হয়ে পড়েন মনোয়ারা। 

অভাবের তাড়নায় অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনোভাবে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকেন মনোয়ারা বেগম। দারিদ্রতার মধ্যেই প্রতিবেশীদের সহায়তায় তিন মেয়েকে বিয়ে দেন। তবে মেয়েদের সংসারও স্বচ্ছল নয়।

ফলে স্বামীর রেখে যাওয়া ছোট্ট একটি টিনের ঘরই ছিল তার একমাত্র আশ্রয়। সম্প্রতি কালবৈশাখী ঝড়ে সেই ঘরটিও বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। খোলা আকাশের নিচে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে শুরু করেন তিনি।

এরমধ্যে স্থানীয় একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর মনোয়ারা বেগমের ঘরটি ঝড়ে ভেঙে যাওয়ার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তলে ধরেন। এটি দেখে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত তহবিলের টাকা দিয়ে ঘর নির্মাণ করে দেন। 

কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুর রশিদ বলেন, “মনোয়ারা বেগমের ঘরটি ঝড়ে ভেঙে যাওয়ার দৃশ্য দেখে খুব খারাপ লেগেছিল। এ নিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহযোগিতার আবেদন জানাই।

ভিডিওটি নজরে আসে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের। পরে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে বৃদ্ধাকে ঘর করে দেন। দীর্ঘদিন পর তিনি নিরাপদ একটি আশ্রয় পেলেন।

মনোয়ারা বেগম আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, জামাইরে (স্বামী) বাঁচাইতে ফসলী জমি বেইচ্চে (বিক্রি) দিছি। জামাই মরার শোক শেষ অইলনা এরমধ্যে ছেড়াডাও (ছেলে) মইরা গেছে। মাইনষের বাড়িত কাম কইরে দিন চলত।

তুফান (ঝড়) যহন আমার থাহার ঘরডাও ভাইঙা ফালছে, তহন মনে হইছিন খোদাও আমার থাইক্কা মুখ হিরায়া নিছে। খোলা আসমানের নিচে কষ্টে আছিলাম। আজ নতুন ঘরে উঠ্ঠে মনে অইছে আর কয়ডা দিন নয়া কইরা বাঁচাম।

ডেপুটি স্পিকার কায়সার সাব আমার মতো দুঃখী মানুষের কথা ভাইব্বে ঘর কইরা দিছে। আমি তার লাইগা দোয়া করি, আল্লাহ যাতে তারে ভালা (সুস্থ) রাহে।  

এ বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, আমাদের সমাজে এখনও অনেক মানুষ আছেন, যারা নীরবে কষ্ট সহ্য করে জীবনযাপন করেন। মনোয়ারা বেগমের বিষয়টি জানতে পেরে আমি খুবই মর্মাহত হয়েছি।

একজন মানুষ জীবনে এত প্রতিকূলতার মধ্যেও লড়াই করে টিকে আছেন।এটা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী। একজন স্বাবলম্বী মানুষ হিসেবে মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমি বিশ্বাস করি, সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষ এগিয়ে এলে অনেক অসহায় মানুষ নতুন করে বাঁচার সুযোগ পাবে।

মনোয়ারা বেগমের জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করতে পেরে আমি মানবিক তৃপ্তি অনুভব করছি। ভবিষ্যতেও এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।