নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈর মধ্যমপাড়া থেকে গাড়িশাপাড়া, খোয়ারপাড়া, তারাসিপাড়া ও বামকোলা এলাকা পর্যন্ত সড়কে এখন কাদা আর ধুলার দাপট। পুকুর খননের মাটি ট্রাক ও ট্রলিতে করে বিভিন্ন ইটভাটায় নেওয়ার সময় রাস্তায় কাদা পড়ে সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। গত রাতের বৃষ্টির পর শনিবার সকালে পিচ্ছিল সড়কে অন্তত তিনটি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার বাদশার ইটভাটা, আলমগীর ইটভাটাসহ অন্তত চার থেকে পাঁচটি ইটভাটায় প্রতিদিন পুকুর খননের মাটি সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব মাটি বহনকারী যানবাহন চলাচলের সময় পাকা সড়কের ওপর কাদা ছড়িয়ে পড়ছে। এতে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যাচ্ছে।
শনিবার সকালে বিভিন্ন স্থানে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিনই কেউ না কেউ দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও সাধারণ পথচারীরা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভারী যানবাহন চলাচল ও কাদা জমে থাকার কারণে সড়কের কার্পেটিং উঠে গেছে। বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে খানাখন্দ। অথচ বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ভাটা মালিকরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না। অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার মেলে না। ফলে ভাটা মালিকদের কাছে এলাকাবাসী অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছেন।
দ্রুত সড়ক পরিষ্কার, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা সংস্কার এবং নিয়ন্ত্রণহীনভাবে মাটি বহন বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।টনা