রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

তিমুর-লেস্তে ভিসা ছাড়াই যাওয়া যাবে

ভিসা ছাড়াই তিমুর-লেস্তে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা। কূটনৈতিক, অফিসিয়াল বা সার্ভিস পাসপোর্টধারীরা ভিসা থেকে অব্যাহতি পেতে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের উদ্যোগের এই বিষয়টি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আন্তঃদেশীয় সম্পর্ককে অধিক ফলপ্রসূ করার […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ জানুয়ারী ২০২৫, ১৯:৫৯

ভিসা ছাড়াই তিমুর-লেস্তে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা। কূটনৈতিক, অফিসিয়াল বা সার্ভিস পাসপোর্টধারীরা ভিসা থেকে অব্যাহতি পেতে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের উদ্যোগের এই বিষয়টি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আন্তঃদেশীয় সম্পর্ককে অধিক ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সম্পাদন করা হয়ে থাকে। এ পর্যন্ত ২৯টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিবদ্ধ দেশসমূহের মধ্যে এশিয়ার ২১টি, ইউরোপের ৪টি, আফ্রিকার ১টি এবং আমেরিকার ৩টি দেশ রয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ও তিমুর-লেস্তের মধ্যে কূটনৈতিক, অফিসিয়াল/সার্ভিস পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি চুক্তি তিমুর-লেস্তের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সফরকালে উভয় দেশের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে গত ১৫ ডিসেম্বর ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটি কার্যকর হলে উভয় দেশের কূটনৈতিক, অফিসিয়াল/সার্ভিস পাসপোর্টধারী নাগরিকগণ চুক্তিবদ্ধ অপর পক্ষের ভূ-খণ্ডে প্রবেশ, ট্রানজিট, অবস্থান এবং বহির্গমনের ক্ষেত্রে প্রবেশের তারিখ হতে অনধিক ৩০ দিনের জন্য ভিসার আবশ্যকতা হতে অব্যাহতি পাবেন। এই চুক্তিটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বলবৎ থাকবে, তবে নোটিশ প্রদানের ৩০ দিনের মধ্যে যেকোনো পক্ষ চুক্তির অবসান ঘটাতে পারবে।

এর ফলে বাংলাদেশ ও তিমুর-লেস্তের মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, শ্রম বাজার সম্প্রসারণ ও পারস্পরিক সম্পর্ককে অধিক জোরদার করার জন্য ভ্রমণ প্রক্রিয়া সহজতর হবে বলে জানানো হয়।

বানিজ্য

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ৪০১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। চলতি বছরের ১ থেকে ৯ মে […]

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

রেমিট্যান্স প্রবাহে গতি, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৪ বিলিয়ন ডলার

নিউজ ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ১০:৫৭

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ সময়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ৪০১ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

চলতি বছরের ১ থেকে ৯ মে পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১ দশমিক ০২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৬৪ মিলিয়ন ডলার। এতে মাসভিত্তিক প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ১ শতাংশ।

এ ছাড়া শুধু ৭ থেকে ৯ মে—এই তিন দিনে দেশে এসেছে ২৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার সহজীকরণ এবং প্রবাসীদের আস্থা বাড়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে।

জাতীয়

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা […]

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

১১ জুন ২০২৬, ১০:০২

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাও অনেক বেশি। সেই প্রত্যাশা, চিন্তা-ভাবনা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দেশের অর্থনীতির আগামী এক বছরের রূপরেখা তুলে ধরতে বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে, তার মধ্যেই বাজেট করতে হয়েছে। একটি বিধ্বস্ত ও ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে গিয়ে আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি প্রচেষ্টা এই বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশের সব নাগরিককে এর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জাতীয় ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সবাই যাতে অংশ নিতে পারে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই বাজেট বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।