সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

পাকিস্তানী জাহাজে এবার যা যা এসেছে বাংলাদেশে

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) ভিড়েছে পাকিস্তান থেকে আসা আলোচিত জাহাজ ‘এমভি ইউয়ান জিয়ান ফা ঝং’। রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে জাহাজটি ৮১১টি (২০ ফুট দৈর্ঘ্যের একক) কনটেইনার নিয়ে বন্দরে পৌঁছায়। এর আগে বেলা ২টার দিকে জাহাজটিকে চট্টগ্রামে বোট ক্লাবের পাশে দিয়ে বন্দরে দিকে যেতে দেখা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে শিপিং […]

নিউজ ডেস্ক

২২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৬:৩৭

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) ভিড়েছে পাকিস্তান থেকে আসা আলোচিত জাহাজ ‘এমভি ইউয়ান জিয়ান ফা ঝং’।

রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে জাহাজটি ৮১১টি (২০ ফুট দৈর্ঘ্যের একক) কনটেইনার নিয়ে বন্দরে পৌঁছায়।

এর আগে বেলা ২টার দিকে জাহাজটিকে চট্টগ্রামে বোট ক্লাবের পাশে দিয়ে বন্দরে দিকে যেতে দেখা যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে শিপিং এজেন্ট কর্ণফুলী লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান রিজেন্সি লাইনস লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক আনিস উদ দৌলা।

তিনি বলেন, জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্তান থেকে ৮১১টি কনটেইনার নিয়ে এসেছে। এর মধ্যে ৮৬ শতাংশ পণ্য পাকিস্তান থেকে এবং বাকি ১৪ শতাংশ সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ১১৩টি কনটেইনার নিয়ে করাচি যায় জাহাজটি। পরে করাচি থেকে আরও ৬৯৮টি কনটেইনার বোঝাই করে চট্টগ্রামে আসে।

তিনি আরও জানান, প্রথমবারের তুলনায় এবার জাহাজটি কম সময়ে দ্বিগুণ কনটেইনার এনেছে। এতে ব্যবসায়ীদের খরচও সাশ্রয় হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের মুখপাত্র ও উপ-কমিশনার সাইদুল ইসলাম জানান, আইজিএমের (ইমপোর্ট জেনারেল ম্যানিফেস্ট) ঘোষণা অনুযায়ী, জাহাজটিতে সবচেয়ে বেশি এসেছে পরিশোধিত চিনি। এর মধ্যে ২৮৫ কনটেইনারে রয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ২০০ ব্যাগ চিনি, যার ওজন প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টন।

এছাড়া অন্যান্য পণ্যের মধ্যে রয়েছে, ১৭১ কনটেইনার ডলোমাইট (গ্লাস তৈরির কাঁচামাল), ১৩৮ কনটেইনার সোডা অ্যাশ (সিমেন্টের কাঁচামাল), ৪৬ কনটেইনার কাপড়ের রোল, ১৮ কনটেইনার আলু এবং ২০ কনটেইনার আখের গুড়।

এমভি ইউয়ান জিয়ান ফা ঝং জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং পাকিস্তান থেকে আমদানি পণ্য দ্রুত সময়ে পৌঁছে দিয়ে ব্যবসায়িক খরচ কমিয়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলেও জানান তিনি।

জাতীয়

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা […]

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

১১ জুন ২০২৬, ১০:০২

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাও অনেক বেশি। সেই প্রত্যাশা, চিন্তা-ভাবনা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দেশের অর্থনীতির আগামী এক বছরের রূপরেখা তুলে ধরতে বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে, তার মধ্যেই বাজেট করতে হয়েছে। একটি বিধ্বস্ত ও ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে গিয়ে আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি প্রচেষ্টা এই বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশের সব নাগরিককে এর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জাতীয় ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সবাই যাতে অংশ নিতে পারে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই বাজেট বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।

বানিজ্য

চুপ্পুর বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ঋণের নামে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও এস আলমসহ মোট ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। সোমবার দুপুরে দুদকের কার্যালয়ে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট […]

চুপ্পুর বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ আগস্ট ২০২৬, ১৬:১৮

ঋণের নামে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও এস আলমসহ মোট ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।

সোমবার দুপুরে দুদকের কার্যালয়ে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’ নামের একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরবর্তীতে সেই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

অ্যাননটেক্স গ্রুপের ইউনুস বাদলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেডের অনুকূলে অবৈধভাবে ঋণ বরাদ্দ পাইয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন ব্যবসায়ী এস আলম।

আর তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন, ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া ও মাহবুব উল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনৈতিক কাজের অনুমোদন দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ৪টি অডিট ফার্মের মাধ্যমে ঘটনার তদন্ত করে এসব অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছে বলেও দুদকে পাঠানো অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।