মেহেদী হাসান, (যবিপ্রবি প্রতিনিধি) :
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও ইসকনকে নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ-মিছিল করেছে যবিপ্রবির ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
এসময় তারা উগ্রবাদী সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনশাসনেস (ইসকন) কে নিষিদ্ধ ,ইসলাম নিয়ে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সরাসরি অ্যাকশন এনং স্বৈরাচারের চিহ্ন মুছে ফেলাসহ বিভিন্ন দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর জুমার নামাজের পর মসজিদের সামন থেকে মিছিল ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একাডেমিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ”সম্প্রীতির বাংলায় হিংসার ঠাঁই নাই” ‘আমার ভাই মরলো কেনো প্রশাসন জবাব চাই” ইসলামের শত্রুরা হুশিয়ার সাবধান ‘উগ্রবাদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার’ ”দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘একশ্যান টু একশ্যান, ডাইরেক্ট একশ্যান’, ‘আবু সাইদ মুগ্ধ,শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
স্লোগান শেষে বক্তব্যে রাখেন সিনিয়র শিক্ষার্থী মহাদী মর্তুজা।তিনি বলেন ইতিপূর্বের ইতিহাসেও দেখা গেছে ভারত থেকে বাংলাদেশের উপর বিভিন্ন ধরণের যড়যন্ত্রের মাধ্যমে আমাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে যা আমাদের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরুপ।এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন এদেশের জনগণ ভারতের ষড়যন্ত্র কখনো মেনে নিবে না এবং সকলেই মিলে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
এছাড়া যবিপ্রবি ঝিনাইদহ ক্যাম্পাস কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মুফতি মনিরুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, ‘ইসকন একটি জঙ্গি সংগঠন। এরা দিনে দুপুরে মানুষ খুন করতে দ্বিধা করে না। আইন তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে অতিদ্রুত ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম নগরীর নিউ মার্কেট মোড়ের স্বাধীনতা স্তম্ভে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে হওয়া মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় চিন্ময় দাসকে। ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে গতকাল (মঙ্গলবার) চিন্ময় কৃষ্ণর জন্য জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী। আদালত শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এ সময় হামলায় ওই আইনজীবী নিহত হন।