রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আমার ছেলের কী দোষ ছিল? প্রশ্ন অলিফের মায়ের

সন্তান আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হারিয়ে বাবা জামাল উদ্দীন ও মা হোসনে আরাও হয়ে পড়েছেন দিশেহারা। অনাগত সন্তানের মুখ না দেখে পৃথিবী থেকে আলিফকে বিদায় নিতে হবে, এটি কল্পনাও করেননি কেউ। তিন বছরের তাসকিয়া। আইনজীবী সাইফুল ইসলামের। দুদিন ধরে সে বাবাকে দেখছে না। তার চোখে যেন রাজ্যের জিজ্ঞাসা। বাড়িতে মানুষের ভিড় দেখে ড্যাবড্যাব করে তাকায়। […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ নভেম্বর ২০২৪, ১১:৩৯

সন্তান আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হারিয়ে বাবা জামাল উদ্দীন ও মা হোসনে আরাও হয়ে পড়েছেন দিশেহারা। অনাগত সন্তানের মুখ না দেখে পৃথিবী থেকে আলিফকে বিদায় নিতে হবে, এটি কল্পনাও করেননি কেউ। তিন বছরের তাসকিয়া। আইনজীবী সাইফুল ইসলামের। দুদিন ধরে সে বাবাকে দেখছে না। তার চোখে যেন রাজ্যের জিজ্ঞাসা। বাড়িতে মানুষের ভিড় দেখে ড্যাবড্যাব করে তাকায়। খুঁজে বেড়ায় বাবার মুখ।

চট্টগ্রামে মঙ্গলবার বিকালে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হন আলিফ। তাকে প্রথমে লাঠি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। ভেঙে ফেলা হয় তার মাথার খুলি ও একটি পা। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাকে উপর্যুপরি কোপ দেয় পিঠে ও ঘাড়ে। এ ঘটনায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে তাকে হত্যার সময় কাছের একটি ভবন থেকে এক তরুণীর বুকফাটা আর্তনাদ শোনা যায়।

কিন্তু উন্মত্ত ঘাতকদের ভয়ে আলিফকে বাঁচাতে এগিয়ে যাওয়ার সাহস করেনি কেউ। এদিকে স্বামীকে হারিয়ে পাগলপ্রায় চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ইসরাত জাহান তারিন। সাত ভাইবোনের মধ্যে আইনজীবী আলিফ ছিলেন চতুর্থ। সন্তানকে হারিয়ে বাবা জামাল উদ্দীন ও মা হোসনে আরাও হয়ে পড়েছেন দিশেহারা। অনাগত সন্তানের মুখ না দেখে পৃথিবী থেকে আলিফকে বিদায় নিতে হবে, এটি কল্পনাও করেননি কেউ।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, মেথর পট্টির ভেতর সড়কের ওপরে আলিফকে মারধর করছে ঘাতকরা। এ সময় মাথায় হেলমেট ও কমলা রঙের গেঞ্জি পরা এক যুবককে কোপাতে দেখা যায়। বাকিরা আঘাত করছে লাঠি ও ইট দিয়ে। পরে সড়কের এক পাশে সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরিহিত আলিফের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

অ্যাডভোকেট আলিফের সঙ্গে একই চেম্বারে প্র্যাকটিস করা অ্যাডভোকেট রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষ আলিফকে মেথর পট্টি থেকে উদ্ধার করে মেইন রোডে নিয়ে এলে আইনজীবীরা দেখতে পান। পরে তাকে চমেক হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আলিফের লাশ গ্রামের বাড়ি নেওয়া হয় বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টায়। সেনাবাহিনী ও পুলিশ পাহারায় লাশ উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ফারাঙ্গা পশ্চিম কূল হযরত আব্দুল লতিফ শাহ (রা.) মাজার মাঠে রাখা হয়। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। নেমে আসে শোকের ছায়া। আসরের নামাজের পরপরই তার নামজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

বুধবার সন্ধ্যার পর নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তার গ্রামের বাড়িতে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং নাগরিক কমিটির সদস্য ও জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম। তারা নিহতের পরিবারকে সান্ত্বনা দেন এবং আলিফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবেন বলে আশ্বাস্ত করেন।

আলিফের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বুক চাপড়ে কাঁদছেন তার মা হোসনে আরা বেগম। নীরবে অশ্রু ঝরাচ্ছেন বাবা জামাল উদ্দিন। স্ত্রী ইসরাত জাহান তারিন কাঁদতে কাঁদতে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার কোনো ভাষা ছিল কারও। হোসনে আরা বলেন, অনাগত সন্তানের মুখ দেখতে পেল না আমার ছেলে। তার কী দোষ ছিল? তিনি আল্লাহর কাছে ছেলে হত্যার বিচার চান।

আলিফের আড়াই বছর বয়সি সন্তান বাড়িতে এত মানুষ জমায়েত হওয়ার কারণ খুঁজে পাচ্ছে না। এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করছে। তাসকিয়া বুঝতে পারছে না তার বাবা আর নেই। আর কোনোদিন তাকে বুকে জড়িয়ে চুমু খাবে না। নিষ্পাপ শিশু তাসকিয়ার মুখের দিকে তাকিয়ে অনেককেই দেখা গেছে অশ্রু লুকাতে।

সাইফুলের বড় ভাই জানে আলম বলেন, ভাইয়ের পরিবারকে কীভাবে সান্ত্বনা দেব, তার পরিবার চলবে কীভাবে বলেই হু হু করে কেঁদে ওঠেন তিনি। অ্যাডভোকেট আরফাতুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আলিফ আমার জুনিয়র ছিল। কিন্তু আমরা একসঙ্গে আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত হই। এমন মৃত্যু মেনে নেওয়ার মতো না। একজন তরুণ আইনজীবীর জানাজায় বিপুলসংখ্যক মানুষের জমায়েত বলে দেয় সে কতটা প্রিয় ছিল।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, আইনজীবী আলিফের শরীরে দুটি কোপের আঘাত রয়েছে। ভারী বস্তুর আঘাতে তার মাথার খুলি ভেঙে গেছে। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।