মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের ৩২তম বিবাহবার্ষিকী আজ

আজ ৩ ফেব্রুয়ারি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমানের বিবাহবার্ষিকী। ১৯৯৪ সালের এই দিনে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সময়ের পরিক্রমায় নানা সংগ্রাম ও চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ তাদের দাম্পত্য জীবনের ৩২ বছর পূর্ণ হলো। ডা. জুবাইদা রহমানের পৈতৃক বাড়ি সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে। তার জন্ম ১৯৭২ […]

তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের ৩২তম বিবাহবার্ষিকী আজ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:২৬

আজ ৩ ফেব্রুয়ারি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমানের বিবাহবার্ষিকী। ১৯৯৪ সালের এই দিনে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সময়ের পরিক্রমায় নানা সংগ্রাম ও চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ তাদের দাম্পত্য জীবনের ৩২ বছর পূর্ণ হলো।

ডা. জুবাইদা রহমানের পৈতৃক বাড়ি সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে। তার জন্ম ১৯৭২ সালের ১৮ জুন। তিনি সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ও ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কন্যা।

পারিবারিকভাবে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীর ভাতিজি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আইরিন খানের চাচাতো বোন।

রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও ডা. জুবাইদা রহমান নিজেকে একজন ‘মেরিটোক্র্যাট’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতার বড় কারণ তার উচ্চশিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা এবং একজন সফল চিকিৎসক হিসেবে গড়ে ওঠা ব্যক্তিগত ইমেজ। এসব কারণেই তিনি রাজনীতির বাইরেও স্বতন্ত্র পরিচিতি অর্জন করেছেন।

তার পিতা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বাংলাদেশের নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকারে তিনি যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী ছিলেন।

ডা. জুবাইদা রহমান ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। কে-৪৭ (K-47) ব্যাচের শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি ১৯৯৫ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। একই বছর ২১তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন, যা তার মেধা ও অধ্যবসায়ের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

২০০৮ সালে তারেক রহমানের চিকিৎসার প্রয়োজনে তিনি লন্ডনে যান। সেখানে অবস্থানকালে নিজের উচ্চশিক্ষা অব্যাহত রেখে ২০০৯–১০ শিক্ষাবর্ষে বিশ্বের খ্যাতনামা ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনে কার্ডিওভাসকুলার সায়েন্সে ভর্তি হন এবং ২০১১ সালে এমএসসি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনের জন্য তিনি মর্যাদাপূর্ণ স্বর্ণপদকে ভূষিত হন।

হৃদরোগ বিষয়ে তার গবেষণা ও একাডেমিক কাজ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসিত হয়েছে। লন্ডনের চিকিৎসা মহলেও তার পেশাগত পরিচিতি সুদৃঢ় ও সম্মানজনক।

সম্প্রতি তিনি বিভিন্ন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও দাতব্য চিকিৎসালয় পরিদর্শনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তারেক রহমান প্রতিষ্ঠিত ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে পরিচালিত স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে তিনি বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতা হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের পর দীর্ঘদিন সরকারি চাকরিতে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার তার স্বাস্থ্য ক্যাডার পদ বাতিল করে। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই আদেশ পুনর্বিবেচনার প্রক্রিয়া চলছে এবং তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের আইনি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর ২০২৫ সালের মে মাসে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশে ফেরার পর থেকেই তিনি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পাশে থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে সহায়তা করছেন। চিকিৎসক পেশার পাশাপাশি তার এই সক্রিয় অংশগ্রহণ রাজনীতিতে তার ভবিষ্যৎ ভূমিকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

উল্লেখযোগ্য যে, তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত ও সম্ভাবনাময় তরুণ মুখ হিসেবে ইতোমধ্যেই পরিচিতি অর্জন করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৭৮

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৪
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৭৮

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৪