শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মীর শাহে আলমের তথ্য গোপনের অভিযোগ

রবিউল ইসলাম শিবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মীর শাহে আলমের দাখিলকৃত হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ এর সুস্পষ্ট বিধান লঙ্ঘন করে তিনি একাধিক সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত লাভজনক পদে বহাল থেকেও নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছেন বলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট সোমবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক […]

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মীর শাহে আলমের তথ্য গোপনের অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:০২

রবিউল ইসলাম শিবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মীর শাহে আলমের দাখিলকৃত হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ এর সুস্পষ্ট বিধান লঙ্ঘন করে তিনি একাধিক সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত লাভজনক পদে বহাল থেকেও নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছেন বলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট সোমবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বগুড়া শহর জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আলমগীর হোসাইন।

আলমগীর হোসাইন অভিযোগে উল্লেখ করেন, “মীর শাহে আলম তথ্য গোপন করে প্রার্থী হয়েছেন। তার তথ্য গোপনের বিষয়টি আমলে না নিয়ে তার মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষনা করা হয়েছে।

মীর শাহে আলম বিসিক নামক একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালক পদে এখন অবধি নিয়োজিত আছেন। বিসিকের পরিচালক পদ হতে ইস্তফা না দিয়ে মিথ্যা ঘোষনা প্রদান করেছেন। অর্থাৎ তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য গোপন করে নিয়ম ভংগ করে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনে অংশ গ্রহণের সুযোগ লাভ করেছেন।

বিসিকের পরিচালক পদ হতে ইস্তফা দেয়ার বিষয়ে শিল্প সচিব, বিসিক চেয়ারম্যান এবং বিসিকের পরিচালক প্রশাসন তাদের মতামত ব্যক্ত করতে গিয়ে জানান যে- মীর শাহে আলমের ইস্তফা প্রদান বিষয়ে তারা অবগত নন এবং ইস্তফাদানের কোন ডকুমেন্ট তাদের হাতে আসেনি বা তাদের নজরে পড়েনি।

মীর শাহে আলম বিসিকের পরিচালক পদ হতে ইস্তফা প্রদান করেননি তার বড় প্রমান হচ্ছে ২৬ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত বিসিক পরিচালনা পর্ষদের ৮৩৪তম সভার নোটিশের ০৫নং ক্রমিকে জনাব মীর শাহে আলম, সরকার কর্তৃক মনেনীত শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন পর্ষদ সদস্য শিরোনামে লেখা হয়েছে।

সুস্পষ্টভাবে তথ্য গোপন করার পরেও মীর শাহে আলমের মনোনয়ন পত্রের বৈধতার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ এবং নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী তার মনোনয়ন পত্র বাতিলযোগ্য বিধায় তার প্রার্থীতা বাতিল ঘোষনা করা আইনতঃ আবশ্যক।”

বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিলকৃত হলফনামায় মীর শাহে আলম উপজেলার অন্তত ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাজার ও মসজিদ কমিটির সভাপতি হিসেবে থাকা, পাশাপাশি বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) এর পরিচালক পদে বহাল থাকার তথ্য গোপন করেছেন।

এসব পদ থেকে পদত্যাগের কোনো গ্রহণযোগ্য দলিলও জমা দেননি। এছাড়াও বিআরটিসির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন যে, মীর শাহে আলম এখনও বিআরটিসি পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেননি।

বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌহিদুর রহমান জানিয়েছেন, “মীর শাহে আলম যে হলফনামা জমা দিয়েছেন, সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত লাভজনক পদগুলোর কোনো পদত্যাগপত্র সংযুক্ত নেই। বিষয়টি যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

এদিকে, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটেও প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী নামের আদ্যাক্ষর অনুসারে সাজানোর নিয়মত থাকলেও বগুড়া-২ আসনের তালিকায় মীর শাহে আলমের নাম উপরে তুলে আনা হয়েছে। একই তালিকায় তার নাম আবার নিচের দিকেও রাখা হয়েছে। ফলে যেখানে সাতজন প্রার্থী থাকার কথা সেখানে ওয়েবসাইটে আটজন প্রার্থী দেখানো হচ্ছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।