নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটিতে গৃহবধূ পিথী বেগম (৩০) হত্যা মামলার পলাতক আসামি শ্বশুর খায়রুল ইসলাম (৬০)কে গ্রেফতার করেছে ডোমার থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত খায়রুল ইসলাম উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া সাহার মোড় এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানার হরমুজ আলী ফকিরের মেয়ে পিথী বেগমের সঙ্গে খায়রুল ইসলামের ছেলে ফারুক হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে বর্তমানে ১০ মাস বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিয়ের পর থেকেই পিথী বেগমকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। ২০২৫ সালের ২২ মে রাতে পারিবারিক কলহের জেরে তাকে মারধর করা হয়।
একপর্যায়ে তার স্বামী ফারুক হোসেন ধারালো ছুরি দিয়ে পেটে আঘাত করলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ মে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন রমিছা বেগম বাদী হয়ে ডোমার থানায় স্বামী ফারুক হোসেন, শ্বশুর খায়রুল ইসলাম ও শাশুড়িসহ সংশ্লিষ্টদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই খায়রুল ইসলাম পলাতক ছিলেন।
চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আনিছুজ্জামান আনিস গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত ২৬ জুন রাত ২টার দিকে ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকা থেকে পলাতক আসামি খায়রুল ইসলামকে গ্রেফতার করেন।
ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত খায়রুল ইসলামকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো
হয়েছে।