রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গুমানি’র বুকজুড়ে শুধু পানি নয়, জমে আছে হাজারো মানুষের অপেক্ষা

কাওসার আহম্মেদ ভোরের আলো ফুটতেই গুমানি নদীর ঘাটে ভিড় জমতে শুরু করে নানা পেশার মানুষের| কেউ স্কুলের পোশাক পরে বইয়ের ব্যাগ কাঁধে, কেউ মাথায় সবজিভর্তি ঝুড়ি, কেউ আবার হাসপাতালে যাওয়ার তাড়া নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন| সবার গন্তব্য আলাদা, কিন্তু অপেক্ষা একটাই—খেয়া নৌকার| চলনবিলের বুক চিরে বয়ে যাওয়া গুমানি নদী নাটোরের গুরুদাসপুর, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও পাবনার চাটমোহর […]

গুমানি’র বুকজুড়ে শুধু পানি নয়, জমে আছে হাজারো মানুষের অপেক্ষা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২১:২৪

কাওসার আহম্মেদ

ভোরের আলো ফুটতেই গুমানি নদীর ঘাটে ভিড় জমতে শুরু করে নানা পেশার মানুষের| কেউ স্কুলের পোশাক পরে বইয়ের ব্যাগ কাঁধে, কেউ মাথায় সবজিভর্তি ঝুড়ি, কেউ আবার হাসপাতালে যাওয়ার তাড়া নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন| সবার গন্তব্য আলাদা, কিন্তু অপেক্ষা একটাই—খেয়া নৌকার|

চলনবিলের বুক চিরে বয়ে যাওয়া গুমানি নদী নাটোরের গুরুদাসপুর, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও পাবনার চাটমোহর উপজেলার মানুষের জীবনকে যেমন জুড়ে রেখেছে, তেমনি আলাদা করেও রেখেছে| নদীর দুই পাড়ে সাতটি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কাছে একটি সেতু শুধু যোগাযোগের অবকাঠামো নয়; এটি বহু বছরের অপূর্ণ ¯^প্ন, প্রতিদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তির প্রতীক|

কাছিকাটা নিশিবাড়ি ঘাট থেকে বিলব্যাসপুর পর্যন্ত নদীর এই অংশ দিয়ে প্রতিদিন পারাপার করেন তাড়াশ উপজেলার থল নলডাঙ্গা ও হামকুড়া, চাটমোহরের এনায়েতপুর এবং গুরুদাসপুরের বিলব্যাসপুর, বিলকাঠুর, রানীগ্রাম ও ইয়াসিনপুর গ্রামের মানুষ| শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষিকাজ, ব্যবসা—জীবনের প্রায় সব প্রয়োজনেই তাদের ভরসা একটি ছোট খেয়া নৌকা|

স্থানীয়দের উদ্যোগে মাসিক ৯ হাজার টাকা পারিশ্রমিকে মাঝি ময়লাল প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নৌকা চালান| দিনের পর দিন, বছরের পর বছর নদীর স্রোতের সঙ্গে লড়াই করেই চলছে এই জনপদের মানুষের যাতায়াত|

তবে বর্ষা এলেই বদলে যায় দৃশ্যপট| ফুলে-ফেঁপে ওঠা গুমানি তখন শুধু একটি নদী নয়, হয়ে ওঠে অনিশ্চয়তার নাম| নদীর উত্তাল ঢেউ পেরিয়ে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, পরীক্ষার্থীদের সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছানো কিংবা কৃষকের উৎপাদিত ফসল বাজারে পৌঁছানো—সবকিছুই হয়ে পড়ে ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল|

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আসলাম আলী বলেন, “আমরা শুধু একটা সেতু চাই| এত বছর ধরে নদী পার হতে গিয়ে কত ভোগান্তি যে পোহাতে হয়েছে, তার হিসাব নেই| একটি সেতু হলে সন্তানদের পড়াশোনা থেকে শুরু করে চিকিৎসা ও ব্যবসা—সবকিছুই সহজ হয়ে যাবে|”

দবীর উদ্দিনের কণ্ঠেও একই প্রত্যাশা| তিনি বলেন, “আমাদের কষ্টের কথা অনেকেই শুনেছেন, কিন্তু সমাধান হয়নি| প্রতিটি নির্বাচনেই সেতুর আশ্বাস পাই, কিন্তু বাস্তবে কিছুই দেখি না|”

বিলব্যাসপুর গ্রামের সালাম সরকার নদীর দিকে তাকিয়ে বলেন, “এই নদী আমাদের জীবন দিয়েছে, আবার অনেক সুযোগও কেড়ে নিয়েছে| একটি সেতু হলে তিন উপজেলার মানুষ এক সুতোয় বাঁধা পড়বে| কৃষি, শিক্ষা ও ব্যবসায় নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলবে|”

স্থানীয়দের মতে, গুমানি নদীর ওপর একটি সেতু নির্মিত হলে শুধু যাতায়াত সহজ হবে না, পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিতেও গতি আসবে| কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছাবে, শিক্ষার্থীদের সময় বাঁচবে, জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সহজ হবে|

মশিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বারী জানান, বিলব্যাসপুর ও রানীগ্রাম মৌজার মধ্যবর্তী আত্রাই নদীর ওপর রাবারড্যাম নির্মাণ প্রকল্প বর্তমানে একনেকের অনুমোদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে|

উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান বলেন, কাছিকাটা নিশিবাড়ি ঘাট থেকে বিলব্যাসপুর পর্যন্ত গুমানি নদীর ওপর সেতুর পাশাপাশি একটি রাবারড্যাম নির্মাণ করা গেলে শুষ্ক মৌসুমে সেচব্যবস্থার উন্নয়ন হবে| এতে নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ উপকৃত হবেন| প্রকল্পটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে| অনুমোদন মিললে আগামী নভেম্বর- ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শুরু করা সম্ভব হতে পারে|

নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ বলেন গুমানি নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি| রাবারড্যাম প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সেতু নির্মাণের পথও সহজ হবে| প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে|

গুমানির ঘাটে সন্ধ্যা নামলে শেষবারের মতো নৌকা ভিড়ে| একে একে মানুষ ঘরে ফেরেন| নদীও ধীরে ধীরে নিস্তব্ধ হয়ে আসে| কিন্তু নিস্তব্ধ হয় না অপেক্ষা| নদীর দুই পাড়ে এখনও হাজারো মানুষের চোখে ভাসে একটি সেতুর ছবি—যে সেতু একদিন শুধু দুই তীরকে নয়, বহু বছরের বঞ্চনা আর উন্নয়নের ব্যবধানকেও যুক্ত করবে|

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।