সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমি মায়েদের কীভাবে সম্মান করি ৯ কোটি মা তার সাক্ষী : জামায়াত আমির

শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ সন্ত্রাস চালাতে চাইলে আল্লাহর নাম নিয়ে সমান জবাব দেওয়া হবে—এর বেশি নয়। তবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অবশ্যই প্রশাসনকে জানানো হবে। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা না নেয় এবং পরিস্থিতি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়, তাহলে প্রতিহত করা ওয়াজিব হয়ে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শেরপুর শহরের […]

আমি মায়েদের কীভাবে সম্মান করি ৯ কোটি মা তার সাক্ষী : জামায়াত আমির

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৫

শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ সন্ত্রাস চালাতে চাইলে আল্লাহর নাম নিয়ে সমান জবাব দেওয়া হবে—এর বেশি নয়। তবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অবশ্যই প্রশাসনকে জানানো হবে।

প্রশাসন যদি ব্যবস্থা না নেয় এবং পরিস্থিতি সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়, তাহলে প্রতিহত করা ওয়াজিব হয়ে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শেরপুর শহরের দারোগালি পৌর মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি শেরপুরের তিনটি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন।

জামায়াত আমির বলেন, ১৮ কোটি মানুষের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তিনি নেতা-কর্মীদের সজাগ ও পাহারায় থাকার আহ্বান জানান। ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও টেন্ডারবাজি বন্ধ করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

তিনি বলেন, “আমরা যুবকদের হাতে বেকার ভাতা দিতে চাই না। আমরা তাদের জন্য হালাল কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। যুবকরাই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার ককপিটে, আর আমরা থাকব যাত্রী আসনে।”

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশ এখন এক কঠিন বাঁকে দাঁড়িয়ে আছে এবং ১২ তারিখ সেই বাঁক পরিবর্তনের দিন। তিনি বলেন, “যারা আল্লাহর গোলামি করে, তারা কালো মেঘ দেখলে ভয় পায় না। আমরা এমন দেশ চাই, যেখানে রাজনীতির নামে মানুষ খুন হবে না। মানুষ হত্যার রাজনীতি আমরা ঘৃণা করি।”

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংক্রান্ত ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, “আমি মায়েদের কীভাবে সম্মান করি—তা বাংলাদেশের ৯ কোটি মা জানেন। আমার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে মায়েদের নিয়ে অরুচিকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। অথচ না বুঝেই একটি দল মিছিল শুরু করেছে। কে করেছে, সবাই জানে—ঠাকুরঘরে কে, আমি কলা খাই না।”

তিনি জানান, কয়েক ঘণ্টা পর অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় যদি কোনো মা কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তিনি তাঁদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।

গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমার নামে বাজে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার খবর যেন ভুলভাবে উপস্থাপন করা না হয়।”

শেরপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনের ডাকা সভায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতেই জামায়াত নেতা রেজাউল করিমকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার তিন দিন পরও কাউকে গ্রেপ্তার না করায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, যারা নিজেদের দলের বহু মানুষকে বিদায় করেছে, তাদের কাছে মানুষের জীবন ও ইজ্জতের মূল্য নতুন কিছু নয়।

গত ১৫ বছরের রাজনৈতিক নির্যাতনের কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, একসময় দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, নিবন্ধন ও প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় সেই নিষেধাজ্ঞা দ্রুতই প্রত্যাহার হয়।

এর আগে সকালে হেলিকপ্টারে করে শ্রীবরদীর গোপালখিলা খেলার মাঠে অবতরণ করেন তিনি। পরে শেরপুরের জনসভা শেষে জামালপুর যান।

জামালপুরের সিংহজানী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় জামায়াত আমির বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের গতিপথ পরিবর্তনের নির্বাচন। শহীদদের রক্ত ও আহতদের ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে এই নির্বাচন নতুন বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা দেবে।”

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত থাকার পর এবার জনগণের সামনে প্রকৃত পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে। এই নির্বাচন শুধু সরকার পরিবর্তনের নয়, বরং ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার নির্বাচন।

তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান এবং বলেন, “এই নির্বাচন গত ৫৪ বছরের বস্তাপচা ফ্যাসিবাদী রাজনীতির কবর রচনার নির্বাচন।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭