মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ইতিহাস গড়ে স্বদেশে ফিরলেন তারেক রহমান

ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায় রচিত হলো বাংলাদেশের রাজনীতিতে। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার স্বদেশে ফিরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের মাটিতে পা রেখেই খোলা পায়ে মাতৃভূমির স্নিগ্ধ পরশ অনুভব করেন তিনি। আবেগাপ্লুত হয়ে একমুঠো মাটিও হাতে তুলে নেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে জনতার মহাসমুদ্রে উষ্ণ অভ্যর্থনায় সিক্ত হন সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর […]

ইতিহাস গড়ে স্বদেশে ফিরলেন তারেক রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫১

ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায় রচিত হলো বাংলাদেশের রাজনীতিতে। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার স্বদেশে ফিরলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের মাটিতে পা রেখেই খোলা পায়ে মাতৃভূমির স্নিগ্ধ পরশ অনুভব করেন তিনি।

আবেগাপ্লুত হয়ে একমুঠো মাটিও হাতে তুলে নেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে জনতার মহাসমুদ্রে উষ্ণ অভ্যর্থনায় সিক্ত হন সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর এই উত্তরসূরি।

ঢাকায় অবতরণের পরপরই তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। এরপর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি রওনা হন পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ের গণসংবর্ধনাস্থলের উদ্দেশে।

সেখানে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন নিজের স্বপ্নের বাংলাদেশের রূপরেখা। দৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেন— “I have a plan.” সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দেশের প্রতিটি মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। সংবর্ধনা শেষে চিকিৎসাধীন মায়ের কাছে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান তারেক রহমান।

জুলাই বিপ্লবের মুখে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পতন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র ভারতে পলায়নের পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে গণতান্ত্রিক উত্তরণের আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় থেকেই রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের প্রশ্ন।

নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তিনি ঢাকায় অবতরণ করেন। এর আগে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করে। সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিমানবন্দরের ভিআইপি গেট দিয়ে বের হয়ে জুতা-মোজা খুলে খালি পায়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন তারেক রহমান। এক আবেগঘন মুহূর্তে তিনি দেশের মাটি হাতে তুলে নেন। এরপর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লেখা লাল-সবুজ বাসে চড়ে সংবর্ধনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। পথে পথে হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।

সাধারণ সময়ে যেখানে ১৫–২৫ মিনিট লাগে, সেখানে লাখো মানুষের ভিড় ঠেলে সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছাতে তারেক রহমানের গাড়িবহরের সময় লাগে প্রায় চার ঘণ্টা। শেষ পর্যন্ত বাস থেকে নেমে হেঁটেই মঞ্চে ওঠেন তিনি। মঞ্চের তিনদিক ঘুরে জনসমুদ্রের অভিবাদন গ্রহণ করেন, মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বারবার জনগণের ত্যাগের মাধ্যমেই রক্ষা পেয়েছে—১৯৭১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ইতিহাস তার সাক্ষী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ এমন এক সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে, যখন সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার দায়িত্ব নিতে হবে। পাহাড়-সমতল, নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি নিরাপদ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

গত ১৫ বছরে গুম-খুন ও নিপীড়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম জীবন উৎসর্গ করেছে। শহীদ শরীফ ওসমান হাদিসহ সব শহীদের স্মরণ করে তিনি বলেন, তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতেই হবে।

তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তির ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই, তাই ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সামনে এগোতে হবে। গণতান্ত্রিক ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি।

মার্কিন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর বিখ্যাত উক্তি ‘I have a dream’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আজ তিনি বাংলাদেশের মানুষের সামনে বলছেন— “I have a plan for the people of my country.” এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণতন্ত্রকামী প্রতিটি মানুষের সহযোগিতা চান তিনি।

বক্তব্যের শেষভাগে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার ওপর জোর দিয়ে তিনবার উচ্চারণ করেন— “আমরা দেশে শান্তি চাই।” এরপর অসুস্থ মা খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন।

সংবর্ধনাস্থল ছাড়াও বিমানবন্দর ও পুরো ৩০০ ফিট এলাকা সকাল থেকেই জনসমুদ্রে রূপ নেয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিনের নির্যাতন ও ভোটাধিকারহীনতার অবসান ঘটবে—এই প্রত্যাশা নিয়েই তারা উপস্থিত হয়েছেন।

২০০৮ সালের ওয়ান-ইলেভেনের সময় জোরপূর্বক নির্বাসনে পাঠানো এই নেতা দীর্ঘ রাজনৈতিক নিপীড়ন, কারাবরণ ও প্রবাসজীবন পেরিয়ে আজ এক পরিপক্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে রূপ নিয়েছেন। দেড় যুগের নির্বাসন শেষে বীরের বেশে তার এই প্রত্যাবর্তন শুধু বাংলাদেশের নয়, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতেও এক বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪১৬

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৫১

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৫১

রাজনীতি

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান। দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও […]

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৫

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান।

দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নেপালের প্রেসিডেন্ট মাওলানা শফীকুর রহমান কাসেমী।

মামুনুল হকের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি মাওলানা শায়খ সালেহ আহমাদ হামিদী এবং জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

দুই দিনের সফর শেষে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আল্লামা মামুনুল হকের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৫১