সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নদীতে ভাসমান শিশু, রাষ্ট্রের অচেনা নাগরিক—শিক্ষাবঞ্চিত এক জীবনের গল্প

দেশের উপকূলবর্তী উপজেলাগুলোর নদীর তীর ঘেঁষে সারি সারি নৌকা। প্রতিটি নৌকাতেই বসবাস একটি করে পরিবার। সেই নৌকাই তাদের ঘর, সেই নৌকাতেই সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার সহাবস্থান। ধর্মে মুসলমান হলেও বিচিত্র জীবনযাত্রার কারণে তারা পরিচিত ‘মানতা সম্প্রদায়’ নামে। অনেকের কাছে তারা ‘অদৃশ্য’ বা ‘অজানা’ এক জনগোষ্ঠী—যাদের জন্ম, জীবন ও মৃত্যু নদীকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত। ইতিহাস বলছে, মানতা সম্প্রদায়ের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:০৩

দেশের উপকূলবর্তী উপজেলাগুলোর নদীর তীর ঘেঁষে সারি সারি নৌকা। প্রতিটি নৌকাতেই বসবাস একটি করে পরিবার। সেই নৌকাই তাদের ঘর, সেই নৌকাতেই সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার সহাবস্থান।

ধর্মে মুসলমান হলেও বিচিত্র জীবনযাত্রার কারণে তারা পরিচিত ‘মানতা সম্প্রদায়’ নামে। অনেকের কাছে তারা ‘অদৃশ্য’ বা ‘অজানা’ এক জনগোষ্ঠী—যাদের জন্ম, জীবন ও মৃত্যু নদীকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত।

ইতিহাস বলছে, মানতা সম্প্রদায়ের বেশিরভাগ গোষ্ঠীর ভাসমান জীবনের সূচনা দেড়শ থেকে দুশো বছর আগে। কোনো কোনো গোষ্ঠী তারও পুরোনো। শত বছর পেরিয়ে গেলেও তারা আজও পায়নি স্থায়ী কোনো ঠিকানা কিংবা এক টুকরো স্থলভূমি।

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা ভোটাধিকার পেলেও শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও বাসস্থানের মতো মৌলিক অধিকার থেকে এখনো বঞ্চিত এই জনগোষ্ঠী। জন্ম-মৃত্যুর নিবন্ধন না থাকায় রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের বাইরেই থেকে যাচ্ছে তাদের একটি বড় অংশ। নদীতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসবাস করায় তাদের সঠিক জনসংখ্যাও নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

মানতা সম্প্রদায়ের সদস্য শিরিনা জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের নদীতে ছোট ছোট নৌকাতেই তাদের পুরো জীবন কেটে যায়। শিক্ষা ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এই জনগোষ্ঠী জীবিকার তাগিদে নদী কিংবা সাগরে মাছ ধরতে ছুটে বেড়ায়।

আধুনিক সভ্যতার যুগে থেকেও আধুনিকতার স্পর্শ তাদের জীবনে প্রায় অনুপস্থিত। নদীতেই জন্ম, নদীতে বেড়ে ওঠা, নদীতেই মৃত্যু—এভাবেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম পার করছে তারা। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া সুইচগেট এলাকায় এমনই এক মানতা গোষ্ঠীর দেখা মিলেছে।

স্থানীয় মো. আলী জিন্নাহ বলেন, আমারা যুগযুগ ধরে এদেরকে নৌকায় ভাসমান জীবন-যাপন করে আসছে দেখে আসছি। শিক্ষা, চিকিৎসা, সরকারি সহায়তা ও নাগরিক পরিচয়ের অভাব তাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। ফলে সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর তালিকায় রয়েছে মানতা সম্প্রদায়।

শিশুদের স্কুলে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। পেটের দায়ে পড়াশোনাকে তারা অনর্থক মনে করে। বয়স দশ-বারো হলেই অনেক শিশু বাবা-মায়ের সঙ্গে মাছ ধরায় যুক্ত হয়ে পড়ে। না হলে প্রতিদিনের খাবার জোটে না। দক্ষিণাঞ্চলের নদী ও মোহনাগুলোতে ভেসে বেড়ানোই তাদের নিয়তি।

রাষ্ট্র যেখানে ভালো ফলাফলের প্রজন্ম নিয়ে গর্ব করে, সেখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একটি বিশাল জনগোষ্ঠী শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত—এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মানতা সম্প্রদায়ের সদস্যরা। তাদের ভাষ্য, রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণে তারা এখনো উপেক্ষিত।

তিনি তাদেরকে মূলধারার জীবন-যাপনে নিয়ে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা সরকারি-বেসরকারি সংস্থাকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, “মানতা সম্প্রদায় জলজ ও ভাসমান জনগোষ্ঠী। তাদের শিশুদের মূলধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় আনা কঠিন। তবে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তাদের আবাসস্থলের নিকটবর্তী কোনো স্থানে উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে তারা অন্তত জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন করতে পারবে।”

নদীর সঙ্গে আজন্ম প্রেম, নদীর সঙ্গেই বেঁচে থাকার লড়াই মানতা সম্প্রদায়ের। আগত ঝড়-জলোচ্ছ্বাস প্রতিনিয়ত তাদের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়। মৃত্যুভয়, আতঙ্ক আর সংগ্রামের এই জীবনে তারা ক্লান্ত।

তবুও সুযোগ পেলে আর দশজন সাধারণ মানুষের মতো ডাঙায় বসবাস করতে চায় তারা—আর শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে চায় মানতা সম্প্রদায়ের প্রতিটি শিশুকে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।