শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ছাপাখানা ব্যর্থ হলে বইয়ের কাজ পাবে সেনাবাহিনী

দরপত্র বাতিল, পুনর্দরপত্র আহ্বান ও বইয়ের বিভিন্ন কন্টেন্ট পরিবর্তন করে আগামী শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়াসহ নানা চ্যালেঞ্জে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। দেরিতে শুরু করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিতে এখন এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদেরও ব্যস্ত সময় কাটছে। ছাপাখানা মালিকরা অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন পুনর্দরপত্র ও দেরিতে কার্যাদেশ অনুমোদনের কারণে নতুন বই […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ নভেম্বর ২০২৪, ২১:২৮

দরপত্র বাতিল, পুনর্দরপত্র আহ্বান ও বইয়ের বিভিন্ন কন্টেন্ট পরিবর্তন করে আগামী শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়াসহ নানা চ্যালেঞ্জে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। দেরিতে শুরু করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিতে এখন এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদেরও ব্যস্ত সময় কাটছে। ছাপাখানা মালিকরা অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন পুনর্দরপত্র ও দেরিতে কার্যাদেশ অনুমোদনের কারণে নতুন বই জানুয়ারির এক তারিখে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব নয়। তবে এনসিটিবি বলছে জানুয়ারির এক তারিখেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই চলে যাবে।

যদি কোনো ছাপাখানা মালিক এর ব্যত্যয় করে তবে সরাসরি পারচেজের (ডিপিএম) মাধ্যমে আর্মি প্রিন্টিং প্রেস বই ছাপিয়ে বই সরবরাহ করবে। এর ফলে পুস্তক প্রেস মালিকদের কপালে যে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে, সেটি আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

এনসিটিবি চেয়ারম্যান ড. রিয়াজুল হাসান জানান, চলতি মাসের নভেম্বরের মধ্যেই ৭০টি লটে প্রায় ৪ কোটি বই উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। এই লটে রয়েছে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির বই। এরমধ্যে প্রাক-প্রাথমিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ অন্যান্য বইয়ের কাজও শেষ হবে। প্রাথমিকের অন্য যে লটের বই বাকি থাকবে, অর্থাৎ চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির বই- সেটিও ডিসেম্বরের ২০ তারিখের মধ্যে জেলা উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে যাবে।

প্রতিবছর জুন মাসে বই ছাপার প্রক্রিয়া শুরু হলেও এবার তা হয়নি। যে কারণে শেষ সময়ে যে কাজের চাপ বাড়বে- সেটি নিয়ে মুদ্রাকর, পুস্তক প্রেস মালিক ও এনসিটিবি কর্মকর্তাদেরও কোনো দ্বিমত নেই। কারণ নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেও নবম ও দশম শ্রেণির বইয়ের দরপত্রের কাজই শেষ হয়নি।

এ বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান জানান, অনেক প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মধ্য দিয়ে কাজ পেয়েছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে তাদের কাজের মান খারাপ। বা নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে পারবে না। এমনটি দেখলে বসে থাকবে না বোর্ড। সেক্ষেত্রে ডিপিএমের (ডিরেক্ট পারচেজ ম্যানেজমেন্ট) মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে বই ছাপানোর কাজ দেওয়া হবে। এ বছর যদিও তারা এক কোটি বই ছাপানোর কাজ করছে। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে তাদেরকে আরও ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি বই ছাপানোর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
বইয়ের মান ভালো হবে, নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা ॥ গত কয়েক বছর অসাধু ব্যবসায়ী ও সরকারের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার মধ্যস্থতায় নিম্নমানের বই দেওয়ার চল শুরু হয়েছিল। এ নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় সিন্ডিকেট। কিন্তু এবার এই সিন্ডিকেট ভাঙতে চাইছে এনসিটিবি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বই উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণের সবকিছুই ছিল প্রেস মালিকদের হাতে। তারাই নিম্নমানের বই ছাপত। তাদের কোম্পানিই মান সঠিক বলে ছাড়পত্র দিত। এক্ষেত্রে এনসিটিবির দায়িত্বশীলদের অবহেলাও অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এ প্রসঙ্গে এনসিটিবি চেয়ারম্যান জনকণ্ঠকে বলেন, আগে যারা অসৎ প্রেস মালিক ছিল তাদেরকে জরিমানা বা তিরস্কার না করে বরং পুরস্কার দেওয়া হতো।

ছোটখাটো কিছু প্রেসকে লোক দেখাতে কালো তালিকাভুক্ত করত। এবার এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায় এনসিটিবি। এরই মধ্যে আনন্দ পাবলিশার্স নামের একটি কোম্পানির যন্ত্রাংশের ত্রুটি ও কাজের মানের কারণে শোকজ করা হয়েছে। এই পাবলিশার্সটি আওয়ামী লীগ আমলের সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের ভাই রাব্বানী জব্বারের। দীর্ঘদিন তারা পাঠ্যবইয়ের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে জড়িত ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। এনসিটিবি বলছে ৬ষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বইয়ের কাজও দুর্দান্ত গতিতে চলছে। নবম ও দশম শ্রেণির দরপত্রের কাজ শেষ করে এটিও দ্রুত ছাপা হওয়া শুরু হবে।

তবে এ বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ছাপাখানা মালিকরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলছেন, এনসিটিবি মনে করছে কম্পিউটারে একটি টিপ দিলেই বই ছাপা হয়ে বের হয়ে যায়। বিষয়টি এত সহজ হবে না। সময় না দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে বই হাতে পাওয়ার বিষয়টি অকেকটা মেঘ না চাইতে জলের মতো।
বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক সমিতির সাবেক সভাপতি তোফায়েল খান জানান, বিনামূল্যের বইয়ে কাগজের যে

উজ্জ্বলতা ও যে মান দেওয়ার কথা, বিগত সালগুলোতে তা দেওয়া হচ্ছিল না। এবার প্রাথমিকের চার রঙা বইয়ের উজ্জ্বলতা ৮৫ জিএসএম (গ্রাম পার স্কোয়ার মিটার) ও মাধ্যমিকের ৮২ জিএসএম দরপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। বিগত সময়েও এমন ছিল। কিন্তু সেটির বাস্তবায়ন ছিল না। যে কারণে বিনামূল্যের এসব বই ৬ মাস ৮ মাসেই পড়ার অনুপযোগী হয়ে পড়ত। কিন্তু এবার আশা করা যাচ্ছে বইয়ের মান ভালো হবে। এ বিষয়ে এনসিটিবির আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকা উচিত বলেও তিনি মনে করেন।

বইয়ের সংখ্যা বাড়ছে সঙ্গে খরচও ॥ গত বছরের চেয়ে এবার পাঠ্যপুস্তক ছাপাতে ৭৮৩ কোটি টাকা বেশি খরচ হবে। এর জন্য এনসিটিবি দশম শ্রেণির বই ছাপানোর বিষয়কে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন। কর্মকর্তারা বলছেন, গত বছর ১০ম শ্রেণিতে কোনো বই ছিল না। এর আগে সৃজনশীল পদ্ধতিতেও ১০ম শ্রেণিতে বই লাগত না। নবম-দশম পাঠ্যবই একই ছিল। এবং সেটি পড়েই শিক্ষার্থীরা এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিত। কিন্তু এবার দশম শ্রেণির জন্য অতিরিক্ত সোয়া ৫ কোটি বই ছাপাতে হচ্ছে। যার জন্য খরচ পড়বে অন্তত সাড়ে ৪শ কোটি টাকা। তবে আগামীবার দশম শ্রেণির জন্য আলাদা বই ছাপাতে হবে না বলেও সংশ্লিষ্টরা জানান।
হবে না বই উৎসব, বই পাওয়া যাবে অনলাইনে।

প্রতি বছরের মত ঘটা করে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়া হলেও আগামী বছরের জানুয়ারির এক তারিখে বই উৎসবের আয়োজন করছে না এনসিটিবি। ডিসেম্বরের ৩০ বা ৩১ তারিখ এনসিটিবি তাদের ভবনে সংবাদ সম্মেলন করবে বলে জানানো হয়েছে। এদিন শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ও সাংবাদিকরা উপস্থিত থাকবেন বলে এনসিটিবির পরিকল্পনায় রয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়ার আগেই এনসিটিবির ওয়েবসাইটে সব শ্রেণির বইয়ের পিডিএফ ফাইল আপলোড করা হবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এই বই পড়ে তাদের মতামত জানাতে পারবেন। এ ছাড়া কোনো ভুলত্রুটি থাকলে সে বিষয়েও প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।