রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আতঙ্কে মধুমতি মডেল টাউন বাসিন্দারা

রাজধানীর অদূরে আমিনবাজারের পাশে মধুমতি মডেল টাউনে বসবাসরত হাজারখানের পরিবার চরম আতঙ্কের মাঝে দিন কাটাচ্ছেন। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) একটি চিঠিই এর কারণ। ওই চিঠিতে হাউজিংটির বিদ্যুৎ লাইন ও সংযোগ সড়ক কাটার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, হাউজিংয়ে বসবাসরত বাসিন্দাদের সঙ্গে কোনপ্রকার আলোচনা না করে কিংবা তাদেরকে পূর্বে কোন নোটিশ না দিয়ে রাজউক একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ নভেম্বর ২০২৪, ১৭:২২

রাজধানীর অদূরে আমিনবাজারের পাশে মধুমতি মডেল টাউনে বসবাসরত হাজারখানের পরিবার চরম আতঙ্কের মাঝে দিন কাটাচ্ছেন। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) একটি চিঠিই এর কারণ। ওই চিঠিতে হাউজিংটির বিদ্যুৎ লাইন ও সংযোগ সড়ক কাটার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, হাউজিংয়ে বসবাসরত বাসিন্দাদের সঙ্গে কোনপ্রকার আলোচনা না করে কিংবা তাদেরকে পূর্বে কোন নোটিশ না দিয়ে রাজউক একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে-যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন
শুক্রবার এই প্রতিনিধি মধুমতি মডেল টাউন সরেজমিনে পরিদর্শন করে এর বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা জানান, এখানে প্রায় সাড়ে চার হাজার প্লট মালিক রয়েছেন। অনেকে তাদের জীবনের শেষ সম্বল বিক্রি করে এই সামান্য বাস্তুভিটাটি কিনেছেন। সরকারের ভূমি অফিস প্লটগুলো রেজিস্ট্রেশনও দিয়েছে। তার ভিত্তিতে প্রায় হাজারখানের প্লট মালিক এখানে মাথা গুঁজার ঠাই করে নিয়েছেন। এখানে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড বিদ্যুতের লাইনও দিয়েছে৷ গত প্রায় দুই দশক ধরে বাসিন্দারা নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছেন। রাজউকের এই চিঠি দেখে তাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে।

 

তবে রাজউক সূত্র জানিয়েছে, মধুমতি মডেল টাউনকে অবৈধ করে আদালত ২০১২ সালে যে রায় দিয়েছে সেটা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রায়ে কি ছিল প্রশ্ন করা হলে রাজউকের এক কর্মকর্তা ইত্তেফাককে বলেন, আদালত মধুমতি মডেল টাউনকে অবৈধ বলে যে রায় দিয়েছে তাতে দুটি বিষয় ছিল। প্রথমত, যারা এখানে প্লট কিনেছেন তাদেরকে বিক্রয়কৃত মূল্যের দ্বিগুণ অর্থ ফেরত দেওয়া এবং ওই জায়গার মাটি সরিয়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া । তবে মধুমতি মডেল টাউনের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, আদালতের রায় অনুযায়ী তারা কেউ ক্ষতিপূরণের অর্থ পাননি। এটি বাস্তবায়ন না করে ‘রাজউক যদি এখানকার বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করে তাহলে আদালতের রায়ের অবমাননা হবে।

মধুমতিতে বসবাসকারী প্লট মালিক মাহবুবুর রহমান জানান, রাজউক এখানে ক্রেতাস্বার্থ দেখছে না। তারা অদৃশ্য শক্তির নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে। ক্রেতারা যে টাকা দিয়ে প্লট কিনেছেন তার দ্বিগুণ অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও রাজউক এ বিষয়টি আমলে আনছে না। আরেক প্লট ক্রেতা এ এফ এম আবদুল আজিজ বলেন, জীবনের শেষ সঞ্চয় দিয়ে আমি প্লট কিনেছি। আমার অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সে রাষ্ট্র আজ আমার বিপরীতে দাঁড়িয়েছে।

প্লট মালিক নূরুল আমিন বলেন, ৫ আগষ্ট সরকারের পতনের পর আমরা আশা করেছিলাম বৈষম্য দূর হবে। কিন্তু রাজউকের চিঠিতে তা আমার কাছে মনে হচ্ছে না। আমি জনস্বার্থে অবিলম্বে এ ধরনের গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য রাজউকের প্রতি আহবান জানাবো।

গত ১৮ নভেম্বর রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সংস্থা থেকে বেশকিছু সিদ্ধান্তের কথা জানা যায় ।

এসব সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে, মধুমতি মডেল টাউনের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কাছে চিঠি দেওয়া, সংযোগ সড়ক থেকে মধুমতি মডেল টাউনকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরকে চিঠি দেওয়া ইত্যাদি । তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজউকের কোন কর্মকর্তা কিছুই বলতে রাজি হননি।

মধুমতি মডেল টাউন বাসিন্দারা জানান, সেখানে তারা পরিবার পরিজন নিয়ে গত ১৫ বছর ধরে বসবাস করছেন। আদালতের রায় অনুযায়ী প্লট ক্রেতারা ক্ষতিপূরণ না পেলে তাদের পথে বসে যাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।

জানা গেছে, রাজউকের চিঠির প্রেক্ষিতে মধুমতি মডেল টাউনের বাসিন্দারা আজ শনিবার প্রকল্পের ভেতর জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। সেখানে তারা পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবেন। এ ব্যাপারে জানতে মধুমতি মডেল টাউন কর্তৃপক্ষের ( ডেভেলপার কোম্পানি) সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।