সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ডোমারের ভোগডাবুরী ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ ও কর্মীর সংকট : চরম ভোগান্তিতে রোগীরা

নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার ভোগডাবুরি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি একসময় ছিল স্থানীয় জনগণের নির্ভরতার স্থান। এখান থেকে নিয়মিতভাবে রোগীরা ওষুধ সংগ্রহ করতে পারতেন, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীরা বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ পেতেন। কিন্তু বর্তমানে সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রটিতে ওষুধের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সামান্য কিছু ওষুধ আসলেও কয়েক দিনের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১০ নভেম্বর ২০২৫, ২১:২৪

নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার ভোগডাবুরি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি একসময় ছিল স্থানীয় জনগণের নির্ভরতার স্থান। এখান থেকে নিয়মিতভাবে রোগীরা ওষুধ সংগ্রহ করতে পারতেন, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীরা বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ পেতেন।

কিন্তু বর্তমানে সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রটিতে ওষুধের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সামান্য কিছু ওষুধ আসলেও কয়েক দিনের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যেত। এছাড়া স্বাস্থ্য পরিদর্শিকা ও আয়া পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় গর্ভবতী নারীরা নিয়মিত চেকআপ করাতে পারছেন না।

বর্তমানে কেন্দ্রটিতে পলাশ চন্দ্র নামে একজন ফার্মাসিস্ট এবং শাহাদাত হোসেন নামে একজন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক দায়িত্ব পালন করছেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ফার্মাসিস্ট পলাশ চন্দ্র দায়িত্বে থাকলেও ওষুধপত্রের অভাবে তিনি কার্যত কিছুই করতে পারছেন না। এমনকি সাধারণ কৃমির ওষুধও মজুদে নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আগে এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরিদর্শিকা আসতেন, আমরা চিকিৎসা ও ওষুধ পেতাম। এমনকি একসময় এখানে নরমাল ডেলিভারিও হতো। এখন কিছুই নেই, শুধু ভবনটা পড়ে আছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রটির ছাদে ছাগল পালন করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ফার্মাসিস্ট।তাছাড়া দ্বিতীয় তলা তিনি দখল করে রেখেছেন। নিচতলায় হাসপাতালের আসবাবপত্র অগোছালো ও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে আছে। এমনকি হাসপাতালের সামনে ছাগলের খাদ্যের জন্য ঘাসও চাষ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক শাহাদাত হোসেন বলেন, এখানে শুধু একজন ফার্মাসিস্ট রয়েছেন। স্বাস্থ্য পরিদর্শিকা ও আয়া পদ দুটি দীর্ঘদিন ধরে খালি। ফলে সেবা কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

রংপুর থেকে ওষুধ আসার কথা থাকলেও এখনো পৌঁছায়নি।সাংবাদিকের অনুরোধে কৃমির ওষুধ দিতে না পেরে তিনি জানান, ওষুধ শেষ হয়ে গেছে।তিনি আরও বলেন,দ্রুত স্বাস্থ্য পরিদর্শিকা ও আয়া নিয়োগ দেওয়া গেলে রোগীরা পুনরায় সেবা পাবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন শূন্যপদ, ওষুধ সংকট ও কর্মীদের অনিয়ম বিষয়ে জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমাদের উপজেলার বিভিন্ন পোস্ট এখনো ফাঁকা রয়েছে।

যেসব পদে এখনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি, সে কারণেই পরিদর্শিকা ও আয়ার ঘাটতি দেখা দিয়েছে।তিনি আরও বলেন,গত ১৪ মাস ধরে কোনো ওষুধ সরবরাহ ছিল না, যার ফলে ওষুধের সংকট তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি নতুন ওষুধ এসেছে, দুই-এক দিনের মধ্যেই প্রত্যেকটি কেন্দ্রে সরবরাহ সম্পন্ন হবে।

তবে এবার সীমিত পরিসরে ওষুধ পাওয়া গেছে।স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফার্মাসিস্ট পলাশচন্দ্রের ছাগল পালনের অভিযোগ প্রসঙ্গে সোহেল রানা বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না—আপনা মাধ্যমেই জানলাম। আমি পরিদর্শকের সঙ্গে কথা বলব, অভিযোগের সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা কেন্দ্রটির বেহাল অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশা, সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ দ্রুত উদ্যোগ নেবে যাতে ভোগডাবুরি ইউনিয়নের মানুষ আবারও আগের মতো স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।