শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভোলায় ‘মামলাবাজ’ ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

মোঃ হাসনাইন আহম্মেদ, ভোলা: মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন থেকে ছাত্র ও যুব সমাজকে রক্ষার দাবিতে ভোলার চরসামাইয়া ইউনিয়নে শত শত এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছেন। চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, মামলাবাজ ও দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত মাকসুদুর রহমান ওরফে মাকসু এবং তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও মাদকের আস্তানা ভেঙে দেওয়ার দাবি জানান তারা। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:১৬

মোঃ হাসনাইন আহম্মেদ, ভোলা:

মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন থেকে ছাত্র ও যুব সমাজকে রক্ষার দাবিতে ভোলার চরসামাইয়া ইউনিয়নে শত শত এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছেন। চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, মামলাবাজ ও দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত মাকসুদুর রহমান ওরফে মাকসু এবং তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও মাদকের আস্তানা ভেঙে দেওয়ার দাবি জানান তারা।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে চরসামাইয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ছিদ্দিক বাজারে ‘সচেতন নাগরিক সমাজের’ উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে উপস্থিত শত শত নারী-পুরুষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর শুদ্ধি অভিযান, মাদক প্রবেশের রুট বন্ধ এবং চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চরসামাইয়া ইউনিয়নে মাকসুদুর রহমান ওরফে মাকসু ও তার স্ত্রী নাহার এর নেতৃত্বে একটি অসাধু চক্র মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। এতে তরুণ প্রজন্ম ধ্বংসের পথে যাচ্ছে এবং এলাকায় নৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে। অভিযোগ করা হয়, এই চক্রটি দেহ ব্যবসার সাথেও জড়িত, এবং কেউ প্রতিবাদ করলে তাদেরকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হয়।

মানববন্ধনে মাকসুর সম্বন্ধীর মেয়ে আঁকলিমা অভিযোগ করে বলেন, “ডাবের পানিতে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে আমাকে অজ্ঞান করে মাকসু খারাপ কিছু করার চেষ্টা করে। এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে এসে আমাকে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে আমাকে নানা নির্যাতনের শিকার হতে হয়। আমি মাকসুর কঠোর বিচার দাবি করছি।

এলাকাবাসীর তথ্য অনুযায়ী, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মাকসু এর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। মাকসু ২০২২ সালের জি-আর নং: ৪২২/২০২২ ও চলমান মামলা নং: ৩৬(১) (মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে) মামলায় প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান।

গোপন সূত্রে জানা গেছে, মাকসু দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার মিরপুর বিহারী ক্যাম্প থেকে মাদক সংগ্রহ করে ভোলার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতেন। এ কাজে তাকে সহায়তা করতেন চরসামাইয়া ইউনিয়নের সাবেক ৪নং আওয়ামী লীগ নেতা আমির পন্ডিত, ইউসুফ পন্ডিত ও মফিজ পন্ডিতসহ একটি প্রভাবশালী চক্র। তারা নিজেদের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মাকসুকে দিয়ে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করাতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বক্তারা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, অবিলম্বে এই মাদক কারবারি ও দেহ ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় না আনলে সমাজের ভবিষ্যৎ আরও অন্ধকার হয়ে যাবে।

তারা আরও জানান, ইউনিয়নকে নিরাপদ রাখতে হলে সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বৃদ্ধি ও কার্যকর আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।