মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ইতিহাসকে জবাই করলেও মোছা যায় না ,কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসে: জামায়াত আমির

ইতিহাসকে জবাই করলেও মোছা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘ইতিহাস কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসে। যার যেখানে যে অবদান সেটাকে আমরা স্বীকার করার পক্ষে।’ শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে মুন্সীগঞ্জ শহরের কাচারিতে অবস্থিত একটি পার্টি সেন্টারে জেলা জামায়েত আয়োজিত বার্ষিক সদস্য (রুকন) সম্মেলনে […]

ইতিহাসকে জবাই করলেও মোছা যায় না ,কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসে: জামায়াত আমির

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ জুন ২০২৬, ১১:২৫

ইতিহাসকে জবাই করলেও মোছা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘ইতিহাস কোনো না কোনোভাবে আবার ফিরে আসে। যার যেখানে যে অবদান সেটাকে আমরা স্বীকার করার পক্ষে।’

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে মুন্সীগঞ্জ শহরের কাচারিতে অবস্থিত একটি পার্টি সেন্টারে জেলা জামায়েত আয়োজিত বার্ষিক সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সূচনা লগ্নে আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেক সিনিয়র নেতা ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, কিন্তু আমি মুক্তিযুদ্ধের প্রক্লেমেশন ঘোষণা করছি এটা বলার মতো কেউ ছিল না। স্বাধীনতার ঘোষণা তারা দিতে পারেনি।

এখন তারা যেসব কথা বলে এটা ভিন্ন।’ তিনি বলেন, ‘তারা স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়নি এটাই বাস্তবতা। শেষ পর্যন্ত পরের দিন একজন সামরিক মেজরকে নিয়ে আসা হয় স্বাধীন ঘোষণা দেওয়ার জন্য। আর তিনি হলেন জিয়াউর রহমান।

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা যখন তাদের মনমতো হলো না তখন আবার দ্বিতীয়বার ঘোষণা দেওয়া হলো। সেটাও একজন সামরিক মেজর দিয়েছিলেন। তখন আওয়ামী লীগের একজন সিনিয়র নেতাকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি।’

জামায়াত আমির আরো বলেন, ‘স্বাধীনতার উষালগ্নে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম পতাকা উত্তোলন করেছিলেন আ স ম আব্দুর রব, এটাও কেউ স্বীকার করে না। মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কর্নেল এম. এ. জি ওসমানী তাকেও কেউ স্মরণ করে না। জাতির জন্য যারা জীবন বাজি রেখে অবদান রাখেন তাদের কেউ স্মরণ করতে চায় না।’

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, ‘রাজনীতিতে যারা ক্ষমতায় আসে তাদের লোকজন ছাড়া, আর কাউকে তারা চোখে দেখে না। তখন সব কিছুর অবদান ওই দলের আর ওই দলের নেতাদের।’

২৪ এর গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে তিনি বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান না হলে ২০২৬ সালে নির্বাচনও হতো না। সেই ফ্যাসিবাদই আজ ক্ষমতায় থাকত। শুধু জুলাইয়ে ১৪ শ মানুষ নয়, ১৫ বছর সারা দেশে গুম-খুনের রাজত্ব করেছিল, তারা লুণ্ঠনের রাজত্ব করেছিল। এই দেশে যারা ক্ষমতায় থাকবে, তারা জাতির ইচ্ছায় ক্ষমতায় থাকবে। জাতির অপছন্দ হলে তারা চলে যাবে। এই পরিবর্তনটাই দেশবাসী চেয়েছিল, বিশেষ করে যুবসমাজ।

কিন্তু যুবসমাজের স্বপ্নের বুকে ছুরি মারা হয়েছে। এই পরিবর্তনের জন্য দরকার ছিল সাংবিধানিক সংস্কার যা বর্তমান সরকার অস্বীকার করেছে। শতকরা ৭০ ভাগ মানুষ গণভোটে রায় দিল। সেটাই এখন সরকার অস্বীকার করছে। অথচ এর আগে তারাই বলেছিল গণভোটের রায় যা হবে তা সবাইকে মানতে হবে। এখন তারা বলে নির্বাচনের ওয়াকওয়ে তৈরির জন্য নাকি তারা এটা বলেছিল।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দ্বিতীয় গণভোট হয়েছে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের হাতে। সে সময়েও আপত্তি করেনি। তৃতীয় গণভোট হয়েছে বেগম জিয়ার হাতে, সেটাও মেনে নিয়েছেন। কিন্তু চতুর্থ গণভোট হয়েছে জনগণের হাতে, এটা আপনারা মেনে নেবেন না।’

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমরা ছেড়ে দেব না। কথা ওনারাও দিয়েছিলেন। আমরাও দিয়েছি। কিন্তু আমরা আমাদের জায়গায় আছি। ওনারা সরে গেছেন। আমরা গণভোটের জন্য শেষ লড়াই চালিয়ে যাব। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সেই দাবি আদায় করব। জনগণের রায় বিফলে যাবে না।’

তিনি আরোও বলেন, ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানে কেউ কেউ নিজেদের মাস্টার মাইন্ড। আবার আন্দোলন চলাকালে কোনো দলের বড় নেতা বলেছিল এই আন্দোলন ছাত্রদের। এটার সাথে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। এ ছাড়া তিনি সারা দেশে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নানা বক্তব্য প্রদান করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বর্তমান সরকার আমাদের একটা বাজেট দিয়েছেন। বাজেটে ৫০-৬০টি আইটেমে কর কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাজারে নিত্যপণ্যের দাম এক টাকাও কমেনি। কারণ সব জায়গায় সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেট আবার রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে ও আশ্রয়ে ওই সিন্ডিকেট পরিচালিত হয়।’

এ সময় জামায়াত আমির প্রশ্ন তোলেন, ‘বাজেটে অনেক কর ছাড় দেওয়া হলো, কিন্তু এতে যদি জনগণের জীবনে যদি ইতিবাচক পরিবর্তন, স্বস্তি না আসে তাহলে এটার বেনিফিট কে নিচ্ছে?’

মুন্সীগঞ্জ জেলা জামায়েতের আমির আ.জ.ম রুহুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চলের পরিচালক সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফখরুদ্দিন রাজি, মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক ফজলুল করিম প্রমুখ।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮২

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০০
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০০

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০০