সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

তদন্তে সাক্ষী হওয়ায় কর্মচারীকে বদলি চেষ্টার অভিযোগ যবিপ্রবি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

যবিপ্রবি প্রতিনিধি  অপকর্মের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়ায় কর্মচারীকে বদলি চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোঃ জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে। তিনি রেজিস্ট্রার দপ্তরের নিরাপত্তা ও এস্টেট শাখার উপপরিচালক। ইতিপূর্বে একাধিক অনিয়ম ও অপকর্মের অভিযোগ থাকলেও অদৃশ্য শক্তিবলে স্বপদে আছেন এই কর্মকর্তা। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।  জানা যায়, চলতি বছরের গত […]

তদন্তে সাক্ষী হওয়ায় কর্মচারীকে বদলি চেষ্টার অভিযোগ যবিপ্রবি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ অক্টোবর ২০২৫, ২১:২৩

যবিপ্রবি প্রতিনিধি 

অপকর্মের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়ায় কর্মচারীকে বদলি চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোঃ জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে। তিনি রেজিস্ট্রার দপ্তরের নিরাপত্তা ও এস্টেট শাখার উপপরিচালক। ইতিপূর্বে একাধিক অনিয়ম ও অপকর্মের অভিযোগ থাকলেও অদৃশ্য শক্তিবলে স্বপদে আছেন এই কর্মকর্তা। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। 

জানা যায়, চলতি বছরের গত ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডরমিটরি থেকে কিছু আসবাবপত্র লোপাট চেষ্টার অভিযোগ ওঠে যবিপ্রবির কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে তারই দপ্তরে কর্মরত পরিচ্ছন্নতা কর্মী নারায়ণ বিশ্বাস তদন্ত কমিটির কাছে সাক্ষ্য প্রদান করে। এরপর থেকেই ঐ পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে আবারও অভিযোগ ওঠে এই জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী কর্মচারী নারায়ণ বিশ্বাসের বরাতে জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর অসুস্থ সন্তানকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কারণে কর্মস্থলে উপস্থিত হতে না পারায় নিরাপত্তা কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন জুয়েলকে ফোনে বিষয়টি জানান।

তিনি নারায়ণকে নিরাপত্তা ও এস্টেট শাখার আরেক কর্মকর্তা মোঃ আজমল হোসেন পান্নুকে ফোন দিয়ে এ বিষয়ে জানাতে বলেন। কিন্তু পান্নুকে একাধিকবার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করেনি তিনি। পরবর্তীতে বিভিন্ন সূত্রে নারায়ণ জানতে পারেন মো. জাহাঙ্গীর কবিরের নির্দেশনায় পান্নু ফোন রিসিভ করেনি। 

লিখিত ছুটি ব্যতীত কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় কর্মকর্তা পান্নুকে দিয়ে ঐ কর্মচারী নারায়ণের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনিয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর চিঠি দেওয়ার চেষ্টা করেন জাহাঙ্গীর কবির। কিন্তু পান্নু চিঠিতে স্বাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে সফল না হয়ে নারায়ণ বিশ্বাসকে ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসে বদলির জন্য বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করছে বলে অভিযোগ উঠে। 

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কর্মচারী নারায়ণ বিশ্বাস বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো চাই তাই আমি আসবাবপত্র লোপাটের ঘটনায় তদন্ত কমিটির কাছে সত্য সাক্ষ্য দিয়েছিলাম। কিন্তু জাহাঙ্গীর কবির স্যার সেটা পছন্দ করেননি। তাই তিনি বিভিন্নভাবে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।

সে আমাকে দূরের ক্যাম্পাসে বদলি করার মাধ্যমে আমার ক্ষতি করতে চাই। আমি এমনিতেই অসহায় মানুষ, আমাকে ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসে বদলি করা হলে আমার পরিবারের জন্য অনেক কষ্টকর হয়ে যাবে। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে মহাবিপদে পড়ে যাবো আমি।

অভিযোগের ব্যাপারে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (নিরাপত্তা ও এস্টেট শাখা) মোঃ জাহাঙ্গীর কবির বলেন, এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার বিরুদ্ধে যারা এমন অভিযোগ তুলছে, আমি মনে করি তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোঃ ওমর ফারুক বলেন, তাঁর দুইটি অভিযোগের ভিত্তিতে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

সাক্ষী হওয়া কর্মচারীকে হয়রানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের আগেই জাহাঙ্গীরকে এবিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। যেন তিনি কোনো অধীনস্থ কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক আচরণ না করেন। তবে নতুন করে যদি তার বিরুদ্ধে এমন কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায় তবে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে তার বিরুদ্ধে আরও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল মজিদ বলেন, ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্ত বোর্ড তাঁর ব্যাপারে শাস্তির সুপারিশ করলে সামনের রিজেন্ট বোর্ডে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। 

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের জব্দকৃত আসবাবপত্র লোপাট চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে স্টেট শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে। এছাড়াও আউটসোর্সিং জনবল হিসেবে কর্মরত পাঁচজন অনুপস্থিত কর্মচারীর নামে ভুয়া বেতনশিট তৈরি ও সিকিউরিটি সার্ভিস কোম্পানি ‘বিএসএস’র সঙ্গে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদনে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায় তার বিরুদ্ধে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।