শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

তদন্তে সাক্ষী হওয়ায় কর্মচারীকে বদলি চেষ্টার অভিযোগ যবিপ্রবি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

যবিপ্রবি প্রতিনিধি  অপকর্মের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়ায় কর্মচারীকে বদলি চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোঃ জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে। তিনি রেজিস্ট্রার দপ্তরের নিরাপত্তা ও এস্টেট শাখার উপপরিচালক। ইতিপূর্বে একাধিক অনিয়ম ও অপকর্মের অভিযোগ থাকলেও অদৃশ্য শক্তিবলে স্বপদে আছেন এই কর্মকর্তা। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।  জানা যায়, চলতি বছরের গত […]

তদন্তে সাক্ষী হওয়ায় কর্মচারীকে বদলি চেষ্টার অভিযোগ যবিপ্রবি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ অক্টোবর ২০২৫, ২১:২৩

যবিপ্রবি প্রতিনিধি 

অপকর্মের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়ায় কর্মচারীকে বদলি চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোঃ জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে। তিনি রেজিস্ট্রার দপ্তরের নিরাপত্তা ও এস্টেট শাখার উপপরিচালক। ইতিপূর্বে একাধিক অনিয়ম ও অপকর্মের অভিযোগ থাকলেও অদৃশ্য শক্তিবলে স্বপদে আছেন এই কর্মকর্তা। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। 

জানা যায়, চলতি বছরের গত ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডরমিটরি থেকে কিছু আসবাবপত্র লোপাট চেষ্টার অভিযোগ ওঠে যবিপ্রবির কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে তারই দপ্তরে কর্মরত পরিচ্ছন্নতা কর্মী নারায়ণ বিশ্বাস তদন্ত কমিটির কাছে সাক্ষ্য প্রদান করে। এরপর থেকেই ঐ পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে আবারও অভিযোগ ওঠে এই জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী কর্মচারী নারায়ণ বিশ্বাসের বরাতে জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর অসুস্থ সন্তানকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কারণে কর্মস্থলে উপস্থিত হতে না পারায় নিরাপত্তা কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন জুয়েলকে ফোনে বিষয়টি জানান।

তিনি নারায়ণকে নিরাপত্তা ও এস্টেট শাখার আরেক কর্মকর্তা মোঃ আজমল হোসেন পান্নুকে ফোন দিয়ে এ বিষয়ে জানাতে বলেন। কিন্তু পান্নুকে একাধিকবার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করেনি তিনি। পরবর্তীতে বিভিন্ন সূত্রে নারায়ণ জানতে পারেন মো. জাহাঙ্গীর কবিরের নির্দেশনায় পান্নু ফোন রিসিভ করেনি। 

লিখিত ছুটি ব্যতীত কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় কর্মকর্তা পান্নুকে দিয়ে ঐ কর্মচারী নারায়ণের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনিয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর চিঠি দেওয়ার চেষ্টা করেন জাহাঙ্গীর কবির। কিন্তু পান্নু চিঠিতে স্বাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে সফল না হয়ে নারায়ণ বিশ্বাসকে ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসে বদলির জন্য বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করছে বলে অভিযোগ উঠে। 

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কর্মচারী নারায়ণ বিশ্বাস বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো চাই তাই আমি আসবাবপত্র লোপাটের ঘটনায় তদন্ত কমিটির কাছে সত্য সাক্ষ্য দিয়েছিলাম। কিন্তু জাহাঙ্গীর কবির স্যার সেটা পছন্দ করেননি। তাই তিনি বিভিন্নভাবে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।

সে আমাকে দূরের ক্যাম্পাসে বদলি করার মাধ্যমে আমার ক্ষতি করতে চাই। আমি এমনিতেই অসহায় মানুষ, আমাকে ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসে বদলি করা হলে আমার পরিবারের জন্য অনেক কষ্টকর হয়ে যাবে। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে মহাবিপদে পড়ে যাবো আমি।

অভিযোগের ব্যাপারে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (নিরাপত্তা ও এস্টেট শাখা) মোঃ জাহাঙ্গীর কবির বলেন, এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার বিরুদ্ধে যারা এমন অভিযোগ তুলছে, আমি মনে করি তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোঃ ওমর ফারুক বলেন, তাঁর দুইটি অভিযোগের ভিত্তিতে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

সাক্ষী হওয়া কর্মচারীকে হয়রানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের আগেই জাহাঙ্গীরকে এবিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। যেন তিনি কোনো অধীনস্থ কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক আচরণ না করেন। তবে নতুন করে যদি তার বিরুদ্ধে এমন কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায় তবে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে তার বিরুদ্ধে আরও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল মজিদ বলেন, ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্ত বোর্ড তাঁর ব্যাপারে শাস্তির সুপারিশ করলে সামনের রিজেন্ট বোর্ডে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। 

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের জব্দকৃত আসবাবপত্র লোপাট চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে স্টেট শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জাহাঙ্গীর কবিরের বিরুদ্ধে। এছাড়াও আউটসোর্সিং জনবল হিসেবে কর্মরত পাঁচজন অনুপস্থিত কর্মচারীর নামে ভুয়া বেতনশিট তৈরি ও সিকিউরিটি সার্ভিস কোম্পানি ‘বিএসএস’র সঙ্গে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদনে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায় তার বিরুদ্ধে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।