বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

১৫ ব্যাচের অন্তর্ভুক্তি এবং হলের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি নিয়ে ধোঁয়াশা কাটালো জবি প্রশাসন

রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি পর্যাপ্ত হল না থাকায় আবসন সংকট নিয়ে শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘব করতে লং মার্চ টু যমুনা আন্দোলনের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা বিশেষ বৃত্তি অর্থাৎ আবাসন বৃত্তি আদায় করেন। কিন্তু ৭০% শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পাবেন বলে কোন শিক্ষার্থীরা কোন কোন মানদন্ডে এই বৃত্তি পাবেন তা নিয়ে তৈরা হয়েছে ধোঁয়াশা। ১৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) জবি […]

১৫ ব্যাচের অন্তর্ভুক্তি এবং হলের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি নিয়ে ধোঁয়াশা কাটালো জবি প্রশাসন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৬ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৪৫

রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি

পর্যাপ্ত হল না থাকায় আবসন সংকট নিয়ে শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘব করতে লং মার্চ টু যমুনা আন্দোলনের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা বিশেষ বৃত্তি অর্থাৎ আবাসন বৃত্তি আদায় করেন। কিন্তু ৭০% শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পাবেন বলে কোন শিক্ষার্থীরা কোন কোন মানদন্ডে এই বৃত্তি পাবেন তা নিয়ে তৈরা হয়েছে ধোঁয়াশা।

১৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) জবি প্রক্টর এবং অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে দৈনিক সকালের প্রতিনিধিকে এসব বিষয় সম্পর্কে অবগত করেন।

১৫ ব্যাচ বিশেষ প্রপ্তীর ক্ষেত্রে বিবেচিত হবে কি না তা নিয়ে অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক এবং বিশেষ বৃত্তি প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সদস্য সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, “২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ অর্থাৎ ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীরাও বিবেচিত হবেন তবে ১৬ থেকে ২০ ব্যাচ অগ্রাধিকার পাবে।”

হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রপ্তি নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে বৃত্তি প্রদান করতে। ফলে যারা হলে আছেন তারা যেহেতু ইতোমধ্যেই একটি সুবিধা পাচ্ছেন তাই তাদের চেয়ে যারা প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এসে এখানে থাকছেন এবং অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে আমরা তাদের প্রাধান্য দিবো। তবে আসসুন্নাহতেও যেহেতু নির্দিষ্ট একটি মাসিক বেতন দিতে হয় তাই সেটাও আমরা বিবেচনায় রেখে তালিকা চূড়ান্ত করবো।”

যেসব শিক্ষার্থীর বাবা মায়ের মধ্যে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মারা গেছেন এবং অভিভাবক হিসেবে থাকা (যেমন: মা গৃহকর্মী হলে) ব্যক্তির উপার্জন না থাকলে তাদের আয়ের সনদ কিভাবে সংগ্রহ করবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এই সমস্যাটি ছাড়াও আরও কিছু সমস্যা আমরা ফাইন্ড আউট করেছে বা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পেয়েছি। আমি সব নোট ডাউন করে রাখছি। সেরকম হলে আমরা বিষয়গুলো আমলে নিয়ে খুব দ্রুতই নতুন একটি নতুন নির্দেশনা প্রদান করবো।”

সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ বৃত্তি (আবাসন বৃত্তি) কে মেধাবৃত্তি আখ্যায়িত করে সমালোচনার বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, “আমরা সেখানে অনেক তথ্যই নিচ্ছি তার মানে এই না যে সব তথ্যকেই আমরা সমান প্রাধান্য দিবো। প্রথমে অমরা অর্থনৈতিকভাবে যারা অসচ্ছল তাদেরকেই প্রাধান্য দিবো, কিন্তু কোনো ক্ষেত্রে একাধিক শিক্ষার্থী অর্থনৈতিক অবস্থা একই হলে তখন আমরা মেধার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করবো।”

বিভিন্ন মেস ও বাসার রশীদ নিয়ে জটিলতার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যেই এই সমস্যাটি সম্পর্কে অবগত আছি। এক্ষেত্রে ঐসব শিক্ষার্থীরা একটি কমন রশীদ সংগ্রহ করে সকল তথ্য যথাযথভাবে পূরণ করে বাসা বা মেস মালিকের স্বাক্ষর সংগ্রহ করবেন।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।