সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ডাক্তার বিহীন কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতাল, রোগীদের দুর্ভোগ চরমে

রবিউল আলম , কুমিল্লা প্রতিনিধি রোববার (১৭ নভেম্বর) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শত শত রোগী চিকিৎসার জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। সকাল ৯টায় বহি:বিভাগে গিয়ে দেখা যায়, নিচ তলা ও দ্বিতীয় তলার কোন কক্ষেই ডাক্তার নেই।হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো: মাসুদ পারভেজের সাথে ঠিক পৌনে নয়টায় মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আমি ঢাকা থেকে […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ নভেম্বর ২০২৪, ১৬:২৯

রবিউল আলম , কুমিল্লা প্রতিনিধি

রোববার (১৭ নভেম্বর) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শত শত রোগী চিকিৎসার জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। সকাল ৯টায় বহি:বিভাগে গিয়ে দেখা যায়, নিচ তলা ও দ্বিতীয় তলার কোন কক্ষেই ডাক্তার নেই।হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো: মাসুদ পারভেজের সাথে ঠিক পৌনে নয়টায় মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আমি ঢাকা থেকে আসতেছি।

প্রত্যেক ডাক্তারকে রোস্টার করে দেওয়া আছে। যদি কোন ডাক্তার দায়িত্ব পালন না করে বা দায়িত্বে অবহেলা করে তাহলে আমার কি করার আছে। হাসপাতালে উপ-পরিচালক ও সহকারী পরিচালক আছে তাদের সাথে দেখা করেন।” অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের পরিচালক শুক্র ও শনিবার ঢাকায় থাকেন এবং হাসপাতালে অফিস করেন না।

ঠিক নয়টা বাজতে দুই মিনিট বাকী থাকতেই দেখা যায়, উপ-পরিচালক ও সহকারী পরিচালকের চেয়ারও খালি। তাদের খালি চেয়ারের ছবি তুলতে গেলে কয়েকজন জিজ্ঞাসা করেন, “ভাই ছবি তুলেন কেন?” প্রতিবেদক জানান, “এমনিতে।” পরিচালকের কক্ষের সামনে বসে অপেক্ষা করতে থাকেন। ২ মিনিট পর পরিচালক আসেন এবং কক্ষে প্রবেশ করেন। তিনি বলেন, “দেখেন আমি মাত্র ঢাকা থেকে এসেছি। এখনো নাস্তা পর্যন্ত করিনি।

” একজন নাস্তা দিতে চাইলে তিনি মেজাজ দেখিয়ে বলেন, “কখন কি করতে হবে তাও বুঝতে পারোনা।” অথচ ১ মিনিট আগেই তিনি বলেছিলেন, “আমাকে নাস্তা দাও।”পরিচালক একজনকে ডেকে বলেন, “সাংবাদিকের রোগীটাকে দেখিয়ে দাও।” নিচ তলায় গিয়ে দেখা যায়, একজন ইন্টার্নী এবং একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগী দেখছেন, যদিও তিনি এখানের ডাক্তার নন।

তবে ১২০ নং কক্ষে ও অন্যান্য কক্ষে এখনো কোন ডাক্তার আসেনি। চক্ষু ডাক্তার শ্বাস কষ্টের রোগী হওয়ায় তিনি নিজেই অসুস্থ্য, তাই আসতে দেরি হচ্ছে। দ্বিতীয় তলায়ও কোন রোগী দেখতে পাওয়া যায়নি। ২১৭ নং কক্ষে একজন সার্জারী ডাক্তারের রুমে গিয়ে দেখা যায়, একজন ওয়ার্ডবয় রোগীকে ড্রেসিং করছেন।নিচ তলায় ১২৪ নং কক্ষের সামনে দাঁড়ানো নুরপুরের বাবুল মিয়া (৪৮) জানান, “সকাল ৭টায় এসেছি।

এখন ৯টা বাজে সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে আছি। ডাক্তারের কোন খবর নেই।” দেবিদ্বারের তালতলা এলাকার অহিদ উদ্দিন (৪৫) জানান, “আমি ৭টায় এসেছি। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছি কিন্তু ডাক্তার এখনো আসেনি। দীর্ঘ লাইনে এত রোগী ডাক্তার কখন দেখবে জানিনা। আমাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই।”১২৩ নং কক্ষের সামনে দাঁড়ানো নাজমা (৩০) জানান, “আমি কুমিল্লা ইপিজেডে ব্রান্ডিক্স কোম্পানীতে চাকুরী করি।

অফিস থেকে ছুটি নিয়ে সকাল সাড়ে ৭টায় এখানে সিরিয়ালে দাঁড়িয়েছি। এখন ৯টা বেজে গিয়েছে কিন্তু ডাক্তার এখনো চেম্বারে আসছেন না। আমি ডাক্তার দেখিয়ে কখন অফিসে যাব এখনো বলতে পারছিনা।”চান্দিনার তুলাতুলি এলাকার ছালমা জানান, “ভোরে ৬টায় চলে এসেছি সিরিয়ালে আগে রোগী দেখানোর জন্য। যদি পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হয় তাই পরীক্ষা করিয়ে একেবারে রিপোর্ট দেখিয়ে চলে যাব।

কিন্তু সকাল সকাল এসেও কোন কাজ হচ্ছেনা। এখনো ডাক্তার আসেননি। আজকে মনে হয় ডাক্তার দেখিয়ে আবার কাল আসতে হবে।”হাসপাতালের পরিচালককে কোনো সাংবাদিক ফোন দিলে তিনি কোনো প্রকার তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন না। পরিচালকের অসৌজন্যমূলক আচরণে কুমিল্লায় কর্মরত সংবাদকর্মীরা ক্ষুব্ধ।

এবিষয়ে কুমেক হাসপাতাল পরিচালক ডা. মো: মাসুদ পারভেজের বক্তব্য নিতে গেলে তিনি বলেন, “আপনার যা ইচ্ছা তাই লিখুন।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।