সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ডাক্তার বিহীন কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতাল, রোগীদের দুর্ভোগ চরমে

রবিউল আলম , কুমিল্লা প্রতিনিধি রোববার (১৭ নভেম্বর) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শত শত রোগী চিকিৎসার জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। সকাল ৯টায় বহি:বিভাগে গিয়ে দেখা যায়, নিচ তলা ও দ্বিতীয় তলার কোন কক্ষেই ডাক্তার নেই।হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো: মাসুদ পারভেজের সাথে ঠিক পৌনে নয়টায় মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আমি ঢাকা থেকে […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ নভেম্বর ২০২৪, ১৬:২৯

রবিউল আলম , কুমিল্লা প্রতিনিধি

রোববার (১৭ নভেম্বর) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শত শত রোগী চিকিৎসার জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। সকাল ৯টায় বহি:বিভাগে গিয়ে দেখা যায়, নিচ তলা ও দ্বিতীয় তলার কোন কক্ষেই ডাক্তার নেই।হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো: মাসুদ পারভেজের সাথে ঠিক পৌনে নয়টায় মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আমি ঢাকা থেকে আসতেছি।

প্রত্যেক ডাক্তারকে রোস্টার করে দেওয়া আছে। যদি কোন ডাক্তার দায়িত্ব পালন না করে বা দায়িত্বে অবহেলা করে তাহলে আমার কি করার আছে। হাসপাতালে উপ-পরিচালক ও সহকারী পরিচালক আছে তাদের সাথে দেখা করেন।” অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের পরিচালক শুক্র ও শনিবার ঢাকায় থাকেন এবং হাসপাতালে অফিস করেন না।

ঠিক নয়টা বাজতে দুই মিনিট বাকী থাকতেই দেখা যায়, উপ-পরিচালক ও সহকারী পরিচালকের চেয়ারও খালি। তাদের খালি চেয়ারের ছবি তুলতে গেলে কয়েকজন জিজ্ঞাসা করেন, “ভাই ছবি তুলেন কেন?” প্রতিবেদক জানান, “এমনিতে।” পরিচালকের কক্ষের সামনে বসে অপেক্ষা করতে থাকেন। ২ মিনিট পর পরিচালক আসেন এবং কক্ষে প্রবেশ করেন। তিনি বলেন, “দেখেন আমি মাত্র ঢাকা থেকে এসেছি। এখনো নাস্তা পর্যন্ত করিনি।

” একজন নাস্তা দিতে চাইলে তিনি মেজাজ দেখিয়ে বলেন, “কখন কি করতে হবে তাও বুঝতে পারোনা।” অথচ ১ মিনিট আগেই তিনি বলেছিলেন, “আমাকে নাস্তা দাও।”পরিচালক একজনকে ডেকে বলেন, “সাংবাদিকের রোগীটাকে দেখিয়ে দাও।” নিচ তলায় গিয়ে দেখা যায়, একজন ইন্টার্নী এবং একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগী দেখছেন, যদিও তিনি এখানের ডাক্তার নন।

তবে ১২০ নং কক্ষে ও অন্যান্য কক্ষে এখনো কোন ডাক্তার আসেনি। চক্ষু ডাক্তার শ্বাস কষ্টের রোগী হওয়ায় তিনি নিজেই অসুস্থ্য, তাই আসতে দেরি হচ্ছে। দ্বিতীয় তলায়ও কোন রোগী দেখতে পাওয়া যায়নি। ২১৭ নং কক্ষে একজন সার্জারী ডাক্তারের রুমে গিয়ে দেখা যায়, একজন ওয়ার্ডবয় রোগীকে ড্রেসিং করছেন।নিচ তলায় ১২৪ নং কক্ষের সামনে দাঁড়ানো নুরপুরের বাবুল মিয়া (৪৮) জানান, “সকাল ৭টায় এসেছি।

এখন ৯টা বাজে সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে আছি। ডাক্তারের কোন খবর নেই।” দেবিদ্বারের তালতলা এলাকার অহিদ উদ্দিন (৪৫) জানান, “আমি ৭টায় এসেছি। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছি কিন্তু ডাক্তার এখনো আসেনি। দীর্ঘ লাইনে এত রোগী ডাক্তার কখন দেখবে জানিনা। আমাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই।”১২৩ নং কক্ষের সামনে দাঁড়ানো নাজমা (৩০) জানান, “আমি কুমিল্লা ইপিজেডে ব্রান্ডিক্স কোম্পানীতে চাকুরী করি।

অফিস থেকে ছুটি নিয়ে সকাল সাড়ে ৭টায় এখানে সিরিয়ালে দাঁড়িয়েছি। এখন ৯টা বেজে গিয়েছে কিন্তু ডাক্তার এখনো চেম্বারে আসছেন না। আমি ডাক্তার দেখিয়ে কখন অফিসে যাব এখনো বলতে পারছিনা।”চান্দিনার তুলাতুলি এলাকার ছালমা জানান, “ভোরে ৬টায় চলে এসেছি সিরিয়ালে আগে রোগী দেখানোর জন্য। যদি পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হয় তাই পরীক্ষা করিয়ে একেবারে রিপোর্ট দেখিয়ে চলে যাব।

কিন্তু সকাল সকাল এসেও কোন কাজ হচ্ছেনা। এখনো ডাক্তার আসেননি। আজকে মনে হয় ডাক্তার দেখিয়ে আবার কাল আসতে হবে।”হাসপাতালের পরিচালককে কোনো সাংবাদিক ফোন দিলে তিনি কোনো প্রকার তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন না। পরিচালকের অসৌজন্যমূলক আচরণে কুমিল্লায় কর্মরত সংবাদকর্মীরা ক্ষুব্ধ।

এবিষয়ে কুমেক হাসপাতাল পরিচালক ডা. মো: মাসুদ পারভেজের বক্তব্য নিতে গেলে তিনি বলেন, “আপনার যা ইচ্ছা তাই লিখুন।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।