বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

গণরুম সংস্কৃতির অবসান, জাহাঙ্গীরনগরে নিরাপদ ও আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা

হাবিবুর রহমান সাগর,জাবি প্রতিনিধি বাংলাদেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)। সম্প্রতি বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১০ তলা বিশিষ্ট ছয়টি নতুন হল চালু হওয়ায় এখানে আবাসিক সুবিধার পরিধি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে মোট ২১টি আবাসিক হলে শিক্ষার্থীরা সমান সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষা শাখার তথ্য অনুযায়ী, […]

নিউজ ডেস্ক

০২ অক্টোবর ২০২৫, ১৮:২৫

হাবিবুর রহমান সাগর,জাবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)। সম্প্রতি বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১০ তলা বিশিষ্ট ছয়টি নতুন হল চালু হওয়ায় এখানে আবাসিক সুবিধার পরিধি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে মোট ২১টি আবাসিক হলে শিক্ষার্থীরা সমান সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষা শাখার তথ্য অনুযায়ী, এসব হলে আসন সংখ্যা ১৪ হাজার ৩৭৯টি, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ১৪ হাজার। অর্থাৎ, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয়। ।

এ বছর ভর্তি হওয়া ১ হাজার ৮৮৮ শিক্ষার্থীর জন্য শতভাগ আবাসন বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানান শিক্ষা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সদস্যসচিব সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা। তিনি বলেন, “নবীন শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ নিয়ে কোনো জটিলতা হয়নি। সবাই নিজেদের আসনে উঠতে পেরেছে, যা আমাদের জন্য আনন্দের।”

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন ১০ তলা বিশিষ্ট হলগুলোতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়েছে। প্রতিটি হলে রয়েছে- লিফট ব্যবস্থা, ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা, ,পাঠাগার ও কমনরুম, খাবার ঘর ও ক্যান্টিন, ওয়াই-ফাই সংযোগ,

আধুনিক স্যানিটেশন সুবিধা, এসব সুবিধার কারণে শিক্ষার্থীরা শুধু সিটই পাচ্ছেন না, বরং নিরাপদ ও অনুকূল আবাসন পরিবেশ পাচ্ছেন।

নতুন শিক্ষার্থীরাও এ সুযোগে সন্তুষ্ট। সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী সাবিদ আবদুর রহমান জানান, “আমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে সিট পেয়েছি। আগে শুনতাম জাবি পুরোপুরি আবাসিক, আজ তা নিজে অনুভব করতে পারছি। ভর্তি হয়েই সিট পাওয়া আমার জন্য সৌভাগ্যের।”

তবে পুরোনো শিক্ষার্থীদের অভিমত ভিন্ন। তাদের অভিযোগ, অতীতে প্রশাসনের নীরব সম্মতিতে আবাসন সংকট কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হতো। রাজনৈতিক অঙ্গসংগঠনের প্রভাবশালী কর্মীরা কক্ষ দখল করে রাখতেন, এমনকি অনেক প্রাক্তন শিক্ষার্থীও অবৈধভাবে হলে অবস্থান করতেন। তাদের মতে, এ ধরনের সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ অপরিহার্য।

শতভাগ আবাসন নিশ্চিত হলেও শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। তারা চান- প্রতিটি হলে আধুনিক পাঠাগার ও আইটি ল্যাব প্রতিষ্ঠা হোক। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য ইনডোর স্টেডিয়াম এবং ওপেন-এয়ার থিয়েটার থাকুক।

পরিবেশবান্ধব আবাসন নিশ্চিত করতে হলে সোলার প্যানেল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট চালু করা হোক। নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থা আরও উন্নত করা হোক। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও কল্যাণের জন্য কাউন্সেলিং সেন্টার ও হেলথ কেয়ার সুবিধা শক্তিশালী করা হোক।

এ প্রসঙ্গে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টি পূর্ণাঙ্গ আবাসিক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে তা দীর্ঘ সময় নিশ্চিত হয়নি।

গত কয়েক দশকে গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, যার বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রশাসনিক ও সামাজিক সহযোগিতায় শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। আমরা চাই ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক।”

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।