মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ভারতে আওয়ামী আস্তানা উদঘাটন, কলকাতার ডিপ স্টেটের হেফাজতে আ,লীগ নেতারা

জুলাইয়ের ছাত্র-জনতা গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের আস্তানা উদ্‌ঘাটিত হয়েছে। তারা কলকাতায় মূল আস্তানা গেড়েছেন। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (আইবি) বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে কলকাতায় অবস্থান নেওয়া এমন ৭৩৪ পলাতক আওয়ামী ফ্যাসিস্টের একটি ডেটাবেস তৈরি করেছে। এই ডেটাবেসে তাদের নাম-ঠিকানা, পাসপোর্ট ও টেলিফোন নম্বরও উল্লেখ রয়েছে। ডেটাবেসটি আমাদের হাতে এসেছে। এক […]

ভারতে আওয়ামী আস্তানা উদঘাটন, কলকাতার ডিপ স্টেটের হেফাজতে আ,লীগ নেতারা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৫৮

জুলাইয়ের ছাত্র-জনতা গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের আস্তানা উদ্‌ঘাটিত হয়েছে। তারা কলকাতায় মূল আস্তানা গেড়েছেন। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (আইবি) বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে কলকাতায় অবস্থান নেওয়া এমন ৭৩৪ পলাতক আওয়ামী ফ্যাসিস্টের একটি ডেটাবেস তৈরি করেছে।

এই ডেটাবেসে তাদের নাম-ঠিকানা, পাসপোর্ট ও টেলিফোন নম্বরও উল্লেখ রয়েছে। ডেটাবেসটি আমাদের হাতে এসেছে।

এক অনুসন্ধানে এ তথ্য ছাড়াও পলাতকদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। গত বছর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে চলে যাওয়ার পরপরই এসব নেতা ভারতে পালিয়ে যায়। পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের স্ত্রী-সন্তানও সেখানে অবস্থান করছেন।

কোনো কোনো নেতা তাদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, বাড়ির কাজের লোকও সঙ্গে নিয়ে গেছেন। পলাতক আওয়ামী নেতাদের নাম-ঠিকানা সংবলিত এই ডেটাবেসে তাদের পরিবারের সদস্যদের তথ্য সন্নিবেশ করা হয়েছে।

ভারতে অবস্থান করা এসব নেতার মধ্যে কয়েকজন ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে কথাও বলেছেন। তাদের কেউ কেউ পালিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকারও করেছেন। কয়েকজনকে বিভিন্ন বিদেশি গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত টকশোতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের কঠোর সমালোচনা করতে দেখা গেছে।

অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, পলাতক নেতাদের কাছে বাংলাদেশি পাসপোর্ট রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে এসব নেতার পাসপোর্ট ৫ আগস্টের পরপরই বাতিল করা হয়েছে। এরপরও ওই পাসপোর্ট তারা কীভাবে পেয়েছেন—তা রহস্যজনক। আরো জানা গেছে, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করছেন কলকাতায় অবস্থানরত একাধিক পুলিশ ও সামরিক কর্মকর্তা। অনুসন্ধানে এও জানা গেছে, পলাতকরা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বিপুল অর্থ পাচার করেছেন।

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রথম দিকে শহরের পার্ক, মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে দেখা গেলেও বর্তমানে তাদের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, এসব নেতার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তাদের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এ কারণে তারা নির্দিষ্ট কিছু এলাকার বাইরে যাচ্ছেন না।

এদিকে কলকাতায় অবস্থিত আওয়ামী লীগ নেতাদের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এসব নেতার পারিবারিক ব্যয়ের প্রায় পুরোটাই নিয়মিত বাংলাদেশ থেকেই যাচ্ছে। এর সিংহভাগই হুন্ডির মাধ্যমে যায় বলে সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

পলাতক শেখ হাসিনার আশ্রয় হয়েছে দিল্লির অভিজাত লুটিয়েন্স বাংলো জোনের সুরক্ষিত একটি বাড়িতে। বাংলোর ঠিকানা হলো ১১ রাজাজি মার্গ। বাকি আওয়ামী নেতারা আস্তানা গেড়েছেন কলকাতায়। ওবায়দুল কাদের, শেখ সেলিম, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ও আসাদুজ্জামান খান কামালের মতো ক্ষমতাচ্যুত মন্ত্রী এবং শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে একেবারে ইউনিয়ন পর্যায়ের অনেক নেতার বসবাস এখন কলকাতায়।

জুলাই গণহত্যা এবং বিগত ১৫ বছর ধরে গুম, খুন, নির্যাতন, বেপরোয়া দুর্নীতিসহ নানা অপকর্মে জড়িত আ.লীগ নেতার পাশাপাশি ওই সরকারের শীর্ষ আমলা, পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা, নির্বাচন কমিশনার, সরকারি আইনজীবীসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সামরিক বাহিনীর শীর্ষ জেনারেলরাও আশ্রয় নিয়েছেন কলকাতায়। অনুসন্ধানে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩১০

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩১০
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩১০

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৯১