সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

কলকাতায় বসে চালাচ্ছেন বরিশালের ব্যবসা, আ.লীগ নেতার লাইসেন্সে ভারতে যাচ্ছে ইলিশ!

৪টি লাইসেন্স হাতে নিয়ে টুটুলের মোট রফতানি ক্ষমতা প্রায় দুইশ টন পর্যন্ত দাঁড়াতে পারে—যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ কোটি ৬০ লাখ টাকা

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:১৩

বরিশালের পোর্ট রোডে বহুদিন ধরেই অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার ছায়া চলে আসছিল। এবার সেই অন্ধকারেই যেন আরও হট্টগোল বাড়ল—আবিষ্কার হলো, আওয়ামী লীগ নেতা নিরব হোসেন টুটুল চারটি লাইসেন্সে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছেন। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীদের আভাস অনুযায়ী, ইতোমধ্যে টুটুলের লাইসেন্সে কলকাতায় গিয়েছে প্রায় দুই হাজার কেজি ইলিশ। এমন তথ্য শুনে বাজার-অবস্থা আর রাজনীতি দুইটাই উত্তাল।

টুটুল সম্পর্কে বরিশালে প্রচারিত কাহিনী তো নতুন কিছু নয়। সাদিক আবদুল্লাহর সময় বরিশালের দ্বিতীয় মেয়র হিসেবেই পরিচিত টুটুল ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক। সাদিক আবদুল্লাহর নিকটস্থ সহচরী হিসেবে তার ভূমিকা গুরুতর ছিল—নগর জীবনের হাট, বাজার, বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত কেমন করে নিয়ন্ত্রণ ছিল, তা সমালোচকরা বারবার উচ্চারণ করে এসেছে। কুয়াকাটা সফরে পায়ে আঘাত লাগার পরও তিনি বরিশালের অনেক জায়গায় দাপট বজায় রেখেছেন, এক পায়ে চললেও টুটুলের প্রভাব কমেনি। আর আজ তার আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে মৎস্য ব্যবসাকেই চিহ্নিত করছেন অনেকে।

বিষয়টি আরও গরম হয়েছে কারণ সরকারি তালিকায় টুটুলের চারটি প্রতিষ্ঠানের নাম আছে। ওই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— মাহিমা এন্টারপ্রাইজ, তানিসা এন্টারপ্রাইজ, নাহিয়ান এন্টারপ্রাইজ এবং এআর এন্টারপ্রাইজ। মাহিমা ও তানিসা নামের দুইটি লাইসেন্স টুটুলের দুই মেয়ের নামে করা হয়েছে। বাকি দুটি লাইসেন্সে নাম রয়েছে তার ছোট মামা বাবর ও মামাতো ভাই আকাশের নামে। ২০১৯ সালে পূজার সময় থেকে শুরু হওয়া ইলিশ রপ্তানির প্রক্রিয়ায় টুটুল নিয়মিতভাবে অংশ নিচ্ছেন বলে চলছে সমালোচনা।

সরকারি নিয়ম মেনে এ বছর একটি লাইসেন্সের বিপরীতে ২০ থেকে ৫০ টন পর্যন্ত ইলিশ রপ্তানি করার শর্ত থাকলেও, ৪টি লাইসেন্স হাতে নিয়ে টুটুলের মোট রফতানি ক্ষমতা প্রায় দুইশ টন পর্যন্ত দাঁড়াতে পারে—যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। বেনাপোল স্থলবন্দরের মৎস্য কোয়ারেন্টিন বিভাগের কর্মকর্তা আকসাদুল ইসলামও নিশ্চিত করেছেন, তানিসা এন্টারপ্রাইজ বৃহস্পতিবার ১ হাজার ৩৬০ কেজি ইলিশ পাঠিয়েছে ভারতে। আর সূত্র বলছে, শুরু হওয়া রপ্তানির মাত্র দুই দিনে ওই প্রতিষ্ঠান পাঠিয়েছে প্রায় দুই হাজার কেজি ইলিশ। তাতেই বোঝা যায়, কৌশল করে নেওয়া লাইসেন্সকে কার্যকর রপ্তানিতে পরিণত করা হয়েছে।

স্থানীয় আড়তদারদের অভিযোগও তুঙ্গে। তারা বলছেন, টুটুল নিতান্তই রপ্তানির পেছনেই বসে নেই—মোকামে যারা ব্যবসা করছে, তারা সকলে তার লোকজনের মাধ্যমে মাছ সংগ্রহ করছে। পোর্ট রোডের মোকাম এখনো টুটুলের ছায়ায় চলছে—আড়তদাররা বলেন, ৫ আগস্টের আগের মতোই মোড়ে এলসি সাইজের ইলিশগুলো টুটুলের লোকজনই ক্রয় করছে। এমনকি উঠে এসেছে অভিযোগ, টুটুলের পক্ষে কাজ করছেন বিএনপির প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা, আর বিনিময়ে তাদের সু-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। মৎস্য আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের বরিশাল মহানগর কমিটির সদস্য সচিব কামাল সিকদার এই মোকাম “সবাওলে আমার একা কাজের স্থান নয়” বলে বিবৃতি দিয়েছেন এবং বলেছেন, ইলিশ রপ্তানির অনুমতি সরকারি হওয়ায় সে আইনগত বাধা তিনি দিতে পারেন না।

তবে আড়ত-মহল আর সাধারণ মানুষের বক্তব্যের মধ্যে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এক তত্ত্ব ঘুরছে—যদি স্থানীয় সরকার বা সংস্থাগত কর্তারা চাইলেই টুটুলের ব্যবসা বন্ধ করতে পারতেন, কেন তা হয়নি? সেখানে তিনটা প্রশ্ন উঠে আসে সুস্পষ্টভাবে—এক হলো লাইসেন্স কেন এমনভাবে আসে যে একই ব্যক্তির ঘনিষ্ঠজনের নামে আলাদা আলাদা প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়া হলো, দুই হলো ৫ আগস্টের পর টুটুল ভারতে পালিয়ে গেলেও কিভাবে রহস্যজনকভাবে মুক্তি পেয়ে আবার ব্যবসা চালাতে সক্ষম হলেন, তিন হলো স্থানীয় শক্তি-সংযুক্তরা কেন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিল না। এসব প্রশ্ন এখনও অনায়াসে থেকে যাচ্ছে।

টুটুলের বিরুদ্ধে বরিশালে ইতিমধ্যেই ৭টি মামলা হয়ে গেছে বলে জানা যায়। ৫ আগস্টের পর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর থেকে ধরা পড়ে তিনি, পরে রহস্যজনকভাবে ছাড়া পেয়ে কলকাতায় চলে যান এবং সেখান থেকেই ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করছেন—এসব বিষয়ের পেছনে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জটিলতা রয়েছে বলে অনুসন্ধানে দেখা যায়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, মোকামের সভাপতি-সম্পাদক পদে যারা বসে আছেন, তারা জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতা; তাদের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় টুটুলের ব্যবসা বন্ধ না করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কথা বলা হয়েছে কলকাতায় অবস্থানরত নিরব হোসেন টুটুলের ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে, কিন্তু প্রতিউত্তর মেলেনি। বরিশালের পোর্ট রোড থেকে শুরু করে ইলিশ রফতানি শৃঙ্খলে যে আঁধার টানা পড়েছে, সেটি শুধুই একটি ব্যক্তির নয়—এখানে জড়িয়ে আছে রাজনৈতিক চক্র, ব্যবসায়িক ঘনিষ্ঠতা এবং সরকারি অনুমোদনের লঙ্ঘন। জনগণ এরইমধ্যে প্রশ্ন তুলছে—কতটা স্বচ্ছ এবং কতটা ন্যায্যভাবে দেশের সম্পদ নিয়ে এই ধরনের লেনদেন চলবে?

এ বেলায় মৎস্যসম্পদ রপ্তানি ও স্থানীয় নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে সরকারের জবাবদিহিতা অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। প্রশ্নগুলো যতদিনই অজানা থাকবে, ততদিনই প্রহসনের মতো এই বাজার-রাজনীতি জনদুর্ভোগ বাড়াবে এবং বরিশালের নাম কোনোভাবেই পরিষ্কার থাকবে না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩০৩

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৮৩
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৮৩

রাজনীতি

বিএনপি থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ মার্চ ২০২৬, ২০:১৮

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার কারণে আপনি বগুড়া জেলাধীন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। নির্দেশক্রমে আপনার পদত্যাগপত্র গৃহীত হলো।

একই সঙ্গে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জনাব এস এম তাজুল ইসলামকে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেছে দল।

দলীয় সূত্র বলছে, বর্তমানে তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত থাকায় রাষ্ট্রীয় কাজে পূর্ণ মনোযোগ দিতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩০৩