শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে স্বপ্নপথ নাকি মৃত্যুর হাতবদল

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি  দেশের প্রথম আট লেনবিশিষ্ট আধুনিক সড়ক ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে চালু হয়েছিল মানুষের স্বপ্ন পূরণের জন্য। রাজধানী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণাঞ্চলে দ্রুত যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন সুবিধা দিতে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু হয় এ মহাসড়কের। কিন্তু সময় গড়ানোর সাথে সাথে স্বপ্নের এই সড়ক পরিণত হচ্ছে মৃত্যুফাঁদে। প্রতিদিনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি এখন সাধারণ মানুষের আতঙ্কে […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ আগস্ট ২০২৫, ০২:২৬

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি 

দেশের প্রথম আট লেনবিশিষ্ট আধুনিক সড়ক ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে চালু হয়েছিল মানুষের স্বপ্ন পূরণের জন্য। রাজধানী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণাঞ্চলে দ্রুত যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন সুবিধা দিতে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু হয় এ মহাসড়কের। কিন্তু সময় গড়ানোর সাথে সাথে স্বপ্নের এই সড়ক পরিণত হচ্ছে মৃত্যুফাঁদে। প্রতিদিনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি এখন সাধারণ মানুষের আতঙ্কে পরিণত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত তিন বছরে (জুলাই ২০২২ থেকে আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত) ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ঘটেছে ১ হাজার ৩০৩টি দুর্ঘটনা। এতে ১৮৩ জন নিহত এবং ১ হাজার ৯৮৬ জন আহত হয়েছেন।

শুধু গত এক বছরেই (জানুয়ারি ২০২৪ থেকে জানুয়ারি ২০২৫) এই সড়কে ৭২টি দুর্ঘটনায় ৫১ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ।

২১–২২ আগস্ট ২০২৫: মাত্র ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি দুর্ঘটনায় মারা যান ৬ জন। মোটরসাইকেল চাপায় প্রাণ হারান তিন তরুণ, আহত হন আরও একজন। অন্যদিকে শ্রীনগরে একটি প্রাইভেটকার উল্টে গিয়ে নিহত হন আরও তিনজন।

২৭ ডিসেম্বর ২০২৪: ধলেশ্বরী টোলপ্লাজার কাছে ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত হন ৫ জন এবং আহত হন অন্তত ১০ জন।

জানুয়ারি ২০২৫: সিরাজদিখান ও শ্রীনগরে আলাদা দুটি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ৪ জন।

পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের মতে, এক্সপ্রেসওয়ের দুর্ঘটনার পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে—

অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া ওভারটেকিং

অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালক।

ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল।

রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলো না থাকা

সড়কে সিসিটিভি ক্যামেরা ও কার্যকর নজরদারির অভাব।

খারাপ আবহাওয়ায় (কুয়াশা ও বৃষ্টি) সতর্কতা অবলম্বন না করা।

সড়ক পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে দেশের উন্নয়নের প্রতীক হলেও এটিকে নিরাপদ সড়ক বানাতে এখনই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নইলে প্রতিদিন মানুষের জীবন ঝরে পড়বে এই মহাসড়কে।”

স্পিড লিমিট কঠোরভাবে প্রয়োগ করা।

সড়কে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো ও নিয়মিত টহল বাড়ানো।

লাইসেন্সবিহীন চালক ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করা।

টোলপ্লাজা ও দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় পর্যাপ্ত আলো ও সাইনবোর্ড স্থাপন করা

অবশ্যই জরুরি হয়ে পড়েছে।

ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে দেশের মানুষের জন্য স্বপ্নপূরণের রাস্তা হলেও প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি সেই স্বপ্নকে দুঃস্বপ্নে পরিণত করছে। মানুষের আশা ছিল উন্নত যাতায়াতের, কিন্তু বাস্তবতা হলো প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিল। যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে এক্সপ্রেসওয়ে শিগগিরই আরও ভয়ংকর মৃত্যুফাঁদে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।