নিজস্ব প্রতিনিধি :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় সিমেন্টবোঝাই একটি লরির নিচে চাপা পড়ে একই পরিবারের চারজন নিহত হওয়ার মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুর ১২টা ৪৪ মিনিটে।
এ সময় কাভার্ডভ্যানটি উল্টে প্রাইভেট কারের ওপর পড়ে যায়। খবর পেয়ে চৌয়ারা ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট উদ্ধারকাজ চালিয়ে দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে তা সম্পন্ন করে।
ঘটনার পরপরই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয়ভাবে নানা আলোচনা হয়। এতে কুমিল্লার পরিচিত নুরজাহান হোটেলের নাম উল্লেখ হওয়ায় আজ (২৩ আগস্ট) দুপুরে হোটেলের মালিক লুৎফুর রহমান রিপন এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে অবস্থান পরিষ্কার করেন।
তিনি বলেন, “আমরা একটি রেস্টুরেন্ট ব্যবসা পরিচালনা করি। সুনামের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গাড়ি নিয়ে মানুষ এখানে আসে। কিন্তু আমাদের হোটেল থেকে বের হয়ে কোন পথে গাড়ি যাবে, সেটি সম্পূর্ণ ড্রাইভারের সিদ্ধান্ত।
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ বা রাস্তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের নয়; এটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিষয়। আমরা শুধু আমাদের প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অবস্থানকালে অতিথিদের নিরাপত্তা দিতে পারি।”
তিনি আরও বলেন, “মহাসড়কের পাশে অবৈধ কাউন্টারগুলো রাস্তা সরু করে দিচ্ছে, যা যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে নজর দিতে হবে।”
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় নিহতদের মৃত্যুর পর পদুয়ার বাজার ইউটার্ন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আদনান বিন হাসান জানান, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সদর দক্ষিণ উপজেলার দয়াপুর ইউটার্ন দিয়ে সব যানবাহন ঘুরে আসতে হবে।