বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

১৫ আগস্ট ঘিরে খুলনায় দেওয়াল-খুঁটিতে আওয়ামী লীগের পোস্টার

খুলনায় ১৫ আগস্ট ঘিরে ফের সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। শহরের অদূরে খালিশপুর থেকে শুরু করে ফুলবাড়িগেট এলাকার বিভিন্ন স্থানে পোস্টারিং করেছে দলটি। নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিতে এ কাজ করলেও জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। গত ৯ আগস্ট দিনগত রাতের কোনো একসময় আওয়ামী লীগের খুলনা মহানগর ও জেলা শাখার পক্ষে এসব পোস্টারিং করা হয়েছে বলে […]

১৫ আগস্ট ঘিরে খুলনায় দেওয়াল-খুঁটিতে আওয়ামী লীগের পোস্টার

১৫ আগস্ট ঘিরে খুলনায় দেওয়াল-খুঁটিতে আওয়ামী লীগের পোস্টার

নিউজ ডেস্ক

১২ আগস্ট ২০২৫, ১৩:৩৩

খুলনায় ১৫ আগস্ট ঘিরে ফের সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। শহরের অদূরে খালিশপুর থেকে শুরু করে ফুলবাড়িগেট এলাকার বিভিন্ন স্থানে পোস্টারিং করেছে দলটি। নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিতে এ কাজ করলেও জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

গত ৯ আগস্ট দিনগত রাতের কোনো একসময় আওয়ামী লীগের খুলনা মহানগর ও জেলা শাখার পক্ষে এসব পোস্টারিং করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পোস্টারিং করার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা।

জানা যায়, গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পলায়নের পর সারাদেশের মতো খুলনায়ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও আত্মগোপনে চলে যান। অনেকে অভ্যুত্থানে হামলার অভিযোগে গ্রেফতার হন। অনেকে সুযোগ বুঝে দেশ ছেড়েছেন। সেখান থেকে অর্থায়ন করেই সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, গত ৯ আগস্ট দিনগত রাতের কোনো একসময় খালিশপুর বানৌজা তিতুমীর মেইন গেটের আনুমানিক ৩০০ মিটার পশ্চিম দিকে ২ নম্বর নেভিগেটসহ খালিশপুর থানাধীন বিভিন্ন জায়গায় সড়কের পাশে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ও দেওয়ালে আওয়ামী লীগের খুলনা মহানগর ও জেলা শাখার পক্ষে শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পোস্টার লাগানো হয়। পরবর্তীতে বিক্ষুব্ধ জনতা পোস্টারগুলো ছিঁড়ে ফেলে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, এই পোস্টারগুলো কে বা কারা লাগিয়েছে সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিষয়টি অনুসন্ধানের পরে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাতের আঁধারে দূর থেকে লোক এনে এসব পোস্টার লাগানো হয়েছে। এর পেছনে বড় অর্থায়ন করছে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকটি চক্র। এর মধ্যে অন্যতম হলো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাহাবুব ব্রাদার্সের মালিক মাহাবুবুর রহমান। মাহাবুবুর রহমান আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় ঠিকাদারি কাজে দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছেন। রাতের আঁধারে খুলনার বাইরে থেকে পোস্টার ছাপিয়ে এনে বিভিন্ন দেওয়ালে তা লাগাচ্ছে মাহাবুব ব্রাদার্সের লোকজন। এছাড়াও কোম্পানির ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অরাজকতা তৈরিতে টাকা লেনদেন করছে তারা।

খালিশপুরের বাসিন্দা হানিফ শিকদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পোস্টার লাগানোর পর বিক্ষুব্ধ জনতা তা ছিঁড়ে ফেলেছে। আওয়ামী লীগ রাতের আঁধারে পোস্টারিং করে জনমনে আতঙ্ক তৈরি করার চেষ্টা করছে। গণঅভ্যুত্থানের পরে আওয়ামী লীগের এ দেশের মাটিতে দাঁড়ানোর মতো সাহস ছিল না। এজন্য চোরের মতো পোস্টার লাগিয়েছে। আন্দোলনে নিরপরাধ মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছে। স্বৈরাচারের বিচার কোনো না কোনো দিন এ দেশের মাটিতেই হবে।

খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাজাহারুল ইসলাম রাসেল বলেন, আওয়ামী লীগ যে নতুন চক্রান্তে লিপ্ত তা পোস্টারিং দেখে বোঝা যাচ্ছে। রাতের আঁধারে তারা পোস্টারিং করে জনমনে আতঙ্ক তৈরি করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের আইন, গণতান্ত্রিক শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক সহনশীলতার জন্য চরম হুমকি।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ থাকলে এ ধরনের সাহস আওয়ামী লীগ করতে পারত না। এ ধরনের কাজে অর্থ যোগানদাতা ও কুচক্রীদের অবিলম্বে আইনের আওয়াতায় আনতে হবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের খুলনা জেলা শাখার সাবেক সদস্যসচিব সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পরেও নিষিদ্ধ সংগঠনের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে আমরা বিব্রত। খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে খারাপ, তা এরই মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে। এমন অবস্থায় সাধারণ মানুষ এখন হতাশ।

তিনি আরও বলেন, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিরা এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছে। অবিলম্বে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এছাড়া পোস্টারিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে।এ বিষয়ে জানতে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জুলফিকার আলী হায়দারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি একটি মিটিংয়ে আছেন বলে জানান।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।