সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সাবেক সেনাপ্রধানের শেষ তিন ইচ্ছা পূরণ, দান করলেন দুচোখও

তিনি গার্ড অব অনার প্রত্যাখ্যান করেন। এমনকি চক্ষুদানের মত মহৎ দানও করেন মৃত্যুর আগে। সন্ধানী নামক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাছে তাঁর চোখ হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক

০৫ আগস্ট ২০২৫, ০০:৫৩

সাবেক সেনাপ্রধান, বীরপ্রতীক, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) এম হারুন-অর-রশিদ জীবনাবসানের পর তাঁর রেখে যাওয়া শেষ তিনটি ইচ্ছা বাস্তবায়নের মাধ্যমে যেন এক অনন্য দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন। এই মুক্তিযোদ্ধা শুধু যুদ্ধের ময়দানে সাহসিকতার প্রতীক নন, বরং মৃত্যুর আগেও রেখে গেছেন এক চমৎকার নৈতিক বার্তা—নাটকীয়তা নয়, রাষ্ট্রীয় জাঁকজমকের বাইরে থেকেও শ্রদ্ধা পাওয়া যায় যদি সম্মান অর্জিত হয় প্রকৃতভাবে।

গত সোমবার (৪ আগস্ট) বিকাল সাড়ে তিনটায় চট্টগ্রাম ক্লাবের গেস্ট হাউসের ৩০৮ নম্বর রুম থেকে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করে সেনাবাহিনীর একটি দল সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর সেখান থেকে বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে রাতে হাটহাজারীর নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর বাবার পাশে শেষ শয্যায় শায়িত হন তিনি।

কিন্তু এই বিদায় ছিল ব্যতিক্রম। কারণ, তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ ছিল—

“রাষ্ট্রীয় সম্মান নয়, মানবিক মর্যাদা চাই।”

তিনি গার্ড অব অনার প্রত্যাখ্যান করেন। এমনকি চক্ষুদানের মত মহৎ দানও করেন মৃত্যুর আগে। সন্ধানী নামক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাছে তাঁর চোখ হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ডেসটিনির আর্থিক কেলেঙ্কারির একটি মামলায় হাজিরা দিতে রোববার তিনি চট্টগ্রাম আসেন। সোমবার সকাল পর্যন্ত কোনো সাড়া না পাওয়ায় কক্ষ খুলে দেখা যায়, এই বীরযোদ্ধা আর নেই। এই মৃত্যু শুধু একজন সাবেক সেনাপ্রধানের বিদায় নয়, বরং এক আদর্শিক বার্তার প্রচার—রাষ্ট্রীয় আয়োজন নয়, মানুষের সেবা, ন্যায়বিচার এবং আত্মত্যাগই আসল সম্মান।

তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল বাহারের কাছে হারুন-অর-রশিদ মাসখানেক আগে নিজের শেষ তিন ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন। তাঁর সেজো বোনের জামাতা ডা. জহির এই ইচ্ছাগুলো সাংবাদিকদের সামনে প্রকাশ করেন। তিনটি ইচ্ছা ছিল—
১. দাফনে যেন কোনো বিলম্ব না হয়,
২. পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর বাবার পাশে যেন দাফন করা হয়,
৩. কোনো ধরনের রাষ্ট্রীয় সম্মান বা গার্ড অব অনার যেন না দেওয়া হয়।

এই সিদ্ধান্ত ছিল এক ধাক্কা বাংলাদেশের রাজনৈতিক এবং সামরিক ঐতিহ্যের ঘুণে ধরা রেওয়াজে। যেখানে মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াকে অনেকেই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন ভাবেন, সেখানে এক সাবেক সেনাপ্রধান নিজের চেতনার ওপর দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছেন। এটি ছিল এক নির্লজ্জ কর্তৃত্ববাদের প্রতি মৌন প্রতিবাদ, এক উচ্চকিত বার্তা যে সম্মান চাপিয়ে দেওয়া যায় না—তা অর্জন করতে হয় আদর্শ দিয়ে।

মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। ২০০০ সালের ২৪ ডিসেম্বর থেকে ২০০২ সালের ১৬ জুন পর্যন্ত দেশের দশম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম হারুন-অর-রশিদ। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।

এই মৃত্যুর খবরের পেছনে লুকিয়ে রয়েছে একটি নীরব বিদ্রোহ—রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বে নয়, জনগণের সম্মানই যেন চূড়ান্ত। আজ যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার মোহে নিজেদের অতিরঞ্জিত করে তোলেন, এই মৃত্যু তাদের জন্য এক স্পষ্ট আয়না।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।