সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

সাধারণ যাত্রীর মতো লন্ডনে লোকাল বাসের অপেক্ষায় তারেক রহমান

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাধারণ যাত্রীর মতো লোকাল বাসে চলাচলের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। একটি দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও তার গণপরিবহন ব্যবহারের এই দৃশ্য নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে দেখা যায়, লন্ডনের শহরের উত্তরে একটি বাসস্টপে অপেক্ষমাণ একজন মধ্যবয়সী তারেক রহমান। হাতে মোবাইল, পরনে হালকা নীল শার্ট, […]

সাধারণ যাত্রীর মতো লন্ডনে লোকাল বাসের অপেক্ষায় তারেক রহমান

তারেক রহমান

নিউজ ডেস্ক

০২ আগস্ট ২০২৫, ১০:০৬

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাধারণ যাত্রীর মতো লোকাল বাসে চলাচলের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। একটি দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও তার গণপরিবহন ব্যবহারের এই দৃশ্য নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে দেখা যায়, লন্ডনের শহরের উত্তরে একটি বাসস্টপে অপেক্ষমাণ একজন মধ্যবয়সী তারেক রহমান। হাতে মোবাইল, পরনে হালকা নীল শার্ট, খাকি রঙের প্যান্ট, আর পায়ে সাধারণ একজোড়া স্নিকার্স।

তিনি বসে আছেন জনসাধারণের জন্য নির্ধারিত লাল বেঞ্চে। কিছুক্ষণ পরেই এসে থামে একটি লাল ডাবল-ডেকার বাস। মানুষজনের সঙ্গে সঙ্গে তিনি ওঠে পড়েন সেই বাসে।

বিএনপির মিডিয়া সেল থেকেও ঘটনাটির কিছু স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করা হয়েছে।

যেখানে লেখা হয়েছে, আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে বসবাসকালীন সময়ে কোনো ভিআইপি সুবিধা গ্রহণ না করে সাধারণ মানুষের মতো লোকাল বাসে চলাচল করেন— যা তার বিনয়, সাধারণ জীবনযাপন এবং জনগণের সঙ্গে আত্মিক সংযোগের প্রকৃত প্রতিফলন।

সোশ্যাল মিডিয়া

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই পোস্টে […]

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুলাই ২০২৬, ২২:৪১

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওই পোস্টে লেখক আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উদ্দেশে দলটির পাশে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দেড় বছর আগেই এমন পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বলে তার দাবি।

সোশ্যাল মিডিয়া

‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা’: নুরের পোস্টে আমিরের ‘সহমত’

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করেছেন মুফতি আমির হামজা। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি শেয়ার করেন তিনি। শেয়ার করা পোস্টে নুর লিখেছেন, ‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা! যারা পতিতার মতো টাকা/সুযোগ-সুবিধায় বিক্রি হয়, এদের থেকে ভালো কিছু পাওয়ার আছে?’ শেয়ার […]

‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা’: নুরের পোস্টে আমিরের ‘সহমত’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪১

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করেছেন মুফতি আমির হামজা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি শেয়ার করেন তিনি।

শেয়ার করা পোস্টে নুর লিখেছেন, ‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা! যারা পতিতার মতো টাকা/সুযোগ-সুবিধায় বিক্রি হয়, এদের থেকে ভালো কিছু পাওয়ার আছে?’

শেয়ার করা পোস্টটি দেখা যায়, নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই প্রকাশ করা হয়েছিল। পরে মুফতি আমির হামজা সেটি নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে শেয়ার করেন।

নুরুল হক নুরের পোস্ট শেয়ার আমির হামজা লেখেন ‘সহমত’।

সোশ্যাল মিডিয়া

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে সালমান মুক্তাদির বললেন, ‘আপনি পুরোপুরি ডিটাচড’

স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদির। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার দায়িত্ব থেকে ‘ডিটাচড’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে ব্যাপক হামলা ও লুটপাটের ঘটনা […]

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে সালমান মুক্তাদির বললেন, ‘আপনি পুরোপুরি ডিটাচড’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৪

স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদির। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার দায়িত্ব থেকে ‘ডিটাচড’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে ব্যাপক হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর করা হয়। ওই সময় চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

এ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘তিনি বলছেন, তার কাছে কেউ চাঁদা চায়নি। চাইলে নাকি দিতেন। আবার বলছেন যে বিএনপি চাঁদাবাজদের দল। এই ঢালাও অভিযোগের কোনো মানে নেই। যদি তিনি কোনো মামলা করেন, স্পেসিফিক সেটা তদন্ত হবে।’

এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ভিডিও বার্তা দেন সালমান মুক্তাদির। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘সালাহউদ্দিন আহমেদ অ্যান্ড তারেক রহমান মে বি বুঝে নাই, কী হইছে কালকে’।

ভিডিও বার্তায় সালমান মুক্তাদির বলেন, ‘মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, একটা ভিডিও দেখলাম সেখানে তিনি আমার স্টোরি নিয়ে কথা বলছেন এবং আই এম ভেরি থ্যাংকফুল যে উনি আমাকে বলেছেন আমি একজন ভদ্রলোক, যদিও পুরা বাংলাদেশ আমাকে অভদ্র হিসেবে চেনে। উনার একটা কথা আমি কনফিডেন্স পাইলাম, তিনি ফ্রিডম অব স্পিচ নিয়ে কথা বলছেন অ্যান্ড সেই কনফিডেন্স থেকে আমি উনাকে রেসপন্ডটা করতে পারছি, সো থ্যাংক ইউ সো মাচ আমাকে অপরচুনিটিটা দেওয়ার জন্য।’

তিনি বলেন, ‘মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আমি একটা জিনিস খুব ক্লিয়ারভাবে আপনার কাছে প্রেজেন্ট করতে চাই, আই ডোন্ট নো আপনি এটা কানেক্ট করতে পারবেন নাকি। পুরা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা নাগরিকের সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি কিন্তু আপনার হাতে, ইনফ্যাক্ট যেকোনো পলিটিক্যাল পার্টির আন্ডারেও যদি কোনো নাগরিক থেকে থাকে, তাদের সিকিউরিটির দায়িত্বও কিন্তু আপনার হাতে। বিকজ ইউ হ্যাভ টু বি বিয়ন্ড এভরি সিঙ্গেল বায়াসড ডিসিশনস। দ্যাটস হাউ বিগ অব এ রেসপন্সিবিলিটি ইউ হ্যাভ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনার এত বড় রেসপন্সিবিলিটি থেকে আপনি যখন স্টেটমেন্টে এসে আমাকে বললেন যে মামলা দায়ের কেন করা হয় নাই, সালমান মুক্তাদির তো মামলা দায়ের করেন নাই—এই জিনিসটা কেন হাস্যকর এবং আপনাদের পুরা ডিপার্টমেন্ট, আপনাদের পুরা সরকারকে কি জন্য এখানে এত ছোট করে ফেললেন আপনি, আপনাকে একটু বুঝাতে চাই।

আপনি বলেছেন, মামলা দায়ের করা হয়নি। আপনি খেয়াল করছেন, আপনি যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আপনার আন্ডারে প্রত্যেকটা থানা, প্রত্যেকটা অথরিটি, প্রত্যেকটা এডমিন আপনার এক কল, এক বাটনের আন্ডারে। আপনি জানেনও না যে মামলা দায়ের করা হয়েছে, আপনার কাছে এই আপডেটটা নাই। আপনি কতটুকু ডিটাচড আপনার দেশের নাগরিকদের সাথে, আপনার যে সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি প্রোটোকল সেটার সাথে, আপনি পুরোপুরি ডিটাচড, আপনি জানেন না মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আপনি আমাকে প্রশ্ন করছেন মামলা কেন দায়ের করা হয়নি। আমি কি আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি? কারণ এই জিনিসটা আপনার আন্ডারে পড়ে। আমি যে গতকালকে চারটা পর্যন্ত এতগুলো মানুষ নিয়ে আপনার থানাতে বসেছিলাম, ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকেই ভোর চারটা পর্যন্ত আমি টায়ার্ড হয়ে বাসায় ফেরত আসলাম, যেখানে আমার মাথা ঠিক থাকার কথা না, তখনও এসে আজকে দুপুর পর্যন্ত মামলা করা হয়নি আনটিল থিংস গট ভাইরাল অ্যান্ড আপনার স্টেটমেন্ট আসে। এর আগ পর্যন্ত মামলা আসলেও কেন দায়ের করা হয়নি, এই প্রশ্নটা আমার আপনার কাছে থাকার কথা, দেশবাসীকেও আপনারই আন্সার করতে হবে। কেন সালাউদ্দিন আহমেদের আন্ডারে মামলা দায়ের করা হয়নি, কারণ আমি তো রাতের বেলা গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে দায়ের করে ফেলছি।’

সালমান মুক্তাদির বলেন, ‘আমি বিএনপির কথা কেন বললাম, চাঁদাবাজির কথা কেন বললাম। আপনি মুচকি যেরকম হাসি দেন, এই মুচকি হাসি এখন আমারও দিতে ইচ্ছে করতেছে। দেখেন, আমারও হাসি আসে, আপনারও হাসি আসে, আমরা একরকম হেল্পলেস। আপনিও কিছু করতে পারতেছেন না, আমিও কিন্তু কিছু করতে না পেরে মুচকি হাসতেছি কিন্তু। আপনিও হেসে হেসে উড়াইয়া দিচ্ছেন, আমিও হেসে হেসে উড়াইয়া দিচ্ছি। এটাই দেশ, এটাই বাংলাদেশ, আপনিও নাগরিক, আমিও নাগরিক, আমরা উভয়েই কিন্তু একেবারে হেল্পলেস সিচুয়েশনে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেখেন, এই দেশের ক্ষমতাধীন সরকার এখন কে? বিএনপি। সেই সরকারের সাথে এখন যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, যার পুরো সিকিউরিটি এনশিওর করার কথা, যে বারবার বলছে যে ইলেকশনের পরে সবকিছু নরমাল হয়ে যাবে, এই দায়িত্ব কার নেওয়ার কথা? আপনার।

সো বিএনপির আন্ডারে, এই সরকারের আন্ডারে, আপনার—সালাহউদ্দিন আহমেদ, যখন আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী—আপনার আন্ডারে যখন এই ধরনের কিছু হয়, আপনি ধরতে পারছেন যে কালপ্রিট পালিয়েও যেতে পারে নাই, তিনজনকে ধরা হয়ে গেছে, তাদের বন্দুক যেখান থেকে ফায়ার করা হয়েছে সেটার আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে, তাদের চাপাতি, কোদাল সব সংগ্রহ করা হয়েছে, তাদের ফোনের ভিডিও আমি দেখলাম, তাদের চেহারা আমি দেখলাম, তারা স্বীকার করতেছে মানুষের কাছ থেকে মাইর-টাইর খাওয়ার পর, মানুষের মুখে শুনতেছি তারা বিএনপির নাম নিয়ে নিয়েছে।

সবকিছুর পর আমি বলতেও পারব না যে বিএনপি সরকারের আমলে ওরা স্বীকার করতেছে, মানুষের থেকে শুনতেছি মারামারি হচ্ছে, আমার স্যানিটি বজায় রাখতে হবে, কম্পোজার বজায় রাখতে হবে, এর ওপর আমার স্পিচ ঠিক রাখতে হবে, আমি বিএনপিকে কোনো কথা বলতে পারব না, আঙুল তুলতে পারব না! আমি খুবই কনফিউজড, আপনি কি বিএনপির পিআর ম্যানেজমেন্ট ক্রাইসিসের দায়িত্ব নিয়েছেন নাকি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন, এখানে আমি খুবই কনফিউজড।

বিকজ দ্য প্রবলেম ওয়াজ দ্য সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি, রিগার্ডলেস এখানে কি ভূমি দখল ছিল, চাঁদাবাজি ছিল, বিএনপির লোক ছিল, আওয়ামী লীগের লোক ছিল, ওই দখল যে করছে তার লোক ছিল, যাকে দখল করা হচ্ছে তার লোক ছিল—আই এম নট সাপোজড টু টেক কেয়ার অব দিস, নো বডি ইজ সাপোজড টু টেক কেয়ার অব দিস।’

তিনি বলেন, ‘মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আপনি ভুলে যাচ্ছেন যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের প্রশ্ন এইটা না কে কি করছে, আমরা এখানে ইনভেস্টিগেশনের জন্য আপনার কাছে আসি নাই, আমরা আসছি অ্যাকশনের জন্য। আপনি নিজে বললেন যে আমি ফালতুভাবে কথা বলছি, আপনি তো তা নিজেও বলে দিলেন যে কোনো একটা সামরিক বাহিনীর লোক এখানে ইনভলভড।

ওকে, আপনার তো তাহলে ইনভেস্টিগেশন হয়েই গেছে, তারপর আপনি কি করলেন? আপনি এসে প্রেস ব্রিফিংয়ে কোনো অ্যান্সার দিলেন না, কোনো অ্যাকশন নিলেন না, কোনো এমন কাজ করলেন না যেখানে বাংলাদেশের মানুষ সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটিকে এনশিওর করতে পারে।

বরঞ্চ আপনি বলে দিলেন সালমান মুক্তাদির যেটা বলেছেন ভদ্রলোক, হ্যান বলেছেন, ত্যান বলেছেন, ফালতুভাবে চাঁদাবাজি দেখেছে… কি ডাকাত—আমার কী করার কথা, আমার কি থ্যাংক ইউ বলার কথা? আপনাকে তো থ্যাংক ইউ বলছি, আপনাকে তো বললাম আপনি এটা নিয়ে টেনশন কইরেন না, আপনি তাও টেনশন করলেন, আমি আপনাকে এটার বাহিরেই রাখছিলাম, আপনি নিজে এসে ঢুকলেন, ঢুকে নিজেকে নিজে ছোট করলেন।’

সালমান মুক্তাদির আরও বলেন, ‘আমি আবারও বলতেছি আপনাদের এগেইনস্টে আমার কিছু নাই, কিন্তু সত্য কথাই সত্য কথা। আপনি আমাকে কোনো প্রশ্ন করতেন না, আমি উত্তর দিতাম না, আমি কিন্তু চুপ ছিলাম, আমি বলছি আপনাদের থেকে আমার কিচ্ছু দরকার নেই, আমি কিছু এক্সপেক্টই করি না, তারপরও আপনারা আসছেন প্রেস ব্রিফিং দিতে। প্রশ্নটা হচ্ছে, যেখানে এই ঘটনাটা ঘটছে, বিলিভ করেন আপনাকে আমি জানি না আপনি বুঝতেছেন নাকি আপনাদের জন্য জিনিসটা কত এমব্যারাসিং।

১৭ আসন, তারেক রহমানের আসন। উনার আসনে এই ঘটনা ঘটলো! উনার আসনে বাংলাদেশের ওয়ান অব দ্য মোস্ট প্রমিনেন্ট কন্টেন্ট ক্রিয়েটর যার এত ফলোয়ার্স, এত মানুষের কথা, সে বাংলাদেশে এক রাতে এত বড়ভাবে প্রচার হইলো, সেটা তারেক রহমানের আন্ডারে।

অ্যান্ড আপনি এরকম একটা কেসকে এত সিম্পলিফাইড করে বলেন, একটু টুকটাক ভাঙচুর, টুকটাক ভাং— আপনি কি বুঝেন, আপনার মধ্যে কি কোনো এম্প্যাথি আছে, আপনি কি বুঝতেছেন কি ভাঙচুর হইছে, কোথায় হইছে? আপনার কি আইডিয়া আছে বাংলাদেশের আর্টস, কালচারের অবস্থা কী,

এখানকার ফ্রিডমের অবস্থা কী? আপনি কি কোনো জায়গাতে কোনোভাবে কানেক্ট করতে পারেন? আপনাকে এর থেকে বড় বড় ইনসিডেন্টে দেখছি আপনারা তাড়াহুড়া করতেছেন, চলে যেতে হবে আপনার। ডু ইউ এভার ফিল কানেক্টেড টু এনি পার্সন, এনি ডেথ, এনি লস, ডু ইউ ফিল এনিথিং?’

তিনি শেষে বলেন, ‘আপনার এগেইনস্টে কিন্তু আমার কিচ্ছু নাই, আমাকে প্রশ্ন করছেন আমাকে উত্তর দিতে হইছে, এখন আপনাকে আমি প্রশ্ন করলাম। এনি কোশ্চেন দ্যাট ইউ ক্যান আনসার উইথ অ্যান অ্যাকশন, কিছু একটা করে দেখান, আপনাদের থেকে আমি কিচ্ছু চাই না, আমি টাকা-পয়সা চাই না, আমার স্টুডিও বানিয়ে দিতে হবে না, আমি সালমান মুক্তাদির যথেষ্ট স্ট্রং, আমি কারো থেকে ভিক্ষা চাব না।

আমার এতগুলো মানুষ ফোন দিছে এত পলিটিক্যাল পার্টিস থেকে, আমি চাইলে ওদের সাথে গিয়ে এখন বসতে পারতাম, আমি যাচ্ছি না বিকজ আমি বাংলাদেশের মানুষের ভরসা ভাঙতে চাই না, আমি এখানে পলিটিক্যাল একটা ইস্যু হতে চাই না। বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, বিভিন্ন নিউজ চ্যানেল একেকটা নিউজ চ্যানেল একেক পলিটিক্যাল পার্টির আন্ডারে, তারা তাদের মত নিউজ ছড়াচ্ছে, আমি কি চাইলে ওগুলোতে যেতে পারতাম না, ক্লিয়ার করতে পারতাম না? অলরেডি সেখানে অনেক পলিটিক্যাল পার্টিস এক্টিভিস্টরা আসতেছে, তারা তাদের মত ইন্টারভিউ দিচ্ছে, কেন দিচ্ছে? সবাই তাদের নিজ নিজ স্বার্থ উদ্ধার করতে আসছে।’