মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মুজিববাদী সন্ত্রাসীরা হত্যার উদ্দেশ্যে জঙ্গি কায়দায় হামলা চালিয়েছে : নাহিদ ইসলাম

"পূর্ব পরিকল্পিত" ছিল এবং এর উদ্দেশ্য ছিল গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনের নেতাদের ভয় দেখানো এবং তাদের দমন করা। "গোপালগঞ্জ এখন আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য,"—এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, "এমনকি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যারা মামলার আওতায় আছেন, তারা সারা দেশ থেকে এখানে জড়ো হয়ে হামলা চালিয়েছে।"

মুজিববাদী সন্ত্রাসীরা হত্যার উদ্দেশ্যে জঙ্গি কায়দায় হামলা চালিয়েছে : নাহিদ ইসলাম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ জুলাই ২০২৫, ০২:০২

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) পদযাত্রা কর্মসূচিতে মুজিববাদী আদর্শের সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন এনসিপি’র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি জানান, “গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের হত্যার উদ্দেশ্যে জঙ্গি কায়দায় হামলা চালানো হয়েছে এবং এতে এনসিপির তিনজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।”

এ হামলার ঘটনা নিয়ে বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় খুলনা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে নাহিদ ইসলাম। সেখানে তিনি জানান, হামলার পেছনে পূর্ব পরিকল্পনা ছিল এবং এই হামলা সারা দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।

নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন, এই হামলা “পূর্ব পরিকল্পিত” ছিল এবং এর উদ্দেশ্য ছিল গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনের নেতাদের ভয় দেখানো এবং তাদের দমন করা। “গোপালগঞ্জ এখন আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য,”—এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, “এমনকি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যারা মামলার আওতায় আছেন, তারা সারা দেশ থেকে এখানে জড়ো হয়ে হামলা চালিয়েছে।”

এ সময় তিনি আরও বলেন, “এটা রাজনৈতিক সন্ত্রাসের চূড়ান্ত প্রকাশ এবং মুজিববাদী সন্ত্রাসীদের জঙ্গি কায়দায় হামলা তাদের আসল চরিত্র প্রকাশ করেছে।”

নাহিদ ইসলাম অবশ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে, তবে হামলা অন্য কিছু ইঙ্গিত করে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাবোট্যাজ করা হয়েছে কিনা, সেটা খতিয়ে দেখতে হবে।”

তিনি আরো দাবি করেন, “এ হামলা এক দীর্ঘ পরিকল্পনার ফল। স্টেজে হামলা, পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া, এসবের মাধ্যমে সরকার তাদের অপকর্মের জন্য দায়ী থাকতে চায়।”

এ হামলার পর, সারা দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং মতের মানুষ এনসিপির পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নাহিদ ইসলাম এ ব্যাপারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আমরা বিভিন্ন জেলায় গিয়ে সেখানকার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলছি। আমাদের জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে কথা বলেছি এবং একই সঙ্গে এনসিপির পরিচিতি তুলে ধরছি।”

এনসিপির কর্মসূচি অনুযায়ী, মাদারীপুর ও শরিয়তপুরে তার দল কর্মসূচি পালন করছিল, তবে সেখান থেকে ফেরার পথে হামলা চালানো হয়। “এ হামলায় আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট রূপের প্রকাশ ঘটেছে জনগণের সামনে,”—এ মন্তব্য করে তিনি জানান।

নাহিদ ইসলাম আরো ঘোষণা করেন, “এ হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করবে এনসিপি।” তবে আপাতত, মুজিববাদী সন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিবাদে তাদের মাদারীপুর ও শরিয়তপুরে পরবর্তী কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে।

এ হামলা গোপালগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হামলার ঘটনার পর তৎপর হলেও, নাহিদ ইসলাম প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন, “এটা শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা নয়, বরং সরকারের পক্ষ থেকে একটি সাবোট্যাজ পরিকল্পনা হতে পারে, যা পরবর্তীতে তদন্তের বিষয় হয়ে উঠবে।”

গোপালগঞ্জে এনসিপি’র কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা সারা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এতে রাজনৈতিক সন্ত্রাস এবং মুজিববাদী আদর্শের বিরুদ্ধে এনসিপির অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে। নাহিদ ইসলাম ও তার দলের নেতৃত্বে যে প্রতিবাদ এবং কর্মসূচির ঘোষণা এসেছে, তা দেশের রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৭৬

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৯৭
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৯৭

রাজনীতি

বিএনপি থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ মার্চ ২০২৬, ২০:১৮

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার কারণে আপনি বগুড়া জেলাধীন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। নির্দেশক্রমে আপনার পদত্যাগপত্র গৃহীত হলো।

একই সঙ্গে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জনাব এস এম তাজুল ইসলামকে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেছে দল।

দলীয় সূত্র বলছে, বর্তমানে তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত থাকায় রাষ্ট্রীয় কাজে পূর্ণ মনোযোগ দিতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৭৬