বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

এক কলসি পানি আইন্না দেই, হ্যারা আমারে পাঁচ টাহা দেয়

“এ্যাক (এক) কলসি পানি আইন্না (এনে) দেই আর হ্যারা (তারা) আমারে পাঁচ টাহা (টাকা) দেয়, আমখলা অইতে (থেকে) গলাচিপা আইতে (আসতে) যে দোহান (দোকান)গুলো বাজে হেইয়ার (সেগুলোর) য্যাগো য্যাগো (যাদের) পানি লাগে, হ্যাগো (তাদেরকে) এক কলস পানি আইন্না দ্যালে (দিলে) ৫ টাহা দেয়। ]অ্যাতে (তাতে) আমার প্রত্যেকদিন একশো-দেড়শো টাহা পাই, হ্যা (তা) দিয়া আমি খাই। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ জুলাই ২০২৫, ১১:২৮

“এ্যাক (এক) কলসি পানি আইন্না (এনে) দেই আর হ্যারা (তারা) আমারে পাঁচ টাহা (টাকা) দেয়, আমখলা অইতে (থেকে) গলাচিপা আইতে (আসতে) যে দোহান (দোকান)গুলো বাজে হেইয়ার (সেগুলোর) য্যাগো য্যাগো (যাদের) পানি লাগে, হ্যাগো (তাদেরকে) এক কলস পানি আইন্না দ্যালে (দিলে) ৫ টাহা দেয়।

]অ্যাতে (তাতে) আমার প্রত্যেকদিন একশো-দেড়শো টাহা পাই, হ্যা (তা) দিয়া আমি খাই। টাহা পাইলে খাই , না পাইলে খাইনা। কোনো গুড়াগাড়া (ছেলে-মেয়ে) না থাহনে ২৫ বছর আগে বউডাও (বউ) চইল্লা (চলে) গ্যাছে (গেছে)। এহন (এখন) একলা একলাই থাহি (থাকি)।”

ঠোঁটের কোনায় মুচকি হেসে কথাগুলো বলছিলেন, পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে আশ্রিত বাসিন্দা জাফর (৫৬)।

আমখোলা ইউনিয়নের বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান (পান্না) জানান, তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ বাদুরা গ্রামের আজিমুদ্দী প্যাদা বাড়ির মুজু প্যাদার ছেলে। দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর ধরে তিনি আমখোলাতে দূরসম্পর্কের আত্মীয় মজিবর মিয়ার বাড়িতে আশ্রিত হিসেবে বসবাস করছেন।

তিনি আরো জানান, মানুষ যেখানে হাজারো টাকা উপার্জনের জন্য নানা রকম কৌশল অবলম্বন করে সেখানে জাফরের মত মানুষ সামান্য রুটি-কলা কিনে খাবার জন্য রোগাক্রান্ত ভঙ্গুর শরীর নিয়ে কাঁধে বহন করছে কলসি ভরা পানি, ছুটে চলে গ্রাম থেকে শহরে। যার কোনো ভাবনা নেই বর্তমান অথবা ভবিষ্যৎ নিয়ে।

আশ্রয়দাতা মজিবর মিয়া জানান, এক সময় সে দিন মজুরি কাজ করে রোজগার করতো কিন্তু বয়স বেড়ে যাওয়ায় এবং শারীরিক দুর্বলতার কারণে কাজ করতে পারেনা।

প্রতিদিন প্রায় ৮-১০ কিমি পায়ে হেঁটে গলাচিপা শহরে যায় এবং দোকানে দোকানে প্রতি কলস পাঁচ টাকার বিনিময়ে পানি সরবরাহ করে।

এতে যা উপার্জন হয় তা দিয়ে খাবার কিনে খেতে হয়। যেদিন আয় করতে পারেনা সেদিন তাকে না খেয়েই দিনাতিপাত করতে হয়। আমি তাকে যতটুকু পারি সহযোগিতা করি। সে কোনো সরকারি অনুদান কিংবা সহযোগিতা পায়না।

এমনকি তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পর্যন্ত নেই। সে একটি বিয়ে করেছিল, প্রায় ত্রিশ বছর আগে তার সে বউও তাকে ছেড়ে চলে যায়। তার বাড়িতে জরাজীর্ণ একটা ঘর আছে সেখানে তার আরেকটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ভাই আছে যে ঐখানে বাস করে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম জানান, সে দোকানে দোকানে পানি টেনে দিয়ে নিজের জীবন-যাপন করে। মাঝে মাঝে অসুস্থ হলে চিকিৎসা, ঔষধ ছাড়া না খেয়ে আশ্রিতের বাসায় পড়ে থাকে প্রতিদিন ১০০/১৫০ টাকা আয় দিয়ে বর্তমান বাজারে সে কোনো মতে জীবন পাড় করে।

শীত-বর্ষা-গ্রীস্ম সব সময়ই অতি কষ্টে জীবন-যাপন করতে হয়। সহজ-সরল, কিছুটা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে সে অনেক কিছুই বুঝেনা। তাছাড়া তার জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকার কারণে সরকারি-বেসরকারি কোন প্রকার সাহায্য-সহযোগিতা পায়না।

স্থানীয় চা দোকানী সিদ্দিক মিয়া জানান, সে শারীরিকভাবে দুর্বল হওয়ার কারণে কোনো ভারি কাজ সে করতে পারেনা। এজন্য সে আমাদের দোকানে দোকানে পার্শ্ববর্তী কোনো নলকূপ থেকে পানি সংগ্রহ করে সরবরাহ করে থাকে। আমরা প্রতি কলস পানির বিনিময়ে ৫ টাকা করে দেই।

আমখোলা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি. সদস্য মো. শাহআলম জানান, আমি জাফরকে ব্যাক্তিগতভাবে চিনি। সে কোনো সরকারি-বেসরকারি সহায়তা পায় কিনা আমার জানা নেই। তার বাড়ি আমাদের পার্শ্ববর্তী আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে। তবে আমি আরো বিস্তারিত জেনে দেখবো।

স্থানীয়দের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার এনআইডি কার্ডের ব্যবস্থা করে দেওয়াসহ তাকে সরকারি -বেসরকারি সহযোগিতার ব্যবস্থা করলে সে উপকৃত হবে। মানবতার জয় হবে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।