এগারোতম দিনে গড়িয়েছে ইরান-ইসরায়েলের চলমান সংঘাত। এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সাম্প্রতিক ঘটনায় ইসরায়েলের হামলায় কাঁপছে ইরানের চারটি প্রদেশ ও ছয়টি বিমানবন্দর। যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সমর্থন পেয়ে ইসরায়েল যেন আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। ‘
মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোঁড়া’ খ্যাত দেশটি বিগত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের ইসফাহান, বুশেহর, আহভাজ ও ইয়াজদ প্রদেশে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে সামরিক স্থাপনা। ইয়াজদ প্রদেশে নিহত হয়েছেন ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) অন্তত ১০ জন সদস্য।
সোমবার (২৩ জুন) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল–জাজিরা। একইসঙ্গে ইরানের পশ্চিম, পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের ছয়টি বিমানবন্দরেও ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এসব হামলায় ইরানের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংস করা হয়েছে।
হামলার টার্গেটে ছিল ইরানের রানওয়ে, ভূগর্ভস্থ বাংকার, জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজ ও এফ-১৪, এফ-৫ যুদ্ধবিমান। এসব হামলায় ইরানের বিমানবন্দরগুলোর কার্যক্ষমতা স্থবির হয়ে পড়েছে এবং দেশটির আকাশপথে সামরিক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৩ জুন ভোরে ইসরায়েল প্রথম আঘাত হানে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ অন্তত আটটি শহরে। ওই দিনই ইরানের ১০০টির বেশি সামরিক ও পরমাণু স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং প্রাণ হারান সেনাপ্রধান মোহাম্মদ বাঘেরিসহ অন্তত ২০ জন উচ্চপদস্থ সেনা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং কয়েকজন পরমাণু বিজ্ঞানী।
যুদ্ধ এখন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, যার পরিণতি গোটা মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তি ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?