বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

খুলনা-৬ সংসদীয় আসনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী মাঠে, জামায়াতের একক

সাইফুল ইসলাম, কয়রা(খুলনা) প্রতিনিধি : অন্তবর্তী সরকার নির্বাচনি সময়সীমা ঘোষণা করার পর যাত্রা শুরু করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ট্রেন। তৎপর হচ্ছে নির্বাচন কমিশনও। ইতোমধ্যে সারাদেশের ন্যায় উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে খুলনা -৬ আসনের ভোটের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে খুলনা -৬ (কয়রা -পাইকগাছা) আসনে সম্ভাব্য জামায়াতের একক প্রার্থী চূড়ান্ত হলেও বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি’র […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ জুন ২০২৫, ২১:৪৯

সাইফুল ইসলাম, কয়রা(খুলনা) প্রতিনিধি :

অন্তবর্তী সরকার নির্বাচনি সময়সীমা ঘোষণা করার পর যাত্রা শুরু করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ট্রেন। তৎপর হচ্ছে নির্বাচন কমিশনও। ইতোমধ্যে সারাদেশের ন্যায় উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে খুলনা -৬ আসনের ভোটের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে খুলনা -৬ (কয়রা -পাইকগাছা) আসনে সম্ভাব্য জামায়াতের একক প্রার্থী চূড়ান্ত হলেও বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি’র একাধিক প্রার্থী মাঠে রয়েছেন।

সম্ভাব্য এসব প্রার্থীরা গণসংযোগ, ঈদ পুনর্মিলনী, সভা সমাবেশসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তাদের প্রার্থীতা জানান দিচ্ছেন। পাশাপাশি ভোটারদের দোয়াও চাচ্ছেন। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচনের সময় নির্ধারণের ইঙ্গিত দিয়েছেন ।যদিও সরকার পতনের পর থেকেই রাজনীতির মাঠে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের মাঝে বেশ আগ্রহ রয়েছে।

তবে গত কয়েকমাস ধরে সংসদীয় এলাকায় নির্বাচনী উত্তাপ অনেকটাই বেড়েছে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের পদচারণাও বেড়েছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পতন হওয়া ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও জোটের শরিক দলগুলো ছাড়া বিএনপি-জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীরা এরই মধ্যে মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে।নিবন্ধন ফিরে পাওয়ার আগেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলনা জেলার ছয়টি আসনে তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে।

জামায়াতের দূর্গ হিসেবে পরিচিত কয়রা- পাইকগাছা উপজেলা মিলে গঠিত খুলনা -৬ আসনে জামায়াতের সম্ভাব্য একক প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এর নাম ঘোষণা করা হলেও বিএনপি’র সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থী মাঠে নির্বাচনী প্রচারণায় ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চারটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হাতে থাকা এ আসনে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি এখনও প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি।

তবে এ দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা একাধিক।সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন-খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট মোমরেজুল ইসলাম , জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক আমিরুল ইসলাম কাগজী,ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ- সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ- সভাপতি, বর্তমান যুক্তরাজ্য বিএনপির সদস্য এম,জুবায়ের আহমেদ ।

খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পির অনুসারীরাও তাকে খুলনা-৬ আসনের প্রার্থী হিসেবে দেখতে অনলাইনে প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছেন।প্রার্থীরা পৃথক পৃথকভাবে কর্মীসভা, সমাবেশসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগদান করছেন।

হাট-বাজার রেলস্টেশন, চায়ের দোকানসহ জনবহুল এলাকাগুলোতে ভোটারদের মুখে নির্বাচনের সম্ভাব্য এসব প্রার্থীদের নাম নিয়ে খোশ গল্প চলছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জাতীয় সংসদের ১০৪ নম্বর আসন খুলনা -৬ এর নির্বাচনী এলাকা এর আগে জামায়াতের সাথে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর প্রতিদন্দিতা হয়েছে।

নির্বাচন অফিসের সূত্র অনুযায়ী, এ আসনটিতে ১৯৭৩ সাল থেকে ২০০৮সাল পর্যন্ত ৮টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগের এম,এ বারী ও ১৯৭৯ সালে মুসলিম লীগের খান এ সবুর নির্বাচিত হন।

সীমানা পরিবর্তনের পর ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির মোমেন উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জহুরুল হক এমপি হন। ১৯৯১ সালে জামায়াতের অধ্যক্ষ শাহ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের শেখ মো: নূরুল হক,২০০১ সালে জামায়াতের শাহ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস এবং ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের সোহরাব হোসেন নির্বাচিত বিএনপির একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেও স্বস্তিতে আছে জামায়াত। 

দলের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আগেই মনোনয়ন দেওয়ায় সুবিধা হয়েছে প্রচার ও প্রচারনায়। নিয়মিত দলীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি নির্বাচনী তৎপরতাও চালিয়ে যাচ্ছেন।

সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছে বলে জামায়াত দাজামায়াত নেতা মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, জনগণ যেভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন করছে, তাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে বিজয় কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে নাতিনি বলেন, বিনা অপরাধে কয়েক বছর ধরে বাসায় থাকতে পারিনি।

বিনা কারণে জেল খেটেছি। তারপরও জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। সবাইকে প্রিয়জন মনে করি। জনপ্রতিনিধি হলে সবাইকে নিয়ে কয়রা – পাইকগাছা উন্নয়নে কাজ করবো, ইনশাআল্লাহ। উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নে নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দেওয়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন তিনি।

৪ লাখ ভোটারের এ আসনে তরুণ ভোটার কয়রা বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী জাহিদুর রহমান বলেন ,, ফ্যাসিস্ট সৈরশাসকের নির্বাচন আমরা দেখেছি, এবার এমন একটি নির্বাচন চাই যেখানে বিনা বাধায় গোপনীয়তা বজায় রেখে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে সবাই।

আর সেটা নিশ্চিত হলে সৎ ও যোগ্য জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবে।কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম ও সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন,প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর গ্রহনযোগ্য নির্বাচন উপহার দিয়ে  জনগণের আশা আকাংখার প্রতিফলন ঘটাবেন।আশা করি এবারের নির্বাচনে জনগন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে।

বাজারে চায়ের দোকানে বসে সাধারণ ভোটারদের কেউ কেউ বলছেন, শহীদ জিয়ার আদর্শের দল বিএনপিই আসবে ক্ষমতায়। তাদের বিকল্প এই মুহুর্তে নেই। আবার কেউ বলছেন, বড় দুই দল দেখা হয়েছে। তাদের কাছে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি জাতির। এবার নতুন বাংলাদেশে নতুন কাউকে দেখতে চাচ্ছেন তারা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭৫

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭৫
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৯০