সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভাঙন কব‌লিত কয়রার গোবিন্দপুর, দশহা‌লিয়ায় নেই কোন আশ্রয় কেন্দ্র

সাইফুল ইসলাম,কয়রা( খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর, আটরা, দশহালিয়া ও লোকা এলাকাগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের একটি জ্বলন্ত উদাহরণ হয়ে উঠেছে। নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস—এই তিন প্রকৃতিক দুর্যোগের ঘনঘটা এখানে মানুষের জীবন ও জীবিকাকে করে তুলেছে বিপর্যস্ত। অথচ এই এলাকায় নেই কোনো কার্যকর আশ্রয়কেন্দ্র, যেখানে দুর্যোগে মানুষ নিরাপদে আশ্রয় নিতে পারে। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ জুন ২০২৫, ২০:৪২

সাইফুল ইসলাম,কয়রা( খুলনা) প্রতিনিধি :

খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর, আটরা, দশহালিয়া ও লোকা এলাকাগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের একটি জ্বলন্ত উদাহরণ হয়ে উঠেছে। নদীভাঙন,

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস—এই তিন প্রকৃতিক দুর্যোগের ঘনঘটা এখানে মানুষের জীবন ও জীবিকাকে করে তুলেছে বিপর্যস্ত। অথচ এই এলাকায় নেই কোনো কার্যকর আশ্রয়কেন্দ্র, যেখানে দুর্যোগে মানুষ নিরাপদে আশ্রয় নিতে পারে।

স‌রেজ‌মিন সেখা‌নে যে‌য়ে দেখা যায়নদীর কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা জনপদে গোবিন্দপুর গাজী আব্দুল জব্বার স্কুল অ্যান্ড কলেজ না‌মে এক‌টিমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। দু‌র্যো‌গের সময় সেখা‌নে মানুষ আশ্রয় নেয়। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানটির ভব‌ণের অবস্থা জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত।

দোতলা ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে অনেক আগেই। তবু এলাকার শিশু-কিশোররা ঝুঁকি নিয়ে সেখানে ক্লাস করছে কিংবা দরজা-জানালাবিহীন কক্ষগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পান, সিত্রাং, রি‌মে‌লের সময় ঝুঁ‌কি নি‌য়ে ওই ভবনে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিল শত গাজী আব্দুল জব্বার স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক রবিউল ইসলাম বলেন, এ এলাকায় কোন আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময় মানুষ গাছে উঠেও আশ্রয় নিতে দেখা গেছে।

এ এলাকার  তিন কি‌লো‌মিটা‌রের ম‌ধ্যে কোন সাইক্লোণ নেইএলাকার প্রবীণ বাসিন্দা মাওলানা মহিববুল্যাহ  জানান, “আমাদের গ্রামটা প্রতিদিন নদী খেয়ে ফেলছে। গত ৫ বছরে ৭০টার বেশি পরিবার ভিটেমাটি হারাইছে। ঝড় হ‌লে কিংবা বাঁধ ভে‌ঙে প্লা‌বিত হ‌লে আমাদের যাওয়ার কোন জায়গা নেআমরা কোথায় যামু?”এই প্রশ্নটাই এখন গোটা এলাকার।

সরকারি তালিকায় দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হলেও গোবিন্দপুর ও তার আশপাশে নেই কোনো ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হলেও তা অত্যন্ত অপ্রতুল।

উপকূল ও সুন্দ‌রবন সংরক্ষণ আন্দোলনের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম  ব‌লেন,

প্রতিবছর ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুমে কয়রা উপকূলের খবর শিরোনাম হয়, মান‌বিক সহায়তার মাধ্য‌মে ক‌য়েক‌দিন সহানুভু‌তি দেখা‌নো হয়। কিন্তু মানুষের দুঃখ-দুর্দশা নিরস‌নে কার্যকরী কোন পদ‌ক্ষেপ নেয়া হয় না। এটা দুঃখজনক। দশহা‌লিয়া, আটরা, লোকা ও গো‌বিন্দপুর এলাকা ক‌পোতাক্ষ ন‌দের তীরবর্তী হওয়ায় ও বাঁধ জরাজীর্ণ থাকায় প্লা‌বিত হওয়ার চরম ঝুঁ‌কি নি‌য়ে সেখানকার মানুষ বসবাস ক‌রে।

অগ্রা‌ধিকার ভি‌ত্তি‌তে ওই এলাকায় এক‌টি সাইক্লোণ শেল্টার নির্মাণের দা‌বি জানানকয়রা উপ‌জেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মামুনার র‌শিদ ব‌লেন, ওই এলাকায় এক‌টি আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা জরুরী।

গোবিন্দপুর গাজী আব্দুল জব্বার স্কুল অ্যান্ড কলেজকে কেন্দ্রে ক‌রে এক‌টি আশ্রয়‌কেন্দ্র নির্মাণ করা যে‌তে পা‌রে। উর্ধতন কর্তৃপ‌ক্ষের সা‌থে আলোচনা ক‌রে অগ্রধিকার ভি‌ত্তি‌তে এক‌টি আশ্রয়‌কেন্দ্র নির্মা‌ণের পদ‌ক্ষেপ নেয়া হ‌বে।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।