বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

ড. ইউনূস ৫ বছর থাকলে দেশের মালিকানাও বিক্রি করে দেবে : জাওয়াদ নির্ঝর

আবেগ নয়, বরং বিবেক দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করা উচিত। “সুদের ব্যবসা করে নোবেল পাওয়া যায়, কিন্তু দেশ চালানো এত সহজ নয়,”

ড. ইউনূস ৫ বছর থাকলে দেশের মালিকানাও বিক্রি করে দেবে : জাওয়াদ নির্ঝর

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৫, ১৭:২৪

প্রবাসী সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্ট জাওয়াদ নির্ঝর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “ড. ইউনূস যদি ৫ বছর থাকেন, তাহলে দেশের মালিকানাও বিক্রি করে দেবেন। যত দ্রুত তাঁকে সরানো যাবে, ততই মঙ্গল!” এই মন্তব্য তিনি বৃহস্পতিবার (১২ জুন) নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে দেন।

নির্ঝরের বক্তব্যে উঠে আসে, আবেগ নয়, বরং বিবেক দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করা উচিত। “সুদের ব্যবসা করে নোবেল পাওয়া যায়, কিন্তু দেশ চালানো এত সহজ নয়,”—এমন মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি ড. ইউনূসের রাজনৈতিক নেতৃত্ব গ্রহণের সম্ভাবনাকে ব্যঙ্গ করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস মূলত আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে এবং সেখানে আওয়ামী ঘরানার ব্যক্তিরাই ড. ইউনূসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত পান। এমনকি অনেক “সাংবাদিক” যারা ইউনূসের অনুষ্ঠানে যান, তারা প্রকৃত সাংবাদিক নন বলেও দাবি করেন তিনি।

নির্ঝর প্রশ্ন তোলেন, “গত ১০ মাসে ড. ইউনূস কী সংস্কার করেছেন?” তার ভাষ্য, “কিছুই না!” বরং জনগণের মধ্যে কৃত্রিম সমর্থন দেখাতে “দালাল ভাড়া করে এনে ক্যামেরার সামনে বলানো হয়— স্যার, আপনি ৫ বছর থাকেন!”

এই মন্তব্যে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে, নির্ঝরের মতে ড. ইউনূসের নেতৃত্ব শুধুই প্রচারণা নির্ভর, বাস্তব সংস্কার বা জনসম্পৃক্ততা নয়। এমন মন্তব্য ইতোমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়া

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক […]

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ১৪:৪৮

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।’

‘মন্ত্রীকে আমি যতদূর চিনেছি-জেনেছি, তিনি অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত এবং স্বল্পভাষী। রাজনীতিতে যেখানে কাদা ছোড়াছুড়ি নিত্যদিনের ঘটনা, তিনি বিরোধী পক্ষকে কখনও কথার মাধ্যমে আক্রমণ করেননি। এমন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আমাদের দরকার। শারীরিক অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ সক্রিয় দেখেছি তাকে’-যোগ করেন ডাকসু নেতা।

সর্ব মিত্র চাকমা আরও লিখেছেন, ‘জানি না তিনি এ সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ও থাকতে পারে। কিন্তু দেশ ও পার্বত্যবাসীর কল্যাণে তার এ পদে আসীন থাকা দরকার। প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনি নিশ্চয় না করবেন না।’

প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। সোমবার তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

সোশ্যাল মিডিয়া

‘ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরলে আপনাকে ফোন দেবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও না’- পার্থকে নিয়ে আজাদের স্ট্যাটাস

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আজাদ মজুমদার। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এ-সংক্রান্ত স্ট্যাটাস দেন তিনি। তার স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো। আন্দালিব রহমান পার্থকে আমার ভালো লাগে তার সুন্দর বাচনভঙ্গির জন্য। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস যখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে […]

‘ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরলে আপনাকে ফোন দেবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও না’- পার্থকে নিয়ে আজাদের স্ট্যাটাস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২১:২৮

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আজাদ মজুমদার।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এ-সংক্রান্ত স্ট্যাটাস দেন তিনি। তার স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো।

আন্দালিব রহমান পার্থকে আমার ভালো লাগে তার সুন্দর বাচনভঙ্গির জন্য। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস যখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করছিলেন, তখন শুরুর দিকে একবার তাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

সেই বৈঠকে তিনি প্রফেসর ইউনূসকে এমনভাবে কাজ করার অনুরোধ করেছিলেন, যাতে দেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরে আসতে না পারে। তিনি বলেছিলেন, ‘তারা যদি ফিরে আসে, আপনার জন্য তো স্যার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ফোন করবে। কিন্তু আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও ফোন করবে না।’

তিনি এমনভাবে কথাগুলো বলেছিলেন যে, প্রফেসর ইউনূসসহ উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠেছিলেন। দেশের সংকটময় সময়েও নিজের স্বাভাবিক বাগ্মিতা ধরে রাখা সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে আফসোসের বিষয়, পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে তার দলকে দেখিনি। এমনকি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনাগুলোতেও তিনি ছিলেন অনুপস্থিত। ফলে তার বাগ্মিতা সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ বেশি পাইনি।

সোশ্যাল মিডিয়া

মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে কুমিরের কান্না বন্ধ করুন : আজাদ মজুমদার

গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে অন্তত তিনবার কারাবরণ এবং ১১টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার শিকার হওয়া বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার। শনিবার (১৪ মার্চ) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সুবিধাবাদী […]

মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে কুমিরের কান্না বন্ধ করুন : আজাদ মজুমদার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৩

গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে অন্তত তিনবার কারাবরণ এবং ১১টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার শিকার হওয়া বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার।

শনিবার (১৪ মার্চ) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সুবিধাবাদী রাজনীতির কড়া সমালোচনা করেছেন।

নিজের ফেসবুক পোস্টে আজাদ মজুমদার লেখেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত স্বৈরাচারী শাসনামলে মির্জা আব্বাসকে অন্তত তিনবার কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেই সরকার তাকে অন্তত ১১টি মামলায় জড়িয়েছিল, যার সবগুলোই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ব্যাপকভাবে পরিচিত।

তিনি উল্লেখ করেন, মির্জা আব্বাস একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও অতীতে সেই মানুষগুলোর কাছ থেকে একবিন্দু সহানুভূতি পাননি, যারা এখন তার জন্য কুমিরের কান্না কাঁদছেন। এর একমাত্র কারণ হলো, কোনো এক সমীকরণে বর্তমানে তিনি তাদের শত্রুর শত্রু।

মির্জা আব্বাস ও তার পরিবারের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি লেখেন, তার পরিবার যে মানসিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছে এবং তার জীবন থেকে যে মূল্যবান বছরগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তা তাদের ভুলে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। এই ক্ষতগুলো বাস্তব এবং সুবিধাবাদী কোনো সহানুভূতি দিয়ে এই ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে না।

সম্প্রতি মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলা আলোচনার সমালোচনা করে আজাদ মজুমদার বলেন, এখন কেউ কেউ ফায়দা লুটতে তার অসুস্থতার জন্য তার বর্তমান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দায়ী করার চেষ্টা করছেন। এই ধরনের কূটতর্ক কারও কোনো উপকারে আসবে না, বিশেষ করে মির্জা আব্বাসের তো নয়ই।

লোক দেখানো ক্ষোভ বা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার পরিবর্তে এই মুহূর্তে মির্জা আব্বাসের জন্য সবার কাছে আন্তরিক দোয়া চেয়েছেন তিনি। পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, যারা তাকে সত্যিকার অর্থে সম্মান করেন, তাদের আন্তরিক দোয়াই এখন তার প্রয়োজন। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন, আব্বাস ভাই।